1. successrony@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailykhabor24.com : Daily Khabor : Daily Khabor
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন

পে-অর্ডারে লোপাট ১৬০ কোটি টাকা

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: কেবল পে-অর্ডার ইস্যু করেই লোপাট হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। সাবেক ফারমার্স (পদ্মা) ব্যাংক থেকে এটাকা লুপাট করেছে ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী ও তার পরিবার। এ চাতুরতার কাজে ঢাকার গুলশান ও জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জের ব্যাংকের শাখা ব্যবহার করা হয়েছে। শাখাগুলো থেকে টাকা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর শেষে পে-অর্ডারের মাধ্যমে চিশতীর হিসাবে জমা করা হয়েছে।
পে-অর্ডার ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা করা হয়নি। এমনকি ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া ছাড়াই পে-অর্ডার ইস্যুর নজির রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালিত একটি বিশেষ তদন্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এসব অর্থ লোপাটের কাজে বাবুল চিশতী তার পরিবারের ৪ সদস্যসহ ১০ ব্যক্তি, ৬টি প্রতিষ্ঠান ও তিনটি ব্যাংকের শাখাকে ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী রজী চিশতী, ছেলে রাশেদুল হক চিশতী, মেয়ে রিমি চিশতী, মেয়ের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রিমি এন্টারপ্রাইজ, ভাই মাজেদুল হক (শামীম চিশতী), ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন, আত্মীয় ও কর্মচারী আবদুল ওয়াদুদ, তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এডিএম ডাইয়িং ও ফিনিশিং, চিশতীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রাশেদ এন্টারপ্রাইজ, সাইফ পাওয়ারটেক, ব্যাংকের সাবেক পরিচালক শরীফ চৌধুরী, মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহীম এবং শেয়ারহোল্ডার রুমি আক্তার, শাখা ব্যবস্থাপক জিয়াউদ্দিন আহ্মেদ। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন লিয়াকত আলী খান মুকুল, মিফতা ফেরদৌসের মালিকানাধীন তনজু কর্পোরেশনের ও শাফকাত মতিন, সেলিমের মালিকানাধীন ইলমা ট্রেডিং। তিনটি ব্যাংকের মধ্যে আছে,প্রাইম ব্যাংকের গুলশান শাখা, যমুনা ব্যাংকের গুলশান শাখা ও সিটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখায় চিশতীর সঞ্চয়ী হিসাবে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। ২০১৩ সালের শেষদিক থেকে ২০১৭ সালের শেষ দিক পর্যন্ত এসব লেনদেন হয়। অন্যান্য হিসাবগুলোতেও মোটা অঙ্কের লেনদেন হয়েছে।
সব মিলে শুধু পে-অর্ডারের মাধ্যমে মোট লেনদেন হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। যার মূল সুবিধাভোগী চিশতী। এসব অর্থ প্রথমে ফারমার্স ব্যাংক থেকে হিসাবে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন গ্রাহককে। পরে সেগুলো বিভিন্ন ব্যাংক ঘুরে একটি পর্যায়ে পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে তুলে নেয়া হয়েছে। এসব পে-অর্ডার বা লেনদেন সম্পর্কে চিশতী কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
উল্লেখ্য, পে-অর্ডার একটি ব্যাংকিং উপকরণ। নগদ টাকা বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা টাকার বিপরীতে এটি করতে হয়। এতে শুধু গ্রাহকের নাম থাকে, কোনো ব্যাংক হিসাব নম্বর লাগে না। এটি হিসাবের মাধ্যমে বা নগদেও ভাঙানো যায়। একসঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকা স্থানান্তর করা যায় খুব সহজে। অনেকটা ঝামেলামুক্ত ও সহজ বলে বড় অঙ্কের টাকা স্থানান্তরে বেশ জনপ্রিয় উপকরণ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বরে প্রাইম ব্যাংকের গুলশান শাখার গ্রাহক শাফকাত মতিনের সঞ্চয়ী হিসাব থেকে ৫০ লাখ টাকা স্থানান্তর করে চিশতীর নামে পে-অর্ডার করা হয়। এটি ক্লিয়ারিং হয়ে চিশতীর হিসাবে জমা হয়। এই টাকা সম্পর্কে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা চিশতী দিতে পারেননি ।
২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ফারমার্স ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অফিস নোটের মাধ্যমে জামালপুরের বখশীগঞ্জ ও ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট শাখার ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনের বিল বাবদ ১০ লাখ টাকা করে ২০ লাখ টাকা রিমি এন্টারপ্রাইজের নামে পে-অর্ডার করতে গুলশান শাখাকে নির্দেশনা দেয়া হয়। সে অনুযায়ী শাখা দুটি পে-অর্ডারের মাধ্যমে রিমি এন্টারপ্রাইজের হিসাবে ওই টাকা জমা করে। বাবুল চিশতীর মেয়ে রিমি চিশতী। তিনি ওই সময়ে মেডিকেল কলেজের ছাত্রী ছিলেন।

ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান বাবুল চিশতী একক ক্ষমতাবলে সাইফ পাওয়ার টেকের নামে আড়াই কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করে। পরে চিশতীর নির্দেশে ঋণ সুবিধা ৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি বাবুল চিশতীর নামে ২ কোটি টাকার চেক ইস্যু করে তার হিসাবে জমা করে। পরদিন ৯ জানুয়ারি ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা নগদ তোলা হয়।
একই তারিখে শাখা থেকে নগদ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা নগদ জমার মাধ্যমে লিয়াকত আলী খান মুকুলের নামে পে-অর্ডার করা হয়। ইস্যুকৃত পে-অর্ডার কি কারণে যমুনা ব্যাংকের গুলশান শাখায় জমা করা হয়েছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। বাকি টাকা তোলার পর হিসাবটি ২০ জানুয়ারি বন্ধ করা হয়। এর মাধ্যমে টাকার সুবিধাভোগীকে গোপন করা হয়েছে। যা অবৈধ ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ। ব্যাংকের গুলশান শাখায় চিশতীর ছেলে রাশেদুল হক চিশতীর নামে হিসাব খোলা হয় ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি। ২০ জানুয়ারি এর বিপরীতে তিনটি এফডিআরে নগদ জমা হয় ৫৫ লাখ টাকা। নগদ অর্থের উৎস সম্পর্কে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে চিশতী ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর ২০ লাখ টাকা, ১৯ নভেম্বর ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ৮ ডিসেম্বর ১০ লাখ টাকা, ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ৯০ হাজার টাকা, ২০১৫ সালের ৫ মে ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, একই তারিখে আরও ১ লাখ ১৭ হাজার টাকাসহ মোট ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকার পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়েছে। এ ব্যাপারেও পরিবারের সদস্যরা সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে চিশতীর মালিকানাধীন রাশেদ এন্টারপ্রাইজের নামে নগদ জমার মাধ্যমে ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল ১০ লাখ টাকা, ১৪ মে ১২ লাখ টাকা, ২৫ মে ১০ লাখ টাকা, একই তারিখে আরও ১০ লাখ টাকা, ৯ জুন ১০ লাখ টাকা, ১৭ জুন ৫ লাখ টাকা, একই তারিখে আরও ৫ লাখ টাকা, ২৬ জুন ১০ লাখ টাকা, ৯ সেপ্টেম্বর ১০ লাখ টাকা, ৩০ নভেম্বর ১৪ লাখ টাকা, ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি ১৫ লাখ টাকা, ১২ ফেব্রæয়ারি ১৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১০ মার্চ ১৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ৬ মে ১৫ লাখ টাকা, ৬ অক্টোবর ১৫ লাখ টাকা, ২ নভেম্বর ১০ লাখ টাকাসহ মোট ১ কোটি ৮০ লাখ ৮৪ হাজার টাকার পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়েছে। এসব পে-অর্ডার সিটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে নগদায়ন হয়েছে। এভাবে টাকা স্থানান্তরকে রহস্যজনক বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে। চিশতী এবং তার পুত্র রাশেদুল হক চিশতী, ব্যাংকের সাবেক পরিচালক শরীফ চৌধুরী, মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহীম এবং শেয়ারহোল্ডার রুমি আক্তারের কাছ থেকে ২০১৭ সালের ৭ মার্চ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার চিশতীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গ্রাহকের নামে স্থানান্তর করা হয়। বিভিন্ন সময় ভুয়া নামে ঋণ অনুমোদন করে ওই টাকায় এসব শেয়ার কেনা হয় জোরপূর্বক। অর্থাৎ বিক্রেতাদের শেয়ার ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফারমার্স ব্যাংকের ঋণ বিতরণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গুলশান শাখা থেকে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ চিশতীর মৌখিক নির্দেশে নিয়মবহির্ভূতভাবে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। তার ভাই মাজেদুল হক (শামীম), চিশতীর আত্মীয় ও কর্মচারী আবদুল ওয়াদুদের পরিচালিত এডিএম ডাইয়িং ও ফিনিশিংয়ের নামে ১৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়। এটি চিশতীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এ অর্থ নগদ তুলে শরিফ চৌধুরীর নামে পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়। এর আবেদনকারী ছিলেন সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক জিয়াউদ্দিন আহ্মেদ।প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল চিশতীর মৌখিক নির্দেশে মিফতা ফেরদৌসের মালিকানাধীন তনজু কর্পোরেশনের নামে গুলশান শাখা থেকে ৫ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়। এটি চিশতীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। অনৈতিক ও অবৈধভাবে এই ঋণ দেয়া হয়েছে। ঋণের টাকা গ্রাহকের চলতি হিসাব স্থানান্তর করে একইদিনে বেআইনিভাবে চিশতীর মৌখিক নির্দেশে তার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নগদ উত্তোলন করে চিশতীর হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।

গুলশান শাখা থেকে ২০১৭ সালের ১৯ মার্চ চিশতীর পুত্র রাশেদুল হকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ার বিক্রেতা রুমি আক্তারের নামে ২ কোটি টাকার একটি, ৫০ লাখ টাকার একটি এবং ২৩ মার্চ ৪০ লাখ টাকার একটি অর্থাৎ ৩টি পে-অর্ডারের মাধ্যমে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা ইস্যু করা হয়। এসব পে-অর্ডার অ্যাপার্টমেন্ট ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে ঋণ হিসাব থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা চলতি হিসাবে স্থানান্তর করে। পরে দুই দফায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা করে ২টি চেকের মাধ্যমে সেলিমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ইলমা ট্রেডিংয়ের চলতি হিসাবে জমা হয়। এটি চিশতীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। স্পষ্টতই বোঝা যায়, এ অর্থ ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্জিত। এর উৎস গোপন করতে প্রথমে ইমলা ট্রেডিংয়ের চলতি হিসাব থেকে স্থানান্তর এবং পরে ৩টি চেকের মাধ্যমে নগদ তুলে ওইসব পে-অর্ডার ইস্যু করে। গুলশান শাখা থেকে একই বছরের ২৩ মার্চ চিশতীর মৌখিক নির্দেশে তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট শাহজাহানের মালিকানাধীন জাহান ট্রেডার্সের নামে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করে। সেই টাকা ওই গ্রাহকের চলতি হিসাবে স্থানান্তর করে একইদিনে চিশতীর মৌখিক নির্দেশে গ্রাহকের হিসাব থেকে চেক ছাড়াই ৭০ লাখ টাকা করে ২টি লেনদেনের মাধ্যমে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা নগদ তুলে শেয়ার বিক্রেতা রুমি আক্তারের নামে ৪০ লাখ টাকার পে-অর্ডার ইস্যু করে। বাকি ১ কোটি টাকা চিশতীর পক্ষে তুলে নেয়া হয়। গ্রাহকের হিসাব থেকে চেক ছাড়াই এভাবে টাকা তুলে নেয়ার ঘটনাকে একেবারেই নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, গুলশান শাখা থেকে ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ টাকা জমা ছাড়াই চিশতীর মৌখিক নির্দেশে বেআইনিভাবে ব্যাংকের সাবেক পরিচালক শরীফ চৌধুরীর নামে ১ কোটি টাকা করে দুটি পে-অর্ডারে ২ কোটি টাকা ইস্যু করা হয়। পরে এ অর্থ চিশতীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট হিসাবে নগদায়ন করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী নগদ বা শাখার হিসাব থেকে টাকা দিলে তখনই কেবল পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়। কেননা পে-অর্ডারই এক ধরনের নগদ টাকা। অথচ এক্ষেত্রে কোনো টাকা জমা ছাড়াই পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়েছ। যা নজিরবিহীন। এ প্রক্রিয়াই ব্যাংকটি লুট করা হয়। গত ৩০ জুন চিশতীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ফেরদৌস জুবায়েত ইসলাম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন এস টু আরএস কর্পোরেশনের নামে ৫ কোটি ২০ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করে তা গ্রাহকের চলতি হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। একইদিনে চিশতীর মৌখিক নির্দেশে ওই হিসাব থেকে নগদ তুলে সাবেক পরিচালক শরিফ চৌধুরীর নামে ২ কোটি টাকার ২টি পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়। অর্থণীতিবিদরা মনে করেন মুখোশধারী দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি না হলে এদেশ থেকে ব্যাংক লুন্ঠনকারীদের রূখা যাবে না।

এ জাতীয় আরো খবর