1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০১:২৯ অপরাহ্ন

আত্মসাতের টাকা বাথরুমে

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: চট্টগ্র্রাম জিপিও’তে ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের সাড়ে ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ডাক বিভাগের দুই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার সকালে দুই কর্মকর্তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

তারা হলেন- চট্টগ্রাম জিপিও’র সহকারী পোস্টমাস্টার নুর মোহাম্মদ ও পোস্টাল অপারেটর সারওয়ার আলম। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডাক বিভাগের পরিদর্শক রাজীব পাল।

নগরীর কোতোয়ালী থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মো. কামরুজ্জামান বলেন, ডাক বিভাগের অর্থ আত্মসাত করার অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে কোতোয়ালী থানায় সোপর্দ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। অভিযোগটি দুদকের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় আসামিদের দুদকের হাতে হস্তান্তর করা হবে। গত বৃহস্পতিবার সকালে ডাক বিভাগের নিজস্ব অডিট বিভাগে দুই কর্মকর্তার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় ডাক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে ডাক বিভাগের পরির্দশক রাজীব পাল জানান, ২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রাম জিপিও’র সঞ্চয় শাখায় সহকারী পোস্টমাস্টার হিসেবে কর্মরত আছেন নুর মোহাম্মদ। চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে সঞ্চয় কাউন্টারের পোস্টাল অপারেটর হিসেবে কর্মরত আছেন সারওয়ার আলম। তারা সঞ্চয় শাখায় টাকা জমা ও উত্তোলনের কাজে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম জিপিও’র ঊর্ধ্বতন পোস্টমাস্টার ড.নিজাম উদ্দিন সঞ্চয় শাখায় হঠাৎ ভিজিট করেন। সে সময় তিনি তিনটি সাধারণ হিসাব নম্বর যথাক্রমে রায়ফা হোসেনের নামে ৬৯৯৩৫০ থেকে ১৬ লাখ, লাকী আক্তারের নামের ৬৯৬২৫১ থেকে ১৪ লাখ, সাকি আক্তার নামের ৬৮৬৬৩৫ নম্বর হিসাব থেকে ১৫ লাখ মিলিয়ে মোট ৪৫ লাখ টাকা ভুয়া উত্তোলন দেখিয়ে আত্মসাত করার প্রমাণ পান। তাদের দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করার পর রাত ১২টার দিকে তারা উভয়ে তাদের ব্যবহার করা পুরাতন টেবিলের ড্রয়ার থেকে ২০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা এবং রাথরুমের সানশিটের ভেতর ৫৬ হাজার টাকা লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে ২১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা উদ্ধার করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়। বাকি ২৩ লাখ ৫১ হাজার টাকার হদিস পাওয়া যায়নি। এ সরকারি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে তারা উভয়ে আত্মসাত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর