1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

আফজালের অবৈধ সম্পদের স্বীকারোক্তি

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: অবৈধভাবে কেরানি আবজাল চাকুির জীবনে শূধূই অর্থ আর অর্থ কামিয়ে অগাধ ধন সম্পদ বানিয়ে এখন খবরের শিরোনাম হয়েছেন। কাড়িকাড়ি টাকা স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে নানা ফন্দিফিকির ও জালিয়াতি এ সম্পদেও পাহাড় তিনি গড়েছেন। এখন খবরের শিরোনাম হয়ে তিনি এখন বেশ আলোচিত। আলোচিত এই কেরানির পুরো নাম আবজাল হোসেন। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনে এই অবৈধ সম্পদ অর্জনের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন কিছু পন্থা অবলম্বন করে সম্পদ গড়েছেন। পদের ব্যবহার করে ঠিকাদারি করেছেন। সরকারি চাকরিতে থেকে এটা করা সমীচীন হয়নি।

তিনি বলেন, আমার যত অবৈধ সম্পদ আছে সবই দুদক জব্দ করেছে। তার ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে। দেশের বাইরে কী পরিমাণ সম্পদ আছে এর জবাব দেননি তিনি। নিয়মবহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুদকের দুই মামলায় ১৪ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিন এসব কথা বলেন আবজাল। গত রোববার দুদকের উপ-পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকালে তাকে কারাগার থেকে দুদকে নেয়া হয়। বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আবজাল বলেছেন, তিনি দেশেই আত্মগোপনে ছিলেন। বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিমানবন্দরেও গিয়েছিলেন। তবে বাধা পেয়ে তিনি সেখান থেকে ফিরে আসেন। দেশে কোথায় ছিলেন-এমন প্রশ্নের কোনো তথ্য দেননি।

কেন আত্মসমর্পণ করলেন- এ প্রশ্নের জবাবে আবজাল বলেন, তাকে আইনজীবী আশ্বস্ত করেছিলেন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন হবে। সেই ভরসায় আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু আদালত তাকে জামিন না দিয়ে জেলে পাঠান। দুদক কর্মকর্তারা বলেন,আরও ১৩ দিন সময় আছে। তাকে অনেক জেরা ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সব তথ্য তার কাছ থেকে আদায় করা হবে। একজন কেরানি কীভাবে শত শত কোটি টাকার মালিক হলেন, কীভাবে আলাদিনের চেরাগ পেলেন-সব কিছুই তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বের করে আনা হবে।

এরআগে গত ২৬ আগস্ট আফজাল হোসেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। দুদকের পক্ষ থেকে মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আবজালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক আদালতে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত ২ মামলায় ৭ দিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুটি মামলার একটিতে আবজাল হোসেন ছাড়াও তার স্ত্রী রুবিনা খানম যৌথভাবে আসামি। গত বছর ২৭ জুন দুদক উপ-পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দুটি করেন। এতে আবজাল দম্পতির বিরুদ্ধে ৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৬১ হাজার ৪৯৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়।

মামলায় অবৈধ সম্পদ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে ২৮৪ কোটি ৫১ লাখ ১৩ হাজার ২০৭ টাকার মানি লন্ডারিং অপরাধের অভিযোগও করা হয়।আবজালের বিরুদ্ধে করা মামলায় ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়-দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে আবজাল দুই কোটি ২ লাখ ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৮৫ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন ।আবজালের স্ত্রী রুবিনা খানম ও আবজালকে যৌথভাবে আসামি করে করা মামলায় ৩১ কোটি ৫১ লাখ ২৩ হাজার ৪৪ টাকার সম্পদের কথা বলা হয়।তিনি দুদকের কাছে ৫ কোটি ৯০ লাখ ২৮ হাজার ৯২৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ জাতীয় আরো খবর