1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ন

আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে শ্মশানের জায়গা দখলের অভিযোগ

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মহাশ্মশানের জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে বারবার স্থানীয় প্রশাসনে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না স্থানীয়রা। উল্টো ওই আওয়ামী লীগ নেতাই নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা জানান, চন্দননগর দরগাপাড়া ও তাতিহার গ্রামে তিন শতাধিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার সরকারি লালমাটি পুকুরের উত্তর পাড়ের প্রায় ৬০ শতাংশ জমি মহাশ্মশান হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন তারা।

প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে সরকারি পুকুরটি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান। দুই মাস আগে শ্মশান হিসেবে ব্যবহৃত পুকুরপাড় ও সংলগ্ন জমির বেশ কিছু অংশ কেটে পুকুরে পরিণত করেন তিনি।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যরা জানান, বিষয়টি পর স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় চন্দননগর গ্রামের বাসিন্দা মতিলাল পাহান বলেন, ‘ওই শ্মশানে স্বজনদের মৃতদেহ সৎকার করতে গেলে সাবেক চেয়ারম্যান ও তার লোকজন বাধা দেন। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।’

তাতিহার গ্রামের বাসিন্দা রুপেন সরদার বলেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরা ওই জায়গা শ্মশান হিসেবে ব্যবহার করেছেন। আমরাও ছোটবেলা থেকে জায়গাটিকে শ্মশান হিসেবেই চিনি। হঠাৎ করে খালেকুজ্জামান প্রভাব খাটিয়ে শ্মশানের জায়গাটি দখল করে নিয়েছেন। থানায় অভিযোগ করায় এখন ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।’

স্থানীয় চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে তিনি দুই পক্ষের সঙ্গে বসার চেষ্টা করেছিলেন। তবে খালেকুজ্জামান সালিশে বসতে রাজি না হওয়ায় বিষয়টি ওই অবস্থাতেই রয়েছে। বিষয়টির দ্রুত একটা সমাধান হওয়া উচিত।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খালেকুজ্জামান বলেন, ‘তারা আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন। যে জায়গার কথা বলা হচ্ছে, সেটা শ্মশান নয়। ওই জায়গা খাস সম্পত্তি। কোনোদিনই ওই জায়গা কবরস্থান কিংবা শ্মশান ছিল না। শ্মশানের জায়গা হলে আমি কোনো দিনই জবরদস্তি করতাম না।

‘আমি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চন্দননগরের চেয়ারম্যান ছিলাম। কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না আমি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার নষ্ট করেছি। এগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট।’

এ বিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়া মারীয়া পেরেরা বলেন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মহাশ্মশানের জায়গা দখলের বিষয়ে তদন্তের জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (এসি ল্যান্ড) নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর