1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা গ্রেফতার, নেওয়া হলো র‌্যাব সদর দপ্তরে

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে পণ্য ডেলিভারি না দিয়ে প্রতারনার আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো: রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে রাসেলের ঢাকার মোহাম্মদপুরে স্যার সৈয়দ রোডের বাসায় ঘণ্টাখানেক অভিযান চালানোর পর বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে তাদের সাদা গাড়িতে করে র‌্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান খায়রুল ইসলাম বলেন, তাদের র‌্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যে মামলা হয়েছে, তাতে তাদের গ্রেফতার দেখানো হবে।র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যমকে জানান,বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরে স্যার সৈয়দ রোডের নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের (হাউজ নম্বর ৫/৫এ) বাসায় রাসেলের ফ্ল্যাটে অভিযান শুরু করা হয়। তবে কী অভিযোগে এই অভিযান, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাননি তিনি।এর আগে বুধবার গভীর রাতে ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক।গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৯ মে থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ইভ্যালির পণ্যের মূল্য বাবদ ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা অনলাইন ব্যাংকিং ও একটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করেন গ্রাহক আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা। পণ্য ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে দিতে ব্যর্থ হলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরতের অঙ্গীকার করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ ৫ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির গ্রাহকসেবা শাখায় (কাস্টম কেয়ার সেন্টার) যোগাযোগ করে পণ্য পেতে ব্যর্থ হন আরিফ।
মামলার বাদী আরিফ বাকের তার অভিযোগে বলেন, ইভ্যালির কাছে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকার পণ্যের অর্ডার দেন তিনি। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে তাকে কোনো পণ্য সরবরাহ করা হয়নি। পরে গত ৯ সেপ্টেম্বর দুই বন্ধুকে নিয়ে আরিফ ধানমন্ডির ১৪ নম্বর রোডে ইভ্যালির অফিসে যান। কিন্তু ইভ্যালির সিইও মো: রাসেল তাদের সঙ্গে দেখা করতে চাননি। একপর্যায়ে অফিসের ভেতর থেকে রাসেল তাদের টাকা দিতে অস্বীকার করেন ও তাদের‘প্রাণনাশের হুমকি’ দেন। এর আগে যতবার যোগাযোগ করা হয়, ততবারই ইভ্যালি টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি বলে টালবাহানা করে বলে অভিযোগ গ্রাহক আরিফ বাকেরের।ইভ্যালিতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রাসেল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদেও আছেন।
এদিকে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডবিøউটিও সেলের মহাপরিচালক মো: হাফিজুর রহমান জানান,গত মঙ্গলবার ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েকে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর