1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন

একাধিক বিয়ে করে অর্থ নষ্ট করছে তালেবানরা

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তানে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তালেবান নেতা ও কমান্ডারদের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ, এভাবে বহুবিয়ের মাধ্যমে অর্থ নষ্ট করছে তারা।

সংগঠনের সদস্যদের এই চর্চা বন্ধে একটা ডিক্রি জারি করেছে শীর্ষ তালেবান নেতা মোল্লা হিবাতুল্লাহ।
এই ডিক্রিতে দলের বিভিন্ন গ্রুপের নেতা এবং কমান্ডারদের বহুবিয়ে না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘এটা করে আমাদের শত্রুদেরকে আমরাই সমালোচনা করার সুযোগ করে দিচ্ছি।’

বিবিসির বিশেষ এক প্রতিবেদনে এ খবর দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ধর্ম অনুসারে মুসলমান পুরুষরা চারটা বিয়ে করতে পারে। আর পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং কিছু মুসলিম অধ্যুষিত দেশে বহুবিয়ে এখনো বৈধ।

কিন্তু তালেবানের সূত্রগুলো বলছে, এই বহুবিয়ে করতে গিয়ে কমান্ডারদের অধিক অর্থের প্রয়োজন পড়ছে। কারণ, অনেক আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের পাশতু আদিবাসী পরিবারে বিয়ে করতে হলে কনে পক্ষকে চড়া মূল্যের পণ দিতে হয়। তালেবান নেতারা জানিয়েছেন, এই পণ দিতে তাদের যোদ্ধাদের মধ্যে অর্থের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা শুরুর পথ প্রশস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে তালেবানের সঙ্গে আফগান সরকারের আলোচনা শুরু হয়েছে। আফগান রাজনীতির এমন একটি সংবেদনশীল সময়ে তালেবানের পক্ষ থেকে এ ডিক্রি জারি করা হলো। এ ছাড়া কয়েকজন তালেবান নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, বিশাল আকারের এক বা একাধিক বাড়ি তৈরি করতে তারা চাঁদা তুলছেন বা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন। তালেবানের বেশির ভাগ জ্যেষ্ঠ নেতারই একাধিক স্ত্রী রয়েছে। ফলে আগেই যাদের একাধিক স্ত্রী রয়েছে তাদের ওপর নতুন এই ডিক্রির প্রয়োগ হবে না।

আফগান তালেবান প্রধান মোল্লা হিবাতুল্লাহ নাম দিয়ে জারি করা দুই পাতার ওই ডিক্রিতে পুরুষদের দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বিয়ে নিষিদ্ধ করা হয়নি। কিন্তু সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘বিয়ের অনুষ্ঠানে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয় সেটা তালেবান বিরোধীদের সমালোচনা করার সুযোগ করে দেয়। এর ফলে শত্রুরা আমাদের সমালোচনা করার সুযোগ পায়।

যদি সব নেতা এবং যোদ্ধা বহুবিয়ে এড়িয়ে চলেন তবে তাদের দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া বা বেআইনি কিছু করার প্রয়োজন পড়বে না।’

ওই ডিক্রিতে কিছু ব্যতিক্রমও রাখা হয়েছে। যেমন : যেসব পুরুষের পূর্বের স্ত্রী বা স্ত্রীদের ঘরে সন্তান নেই বা ছেলেসন্তান নেই তারা বহুবিয়ে করতে পারবেন। এ ছাড়া, যারা বিধবাদের বিয়ে করতে চান অথবা পারিবারিকভাবে সম্পদশালী পুরুষদের বহুবিয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তবে উপরের কারণে একজন পুরুষ যদি একাধিক বিয়ে করতে চান তবে তাকে বিয়ের আগে সরাসরি তার সুপারভাইজারের কাছে অনুমতি নিতে হবে।

আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের পাশতুন সমাজে বহুগামিতার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে মেয়েদের আসলে তেমন কিছুই বলার থাকে না যে তারা কাকে, কখন বিয়ে করবে।

গ্রামীণ পুরুষতান্ত্রিক পাশতুন সমাজে বিয়ের পর বাচ্চা না থাকা বিশেষ করে ছেলেসন্তান না থাকাকে আরেকটি বিয়ে করার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর