1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন

এবার প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: এবার প্রিমিয়ার ব্যাংক রোকেয়া সরণি শাখার সাবেক দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই চোর ব্যাংকের ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। দুদক কমিশনের উপপরিচালক মো: মোনায়েম হোসেন বাদী হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ঢাকায় এ মামলা করেন। ওই দুজন হলেন জুলফিকার আলী ও ফিরদৌস আলম। জুলফিকার আলী প্রিমিয়ার ব্যাংক রোকেয়া সরণি শাখার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ক্রেডিট ইনচার্জ এবং ফিরদৌস আলম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখার ব্যবস্থাপক পদে ছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগে গত বছর ফিরদৌস আলমকে বাধ্যতামূলক অবসর ও জুলফিকার আলীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংকের রোকেয়া সরণি শাখা থেকে মোট ১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকের পাঁচটি খাতে ঋণ জালিয়াতি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় প্রথম এ জালিয়াতি ধরা পড়ে। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গত বছরের ২১ অক্টোবর এ ব্যাপারে কাফরুল থানায় মামলা করা হয়। পরে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আসামিদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়। অভিযোগ পেয়ে এ ঘটনায় পৃথক অনুসন্ধান করে দুদক। প্রায় এক বছরের অনুসন্ধান শেষে জুলফিকার আলী ও ফিরদৌস আলমের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি ২৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করল দুদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা একাধিক গ্রাহকের অজান্তে তাঁদের নামে ব্যাংক হিসাব খুলে ঋণ নিয়েছেন। সেই ঋণ বিভিন্ন আমানত হিসাব ও ঋণ হিসাবে এবং পে–অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে হয়, যা পরে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে তুলে নেওয়া হয় এবং ঋণ হিসাব সমন্বয় করা হয়। জানা গেছে, গ্রাহকের অজান্তে এভাবে ব্যাংক হিসাব খুলে ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করার অন্তত ১০টি ঘটনা ঘটে বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকের রোকেয়া সরণি শাখায়। ঘটনাগুলো ঘটে ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। এ ঘটনায় পুলিশ ব্যাংকের ওই শাখার জুলফিকার আলী, ফিরদৌস আলম ও মো: মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের মধ্যে ফিরদৌস আলম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। প্রিমিয়ার ব্যাংকের নিরীক্ষা বিভাগের নথিপত্রে দেখা যায়,আসামি জুলফিকার আলীর আত্মসাৎ করা টাকার একটা অংশ মিরপুরে তাঁর বাবার নামে থাকা ফ্যামিলি বাজার নামে একটি সুপারশপ ও ব্লু মোটরস নামে একটি প্রতিষ্ঠানে খাটান। ব্যাংক লেনদেনের নথিতে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। দুদকের মামলার এজাহারে প্রিমিয়ার ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন, ব্যাংকের নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্যও উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর