1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন

ওসি প্রদীপকে পরামর্শ দেয়া সাবেক এসপি আল্লাহ বকশের দুঃখ প্রকাশ

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

সাবেক মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে হত্যার দায় থেকে রক্ষা পেতে টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে পরামর্শ দিয়েছিলেন সাবেক এসপি আল্লাহ বকশ। ফোনে দেয়া ওই আইনি পরামর্শ দিয়ে সমালোচিত হন তিনি। নিজের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন আল্লাহ বকশ।

১১, আগস্ট, মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দুঃখ প্রকাশ করেন আল্লাহ বকশ। চট্টগ্রাম অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম শাখার প্যাডে ওই বিজ্ঞপ্তি তিনি গণমাধ্যমের কাছে পাঠান। বর্তমানে তিনি এই সংগঠনের সভাপতির দায়িত্বে আছেন।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, গত ১ আগস্ট টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর মিডিয়া ও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। অনেকে আমি খুব খারাপ কাজ করেছি বলে ধারণা করছেন।

তিনি আরো বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে কর্মরত পুলিশ অফিসাররা বিভিন্ন সময় পরামর্শ চেয়ে থাকেন। ওই দিনও ওসি প্রদীপ তার মতো করে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আইনি পরামর্শ চেয়েছিলেন।

আল্লাহ বকশ আরো বলেন, ‘ওইদিন ওসি প্রদীপ টেলিফোনে যা বলেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতেই পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। মূলত, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা হয়েছিল।’

ওই পরামর্শ দেয়ার সময় সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গে তার ‘অবজ্ঞাসূচক’ মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বাচনভঙ্গি বিকৃত হয়, যা আমার অনিচ্ছাকৃত স্লিপ অব টাং। এতে আমি অনুতপ্ত, মর্মাহত। আমার মাধ্যমে তাদের অবজ্ঞা করার প্রশ্নই আসে না।’ এ জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

আল্লাহ বকশ চৌধুরী ৬ বছর আগে পুলিশ সুপার পদ থেকে অবসরে যান। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের খুলশী মুরগির খামার এলাকায় নিজস্ব ভবনে বসবাস করছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে কর্তব্যরত পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে তাকে গুলি করার দাবি করলেও একে সরাসরি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন সিনহার স্বজনরা।

এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়। একটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়। এই মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও গুলিতে নিহত হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলার আসামি করা হয় সিফাতকে। আর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামু থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় আসামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে।

এরপর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন বাদী হয়ে একই আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরের দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত, এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ ৭ পুলিশ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর