1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন

করোনার ওষুধ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে রাশিয়া, তৈরি হচ্ছে জাপানও

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ৩ জুন, ২০২০
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

চীনের উহান থেকে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বের দু’শ ১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। বিশ্বের ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার চারশ ৫২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আর মৃত্যুবরণ করেছেন তিন লাখ ৭৭ হাজার নয়শ ৭১ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯ লাখ ২৬ হাজার নয়শ ৩২ জন। এখনো এই ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন বা ওষুধ উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। তবে করোনা ঠেকাতে নানা গবেষণা চলছে। পরীক্ষাধীন ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও শুরু করেছে কিছু দেশ। তবে রাশিয়াই প্রথম আগামী সপ্তাহ থেকে রোগীদের পরীক্ষাকৃত ওষুধ দিতে শুরু করবে। সে জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনও পেয়ে গেছেন তারা।

অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটির নাম রাখা হয়েছে ‘আভিফাভিয়ার’। ১১ জুন থেকে রোগীদের এই ওষুধ দেওয়া যেতে পারে বলে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাসে ৬০ হাজার জনকে ওই ওষুধের জোগান দিতে পারবে বলে জানিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা।

এই মুহূর্তে কভিড-১৯ রোগের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ‘গিলিড’র ওষুধ ‘রেমডেসিভির’ আশার আলো দেখাচ্ছে। কিন্তু সার্বিকভাবে ব্যবহারের ছাড়পত্র পায়নি। সামান্য কিছু দেশে অল্পসংখ্যক রোগীকে ওষুধটি দেওয়া হয়েছিল। সবাই সমান ফলও পাননি। এরই মধ্যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চ্যাডক্স-১’ নামে একটি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীদের দাবি, তাদের প্রতিষেধক সাফল্য পাবে। কিন্তু সে সব শেষ হতে দেরি আছে।

‘আভিফাভিয়ার’ ওষুধটির জেনেরিক নাম ‘ফাভিপিরাভিয়ার’। ১৯৯০-এর শেষের দিকে সেটি তৈরি করে জাপানের একটি সংস্থা। আরএনএ ভাইরাস প্রতিরোধে ভালো কাজ দেয় ওষুধটি। ‘রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’র প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ জানিয়েছেন, ‘ফাভিপিরাভিয়ার’র ক্ষমতা আরো বাড়িয়ে নতুন ওষুধটি তৈরি করা হয়েছে। এর গুণাগুণ কী বাড়ানো হয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে তা প্রকাশ করবে মস্কো।

জাপানেও এই ওষুধটির প্রয়োগ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সেখানে এর নাম ‘আভিগান’। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এক প্রকার অনুমোদনও দিয়ে ফেলেছেন। এই খাতে ১২ কোটি ৮০ লক্ষ ডলার সরকারি তহবিল থেকেও দিয়েছেন। কিন্তু রোগীদের ওপর প্রয়োগের ছাড়পত্র এখনো মেলেনি।

এ জাতীয় আরো খবর