1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন

করোনায় বাধাগ্রস্থ:ব্যয় হয়নি ৩৭ হাজার কোটি টাকা

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: দেশের উন্নয়নে বিভিন্নখাতে আইএমইডির হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরের বরাদ্ধের ৩৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়নি। তাদের চূড়ান্ত হিসাবে দেখা যায় সর্বোচ্চ ১০৪ শতাংশ বাস্তবায়ন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের,স্বাস্থ্য খাতে অব্যয়িত আছে ৫ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। তবে করোনা মহামারিতে বাধাগ্রস্থ হয়েছে উন্নয়ন। ফলে ২০২০-২১ অর্থবছরের খরচ হয়নি ৩৭ হাজার ২২২ কোটি টাকা। সার্বিকভাবে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (আরএডিপি) বাস্তবায়ন হার দাঁড়িয়েছে ৮২ দশমিক ২১ শতাংশ। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে বাস্তবায়ন হার কিছুটা বাড়লেও করোনার আগের ৩ অর্থবছরের তুলনায় অনেক কম। স্বাস্থ্য খাতেও অব্যয়িত রয়েছে ৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। তবে আরএডিপি বাস্তবায়নে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সবচেয়ে এগিয়ে। এদের বাস্তবায়ন হার দাঁড়িয়েছে ১০৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। সবার নিচে আছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। বাস্তবায়ন হার ৩৫ দশমিক ৩২ শতাংশ। বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) চূড়ান্ত হিসাবে উঠে এসেছে এসব তথ্য। জানতে চাইলে আইএমইডির সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, লক্ষ্য অর্জনে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায় করোনা মহামারি। এক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়ন কম হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা ছিল কৃষি ও স্বাস্থ্য ছাড়া অন্য সব মন্ত্রণালয়ের ১৫ শতাংশ অর্থ সংরক্ষণ করতে হবে। এ কারণেও বেশি টাকা খরচ করা যায়নি। এছাড়া সাধারণত যেসব কারণে এডিপির বাস্তবায়ন কম হয় সেগুলো তো ছিলই। তবে কোভিড-১৯ না থাকলে এত কম খরচ হতো না। আরও অনেক বেশিই ব্যয় করা সম্ভব ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের মূল এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১১ কোটি টাকা। মাঝপথে এসে ৫ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত এডিপির আকার ধরা হয় ২ লাখ ৯ হাজার ২৭২ কোটি টাকা। কিন্তু অর্থবছর শেষে (জুন-জুলাই) মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ব্যয় করেছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৫০ কোটি টাকা। ফলে খরচ করা যায়নি ৩৭ হাজার ২২২ কোটি টাকা।এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ২২ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা, বৈদেশিক সহায়তার ১০ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিলের ৪ হাজার ১৯ কোটি টাকা আছে। তবে এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরের আরএডিপিতে বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ১ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা। মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ব্যয় করেছিল ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। আরএডিপি বাস্তবায়ন হার দাঁড়িয়েছিল ৮২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ হিসাবে করোনার মধ্যেও বাস্তবায়ন হার কিছুটা বেড়েছে।শুধু জুনের খরচের হিসাব:অর্থবছরের শেষ মাসে খরচের হিড়িক পড়েছিল। জুনে আরএডিপির আওতায় খরচ হয়েছে ৪৯ হাজার ৯১৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার ৭০৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বা ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১২ হাজার ৯২৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা বা ২০ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ২৮৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বা ৩৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুনে খরচ হয়েছিল ৪৬ হাজার ৩১৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বা ২৩ দশমিক ০২ শতাংশ।
স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের চিত্র:করোনা মহামারির কারণে স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় এসেছে ব্যাপক আলোচনায়। এ খাতে অব্যয়িত রয়েছে ৫ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা। আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-স্বাস্থ্য খাতের আওতায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ৫৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন চলছে। এসব প্রকল্পের অনুকূলে ২০২০-২১ অর্থবছরের আরএডিপিতে বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ৯৭৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।পুরো অর্থবছরে ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৯৩৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। ফলে এই বিভাগে অব্যয়িত রয়েছে ৫ হাজার ৪১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এছাড়া স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ১৫টি প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৮৮৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অব্যয়িত রয়েছে ৩১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
করোনার আগের চিত্র : করোনা মহামারি শুরু আগের ৩ অর্থবছর ৯০ শতাংশের উপরে ছিল আরএডিপির বাস্তবায়ন। আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৯৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাস্তবায়ন হয় ৯৪ দশমিক ১১ শতাংশ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আরএডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল ৮৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন আরএডিপি বাস্তবায়ন : ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ আরএডিপি বাস্তবায়ন করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ১০৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। এরপরই রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১০১ দশমিক ২৯ শতাংশ। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় ৯৭ দশমিক ৫২ শতাংশ,আইএমইডি ৯৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ আরএডিপি বাস্তবায়ন করেছে। আরএডিপি বাস্তবায়নে পিছিয়ে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো হলো-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়,মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ,পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ,পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং আইন ও বিচার বিভাগ।সুত্র-যুগান্তর

 

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর