1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

কয়েক বছর ধরে দেশে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নিয়ে একটি বড় জালিয়াতচক্র গড়ে উঠেছে। ফলে চামড়ার ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল চামড়া বিক্রির অংশীদার মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও দরিদ্র মানুষ। এবার গরিবের হক রক্ষায় কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

গতকাল বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কাঁচা ও ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে কেস-টু-কেস ভিত্তিতে এ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে। এ ছাড়া গতকাল আমদানি ও রপ্তানির প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরও এসংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির সুপারিশে প্রয়োজনে কেস-টু-কেস ভিত্তিতে কাঁচা ও ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত দেওয়া হলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

এদিকে গত রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আসন্ন কোরবানির ঈদে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। ঢাকার বাইরে ২৮ থেকে ৩২ টাকা। গত বছর ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম কমেছে ১০ টাকা। গত ঈদে চামড়া নিয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনার পর এবার সতর্ক পদক্ষেপ নিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

জানা যায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত দামে এবারের ঈদের কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করতে হবে। এ জন্য সরকারের ৩০০ নিবন্ধিত আড়তদার ও দুই হাজার ফড়িয়া আছেন। এ ছাড়া স্থানীয় চামড়া সংরক্ষণ এবং ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় আরো কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব টিপু সুলতান কালের কণ্ঠকে বলেন, ওয়েট ব্লু রপ্তানি হলে চামড়ায় সুদিন ফিরবে। মূল্য সংযোজনের লক্ষ্যে ১৯৯০ সাল থেকে প্রাথমিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা (ওয়েট ব্লু) চামড়া রপ্তানি বন্ধ ছিল। এরপর ব্যবসায়ীরা চামড়া প্রক্রিয়াকরণের দ্বিতীয় ধাপ ‘ক্রাস্ট’ ও তৃতীয় ধাপ ‘ফিনিশড লেদার’ উৎপাদন শুরু করেন। তবে ওয়েট ব্লু বন্ধ থাকার পর চামড়া ব্যবসায় ধস নামতে শুরু করে। তিনি আরো বলেন, রপ্তানির সুযোগ তৈরি হওয়ার ফলে চামড়ার নায্য দাম পাওয়ার একটি বিকল্প পথ তৈরি হলো।

দেশে কোরবানির সময় এক কোটি ১০ লাখ থেকে সোয়া কোটি চামড়া পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৪৫-৫০ লাখ গরুর চামড়া। বাকি ৭৫ থেকে ৮০ লাখ ছাগল, ভেড়া, খাসি ও অন্যান্য পশুর চামড়া।

এ জাতীয় আরো খবর