1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

কী কথা কানে-কানে!

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

প্রথমবার ফোনকলে কথা বললেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। প্রথম এ টেলিসংলাপে পুতিনকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করলেন বাইডেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পাদিত পারমাণবিক অস্ত্র বিষয়ক চুক্তির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করলেন তারা। এই চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাইডেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। রাশিয়া থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জো বাইডেন নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন। এ সময় উভয় পক্ষই তাদের মধ্যকার সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেয়ার পক্ষে একমত প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, রাশিয়া ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কখনো কখনো নিজের প্রশাসনের কঠোর অবস্থানকে খর্ব করেছিলেন এবং তিনি পুতিনের প্রতি অতিমাত্রায় নমনীয় হয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে।

পুতিন যখন ক্রাইমিয়ায় দখলদারিত্ব কায়েম করেন, তখন তাকে জবাবদিহিতা করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে এবং সিরিয়ায় পেশীশক্তি প্রদর্শন করেছে রাশিয়া।

এই ফোনালাপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন এটা স্পষ্ট করেছেন যে, রাশিয়ার অ্যাকশনের জবাবে নিজের জাতীয় স্বার্থে নিজেদের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করবে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজ থেকে মঙ্গলবার বিকেলের ওই ফোনকল সম্পর্কে বলা হয়েছে, বড় ধরনের সোলার-উইন্ড সাইবার-অ্যাটাক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন দুই প্রেসিডেন্ট। সোলার-উইন্ড সাইবার অ্যাটাকের জন্য মস্কোকে দায়ী করা হয়। খবরে বলা হয়েছে, এই অ্যাটাকের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন সেনাদের মাথার মূল্য নির্ধারণ করেছে ক্রেমলিন। একই সঙ্গে তারা বিরোধী দলীয় অধিকারকর্মী অ্যালেক্সি নাভালনিকে বিষ প্রয়োগ করেছে। হোয়াইট হাউজ যেসব দ্বন্দ্বের বিষয় উল্লেখ করেছে তার কোনোটি ক্রেমলিনের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

রাশিয়ার কর্মকর্তারা বলেছেন, পুতিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হলে তাতে উভয় দেশের স্বার্থ রক্ষা হবে। এক্ষেত্রে বিশ্বের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তাদের বিশেষ দায়িত্ব আছে বলে উল্লেখ করা হয়। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, দুই নেতার মধ্যে নানা ইস্যুতে কথাবার্তা হয়েছে। তারা মুক্তমনে কথা বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে নিউ স্টার্ট নামে একটি পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। এই চুক্তির অধীনে পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র এবং এসব উৎক্ষেপণের সরঞ্জামকে সীমিত করার কথা বলা হয়েছিল। সেই চুক্তিকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা করেছেন এই দু’নেতা। ওবামা আমলের ওই চুক্তিটি আগামী মাসে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।

এখানে উল্লেখ্য, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভ্লাদিমির পুতিন ইস্যুতে ট্রাম্পের চেয়ে তিনি বেশি কঠোর হবেন। অভিযোগ আছে ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ নিয়ে বার বার সংশয় প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প এবং একই সঙ্গে তিনি ক্রেমলিনকে জবাবদিহিতার আওতায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে ট্রাম্পের বৃত্ত ভেঙে কঠোর বার্তা দিয়েছেন বাইডেন। জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি জানেন ২০১৬ এবং ২০২০ সালের উভয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেছিল রাশিয়া। এসব বিষয়ে তিনি পুতিনকে সতর্ক করেছেন। জানিয়ে দিয়েছেন, সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি অথবা যেকোনো রকম হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর