1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

ঘুরে দাঁড়ানোর বছর

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

করোনা মহামারির দ্বিতীয় দফা তাণ্ডব চলছে বিশ্বজুড়ে। ফলে প্রথম দফায় যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় হয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠা দূরের কথা, দ্বিতীয় ঝড় মোকাবেলাই কঠিন হয়ে পড়েছে অনেক দেশের জন্য। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন বছরের গল্পটা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। বিশেষ করে প্রথম ঢেউয়ে তছনছ হয়ে যাওয়া অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত হুমকির মুখে পড়তে পারে। আমদানি-রপ্তানিতে এরই মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। সামনে তা আরো চ্যালেঞ্জ বয়ে আনতে পারে। সরকারের সব সময়ে দুশ্চিন্তা রাজস্ব আয়ে ঘাটতি আরো বাড়তে পারে। ফলে ব্যয় নির্বাহে বড় চাপে পড়বে সরকার। এতে ব্যাংকঋণ বাড়ার আশঙ্কা থাকছে। প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন নিয়ে ব্যাংকগুলো এরই মধ্যে চাপে আছে। সরকার আরো চাপ দিলে ব্যাংক খাতকে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। দ্বিতীয় ঢেউ দীর্ঘ মেয়াদে থাকলে বিনিয়োগে বড় প্রভাব পড়বে। আর বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় না। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, ভ্যাকসিনের কারণে দ্বিতীয় ঢেউ খুব বেশিদিন টিকতে পারবে না। তাই সরকার মনে করে, সামনের বছরই হবে অর্থনীতি উত্থানের বছর।

জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অর্জন ঈর্ষণীয়, কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৮.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য থাকলেও পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে ৫.২৪ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। সাফল্য ম্নান করেছে করোনা। চলতি অর্থবছরে ৮.২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরেছে সরকার। দ্বিতীয় ঢেউ লক্ষ্য অর্জনে বড় বাধা বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাই নতুন বছরে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হবে জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে আবার আগের ধারায় ফিরিয়ে আনা।

করোনার প্রথম ঢেউয়ে ব্যবসা খাতে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। বড়রা ধুঁকছিল। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কুটির, ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র, মাঝারি বা সিএসএমই শিল্প খাতে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে এসএমই খাতে সামগ্রিকভাবে আয় কমেছে প্রায় ৬৬ শতাংশ এবং প্রায় ৭৬ শতাংশ উৎপাদিত পণ্য অবিক্রীত ছিল। সিএসএমই খাতকে রক্ষা করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল। যার অর্ধেকও বিতরণ হয়নি। দেশের শিল্প খাতে মোট ছয় কোটি শ্রমিক কাজ করে। এই ছয় কোটির ৮০ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। অর্থনীতির মোট জিডিপির ২৫ শতাংশ অবদান রাখে এ শিল্প। নতুন বছরে এ খাত টিকিয়ে রাখাই হবে সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।

করোনার ধাক্কায় একদিকে রপ্তানি আয় কমছে, সেই সঙ্গে কমছে রাজস্ব আহরণ। ফলে ব্যয় মেটাতে গিয়ে সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর শেষে মোট ব্যাংকঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৮ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা। গত ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে যা ছিল এক লাখ ৭৭ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। নতুন বছরে ব্যাংকনির্ভরতা না কমাতে পারলে পুরো ব্যাংক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: কালের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর