1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অক্টোবরের শেষে ফেসবুকের নাম বদল সরকারি চাকরির প্রশ্ন ফাঁসে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি ছড়ালেই ব্যবস্থা স্ত্রী ও ভাইয়ের হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন অডিট রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে ইভ্যালির ভাগ্য স্বাস্থ্যে চাকরি করে নজরুলের সম্পদ হয়েছে ৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা মাত্র পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আজ ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রধানমন্ত্রীর নিবন্ধ: উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্থদের গুরুত্ব দিচ্ছে না ই-কমার্স প্রতারণা:১১ প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৩৬ কোটি,গ্রাহকের পাওনা ৫ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের ৪২ হাজার ২৯৮টি পদ বিলুপ্ত

ঘুষের টাকায় কানাডায় পরিবারের বিলাসী জীবন

ডেইলি খবর ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৪৩৯ বার পড়া হয়েছে

ঘুষের টাকায় কানাডায় বিলাসী, আয়েশি জীবন-যাপন ড.মনজুরুল হান্নান খানের পরিবারের। জানাগেছে-২৯ নভেম্বর-২০০৯ সালের জুলাই মাসে দেশে বায়ু দূষণ বন্ধে সরকার (CLEAN AIR AND SUSTAINABLE ENVIROMENT) প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো ঢাকাসহ দেশে বাংলাদেশে বায়ু দূষণ সহনীয় মাত্রায় কমিয়ে আনা। এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হয়েছিলেন ড: মনজুরুল হান্নান খান। ঢাকায় বায়ু দূষণ তিনি বন্ধ করতে পারেননি। কিন্তু এই বায়ু দূষণ কতটা প্রাণঘাতি তা ঠিকই অনুভব করেছিলেন। আর একারণেই গোটা পরিবারকে বায়ু দূষণ থেকে রক্ষায় পাঠিয়ে দেন কানাডায়। বিষয়টি নিয়ে কানাডায় ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। কানাডার টরন্টোর বেগম পারায় তাদের বসতি।

৮৫ ব্যাচের এই কর্মকর্তা এখন অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসরের প্রহর গুনছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে ওএসডি তিনি। তার এক ছেলে এক মেয়ে কানাডায় পড়াশুনা করে। স্ত্রী কানাডায় ইমিগ্রান্ট। তিনিও সময় সুযোগ পেলে অবসর কাটাতে কানাডায় যান। সরকারও তাকে আনন্দ চিত্তে বিনোদনের জন্য ছুটি দেয়। সর্বশেষ ছুটি পেয়েছিলেন গত বছরের মার্চে। সরকার তার ছুটি মনজুর সংক্রান্ত অনুমোদন আদেশে লিখেছে ’বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য ১৫ দিন কানাডা থাকবেন।’ বাংলাদেশে কি অসাধারণ উন্নতিই না হয়েছে,একজন আমলা বিশ্রাম নিতে কানাডায় যান!

যদিও ড: মনজুরুল দাবী করেছেন, কানাডায় তার বাড়ী নেই। কিন্তু সরকারের সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায় সেখানে তার স্ত্রীর নামে একটি এপার্টমেন্ট আছে। এছাড়াও বেনামে আরো দুটি এপার্টমেন্ট রয়েছে বলে সরকারী তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। ৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা হলেও তিনি সচিব হতে পারেননি। আর এর পেছনে কারণ হলো দুর্নীতি। কেস প্রকল্পের পরিচালক থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু আমলাদের হাতে অদ্ভুত জাদুর কাঠি আছে। যে কাঠির স্পর্শে সব দুর্নীতির কালো দাগ মুছে যায়। কেস প্রকল্প ছাড়াও ড: মনজুর পরিবেশ মন্ত্রনালয়ে চাকরী করেন, সেখানেও তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছিল। তবে কোন অভিযোগই শেষ পর্যন্ত তদন্ত হয়নি।

ড: মনজুর স্বীকার করেন যে তার ছেলে এবং মেয়ে কানাডায় উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে। স্ত্রী কানাডার ইমিগ্যান্ট হলেও, মনজুরের ভাষায় ’তিনি যাওয়া আসার মধ্যে থাকেন’। সত্যিই তো বাংলাদেশে উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা। না হলে, একজন অতিরিক্ত সচিবের স্ত্রী চাইলেই উড়ে যেতে পারেন কানাডায় কিভাবে।
বর্তমান সময়ে কানাডার টরন্টোর বেগমপাড়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে বেশি এবং বেগম পাড়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যারা রয়েছেন তারা হচ্ছে সরকারী বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীরা বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে এবং সরকারের বিভিন্ন খাত থেকে এই সকল দুর্নীতিগ্রস্থ আমলারা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দিয়েছে এবং পরবর্তীতে নিজেরা ঐ সকল দেশে গিয়ে আরাম-আয়াশে জীবন-যাপন করছেন বিলাসবহুল বাড়ি। প্রশ্ন উঠতেই পাওে শুধূ রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগই খতিয়ে দেখতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠতে দেখা যায় অতিউৎসাহীদের কিন্তু এসব আমলাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা?

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর