1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:২৮ অপরাহ্ন

চেয়ারম্যানের অডিও ভাইরাল: ‘ছবির মধ্যে দাগ দিছ, পাড়াইয়া মাইরালামু’

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদের এক নেতাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ফেসবুকে ৩ মিনিট ১৬ সেকেন্ডের একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। এ কথোপকথনে শোনা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান মুজাহিদুর রহমান হেলো সরকার শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের গাজীপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমিত সাহাকে হুমকি দিচ্ছেন। তবে হুমকি দেওয়ার কথা অস্বীকার করে হেলো সরকারের দাবি, ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দিয়ে অমিত সাহা তাঁকে উত্তেজিত হয়ে কথা বলতে বাধ্য করেছেন।

অডিওতে হেলো সরকারকে বলতে শোনা যায়, ‘তুমি কি আমারে ভালো কইরা চিনো? ভালো কইরা চিনলে আমার ছবিতে লাল কালি দিছ কেন? আমি একজন উপজেলার মর্যাদাশীল চেয়ারম্যান। তুমি আমার ছবির মধ্যে দাগ দিছ, এইটার জন্য তোমার কী হইব তুমি জানো?’ জবাবে অমিত সাহা ‘আমারে ভয় দেখাইয়েন না’ বললে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন হেলো সরকার। তিনি বলেন, ‘তোমারে কী ভয় দেখামু? তুমি জানো, আমি পাড়াইয়া মানুষ মাইরালাই। পোলাপান লাগাইয়া দিসি, একদম ধইরা লইয়া আইব, পাড়াইয়া মাইরালামু।’

গাজীপুরের বাসন থানা এলাকার বাসিন্দা অমিত সাহা জানান, শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদ সংগঠনটির মধ্যে মতানৈক্য আছে। হেলো সরকার নিজেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি দাবি করেন। এটা মিথ্যা কথা। তিনি সভাপতি নন। অমিত বলেন, এ নিয়েই তিনি ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন। তাতে তিনি (হেলো সরকার) ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে কল দিয়ে গালাগাল করেন, হুমকি দেন। এ ঘটনায় অমিত বাসন থানায় জিডিও করেছেন।

হেলো সরকার বলেন, তিনি অমিত সাহাকে ফোন করেননি। তিনিই শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের বর্তমান সভাপতি এবং মুজিবুর রহমান হাওলাদার সাধারণ সম্পাদক। এ নিয়ে দ্বিধাবিভক্তি নেই। দলে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু তিনি (অমিত সাহা) নিজের ফেসবুকে তাঁর ও সাধারণ সম্পাদকের ছবিতে লাল দাগ দিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। হেলো সরকার বলেন, স্ট্যাটাস দিয়ে অমিতই তাঁকে ফোন করে জানান। তাঁকে উত্তেজিত হয়ে কথা বলতে বাধ্য করেন। তবে হুমকি দেননি বলে দাবি করেন তিনি।

সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচনে হেলো সরকার আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনজনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর