1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন

ছেলেদের জন্য মানসম্মত কিছু ভাবছি : সুজন

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটারদের নিয়ে আগের পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে রাজি নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি কভিড-১৯-এর এই মাহামারির সংকটকালেও আগের অবস্থানে অনড় বোর্ড। যখন আকবর বাহিনীকে নিয়ে দেশের জন্য বড় একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে হানা দেয় করোনাভাইরাস। কিশোরদের অনুশীলনের জন্য বিশ্বখ্যাত কোচের পাশাপাশি প্রথম শ্রেণির সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেছিল বোর্ড।

ভারতের মতো শক্তিশালী দলকে তিন উইকেটে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করায় বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, অতীতের মতো এই খেলোয়াড়রাও যেন হারিয়ে না যায়, সেটি তিনি নিশ্চিত করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় দলটিকে দুই বছরের চুক্তিতে নিয়ে আসে বিসিবি। যাদের প্রত্যেকের মাসিক বেতন ধরা হয়েছে এক লাখ টাকা। এই দলটিকে দুই মাসের জন্য ইংল্যান্ডে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করানো যায় কি না সেটিও খতিয়ে দেখেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের ওই সদস্যরা চুক্তি অনুযায়ি মাসিক বেতন হিসেবে এক লাখ টাকা করে পেলেও তাদের এখন নিজ গৃহেই বাস করতে হচ্ছে। কারণ কভিড-১৯-এর সংক্রমণের কারণে মার্চের মধ্যভাগ থেকেই থেমে গেছে দেশের সব ক্রিকেটিং কার্যক্রম।

বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন এক বৈঠক শেষে বলেন, ‘আমরা এই ছেলেদের জন্য সেইরকম মান সম্পন্ন কিছুই ভাবছি, যাতে তারা দেশের জন্য আরো বড় কিছু নিয়ে আসতে পারে। জুনে আমরা ইংল্যান্ডে একটি কন্ডিশনিং ক্যাম্প করার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। ইংল্যান্ডে যেহেতু ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে, সেহেতু সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সেটি করা যেতে পারে। কিন্তু ওই সময়ে আমরা আমাদের কাঙ্খিত কন্ডিশন পাব না। তাই সেটি আপাতত স্থগিত রাখতে হবে। কিন্তু আগামী বছর আমরা অবশ্যই এই ক্যাম্পের আয়োজন করব।’

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘ছেলেরা ইংল্যান্ডের মাটিতে কিছু ম্যাচ খেলারও সুযোগ পাবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। এ জন্য বিশেষজ্ঞ কোচদেরও আমন্ত্রণ জানাব। একই সময় আমরা কিছু ম্যাচও খেলব। আমাদের মনে হয়, ইংলিশ মৌসুমের শুরুতে যদি আমরা ইংল্যান্ডে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ শুরু করতে পারি, তাহলে তারা ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।’

খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের দেশে অফ সিজনে বৃষ্টির কারণে কিছুই করতে পারব না। কিন্তু আমরা যদি বিদেশের মাটিতে অনুশীলন ও ম্যাচের আয়োজন করতে পারি, তাহলে তাদের দক্ষতা অনেকগুণ বেড়ে যাবে এবং নিজেদেরকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের উপযুক্ত করে গড়তে পারবে। তাদের নিয়ে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় বাজেটও প্রস্তুত। কভিড-১৯-এর কারণে এই বছরটি ভেসে গেছে। কিন্তু আগামী বছরটি এখনো হাতে আছে। বেশি করে ম্যাচ খেলে এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হবে।’

এ জাতীয় আরো খবর