1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন

জামিন ছাড়া আনভীর প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় কীভাবে?

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ৫ জুন, ২০২১
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী গুলশানের অভিজাত ফ্ল্যাটে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া ‘হত্যার’ বিচারের দাবিতে সমাবেশ করেছে ভাসানী অনুসারী পরিষদ। তারা বলছেন, মুনিয়া ‘হত্যা’ মামলার আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর প্রভাবশালী হওয়ায় গ্রেফতার না হয়ে জামিন ছাড়াই প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ক্ষমতা ও অর্থের দাপটে আসামি যেন ছাড় না পায়।

শনিবার (৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

গত ২৬ এপ্রিল গুলশানের এক ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে মুনিয়ার প্রেমিক বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। শনিবার মামলার আসামির বিচারের দাবিতে ভাসানী অনুসারী পরিষদের আয়োজনে এ সমাবেশ হয়।

সমাবেশে আইনজীবী ও রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্ররোচনায় যদি কেউ আত্মহত্যা করে, তাহলে প্ররোচনাকারীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনে মামলা হোক। মামলার পদ্ধতি অনুযায়ী তিনি যে–ই হোন, তাঁকে আইনের আওতায় আনতে হবে। ক্ষমতার দাপটে যেন কোনো অপরাধী পার পেয়ে না যায়।’

ক্ষমতার দাপটে কেউ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে উঠে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমরা যেটা দেখছি, ক্ষমতা ও অর্থ ব্যবহার করে কেউ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে উঠে যাচ্ছে। তখন এখানকার আইন, আদালত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাষ্ট্র, সরকারের ভূমিকা নিয়ে একধরনের সন্দেহ, হতাশা ও ক্ষোভ মানুষের মধ্যে হয়।’

হাসনাত কাইয়ুম বলেন, দেশকে রক্ষা করতে হলে, নাগরিকের নিরাপত্তা রক্ষা করতে হলে, ন্যূনতম আইনের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হলে বাধা দূর করতে হবে।

গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া বলেন, অভিযুক্ত যে–ই হোক না কেন, রাষ্ট্রের কাজ অভিযোগ তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা। অতি দ্রুত আসামিকে গ্রেফতার করা হোক, সঠিক তদন্ত করা হোক।

এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘এটি গুরুতর অন্যায়, একজন মানুষ খুন হয়েছে, আর আসামি ক্ষমতার-অর্থের দাপটে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এ–জাতীয় অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হলে আপনারাও (সাংবাদিকেরা) একদিন অন্যায়ের শিকার হবেন। একদল সাংবাদিক আবার তাঁকে সংবর্ধণাও দিয়েছেন।’

এ সময় গণমাধ্যমকর্মী পরিচয় দেওয়া একদল ব্যক্তি সমাবেশকারীদের ওপর চড়াও হন। তাঁরা সমাবেশকারীদের উদ্দেশে উঁচু গলায় কেন ব্যানারে নাগরিক সমাজ লেখা হয়েছে, সমাবেশে কাদের আনা হয়েছে—এসব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

এ সময় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কিছু লোক সমাবেশটি বানচাল করে দেয় বলে অভিযোগ করে আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম গণমাধ্যমকে বলেন, সমাবেশ চলাকালে কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আয়োজনটি বানচাল করে দেয়। মাইকে বক্তৃতা চলার সময় তারা অকারণে উল্টোপাল্টা প্রশ্ন করে উচ্চবাচ্য করে। তারা উসকানি দেয় এবং কয়েকজনের দিকে তেড়ে আসে। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল এ আয়োজন বানচাল করে দেওয়া।

পরে আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম আরও বলেন, সমাবেশ চলাকালে মাইকে বক্তৃতা দেয়ার সময় তারা অকারণে উল্টোপাল্টা প্রশ্ন করে উচ্চবাচ্য করে। তারা উসকানি দেয় এবং কয়েকজনের দিকে তেড়ে আসে। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল এ আয়োজন বানচাল করে দেওয়া।

এ জাতীয় আরো খবর

বিজ্ঞাপন