1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০১:০৪ অপরাহ্ন

ড.ইউনুসের লুকানো ৩৩ কোটি টাকা জব্দ

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: ড.ইউনুসের লুকানো ৩৩ কোটি টাক জব্দা। গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী কল্যাণ তহবিল থেকে আত্মসাৎ করা ৩৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা ও আইনজীবীদের নামে ৬টি ব্যাংকে নয় এফডিআর ও ১০ হিসাবে এ অর্থের সন্ধান মিলেছে।এরপরই ব্যাংক হিসাব নম্বর ও এফডিআরগুলো জব্দ (ফ্রিজ) করা হয়। দুদকের এ সংক্রান্ত অনুসন্ধান দলের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রাামীণ টেলিকম নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠান।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নাজমুল ইসলামসহ দুই আইনজীবী ও শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তারা। এর আগে ১ আগস্ট নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি অনুসন্ধানে নথিপত্র চাওয়া হয়। ১৬ আগস্ট গ্রামীণ টেলিকমের এক কর্মকর্তা অনুসন্ধান টিমের কাছে ১১ ধরনের নথিপত্র জমা দেন। এসব নথিপত্র ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে অনুসন্ধান করতে গিয়েই ১০ ব্যাংক হিসাব ও ৯টি এফডিআর নম্বরে ৩৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা জমা থাকার তথ্য বেরিয়ে আসে।
অনুসন্ধানসংশ্লিষ্টরা জানান,গ্রামীণ টেলিকম কর্মচারী ইউনিয়নের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের হিসাব থেকে (নম্বর-১০১১১০০০৪৭১৭২) আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে ৩৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়। এই টাকার মধ্যে আইনজীবী ইউসুফ আলীর নামে দ্য সিটি ব্যাংক ও কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনে দুটি হিসাব নম্বরে রাখা হয়েছে ৯ কোটি টাকা। আইনজীবী জাফরুল হাসান শরীফ ও ইউসুফ আলীর নামে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকে যৌথ হিসাব নম্বরে রাখা হয়েছে ৬ কোটি টাকা। ব্যাংক এশিয়ায় আরেকটি হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছে ১ কোটি টাকা।
ডাচ্-বাংলা ও ব্র্যাক ব্যাংকে সিবিএ নেতা কামরুজ্জামানের নামে দুটি হিসাবে সরিয়ে নেওয়া হয় ৩ কোটি টাকা। আরেক নেতা ফিরোজ মাহমুদ হাসানের ডাচ্-বাংলা ও ব্র্যাক ব্যাংকে দুটি হিসাবে জমা করা হয়েছে ৩ কোটি টাকা। গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি মাইনুল ইসলামের নামে ডাচ্-বাংলা ও ব্র্যাক ব্যাংকে দুটি হিসাবে জমা করা হয়েছে ৩ কোটি টাকা। এছাড়াও ব্র্যাক ব্যাংকে সিবিএ নেতা মো. কামরুজ্জামানের নামে তিনটি এফডিআর হিসাবে রাখা হয়েছে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। একই ব্যাংকে আরেক সিবিএ নেতা ফিরোজ মাহমুদ হাসানের নামে চারটি এফডিআর হিসাবে চার কোটি টাকা।আর গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলামের নামে ব্র্যাক ব্যাংকে দুটি এফডিআর হিসাবে আছে ২ কোটি টাকা। এসব ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর ফ্রিজ করা হয়েছে।
অনুসন্ধান টিমের কাছ থেকে প্রাপ্ত নথিতে দেখা গেছে-১৯৯৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ থেকে ২৯৭৭ কোটি টাকা ড. ইউনূস ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। কোম্পানিটি ওই অর্থ কোথায়, কিভাবে কোন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে কোন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর করেছে সেই বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছে অনুসন্ধান কর্মকর্তারা। আলোচিত এই অনুসন্ধান টিমের তদারক কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করছেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।২৮ জুলাই এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন গ্রামীণ টেলিকম পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর কথা জানান। তিনি বলেন,শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ-সংবলিত একটি প্রতিবেদন দুদকে পাঠিয়েছেন। ওই প্রতিবেদন পর্যালোচনার পরই অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর