1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

তবু তো ব্যাটে-বলের লড়াই

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

একটা সময় সফরকারী দলের ট্যুর ম্যাচ দেখতেও হুমড়ি খেয়ে পড়ত জনতা। এখন ফতুল্লা কিংবা বিকেএসপিতে সেসব ম্যাচের প্রেসবক্সে উপস্থিতিও কমে গেছে। কিন্তু আজ মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারদের নিজেদের মধ্যে দুই দলে বিভক্ত হয়ে খেলার রোমাঞ্চ যেন পুরনো দিনকেই ফিরিয়ে আনছে। এ তো আর নিছকই একটি প্রস্তুতি ম্যাচ নয়, এ তো ‘হোম অব ক্রিকেটে’ ক্রিকেটের ফেরাও!

১৬ মার্চ থেকে আজ, ২ অক্টোবর ধরলে কভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে পাক্কা সাড়ে ছয় মাস বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ব্যবস্থাপনায় দেশের কোথাও কোনো ম্যাচ হয়নি। আজকের ম্যাচটিও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নয়। আবার এটি কারো ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনাও নয়। এত দিন পর ম্যাচ খেলতে নামলে কী সমস্যা হতে পারে, সেটি তামিম ইকবালের মতো প্রতিষ্ঠিত তারকাও বোঝেন, ‘একটু রাস্টিনেস তো থাকবেই। এত দিন ধরে আমরা কেউ খেলিনি। নেট প্র্যাকটিস আর ম্যাচ খেলার অনেক পার্থক্য। তবে সামনে আরো ম্যাচ আছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচের জন্য তত দিনে আমরা তৈরি হয়ে যাব।’

এগুলো তো বহুদিনের চর্চিত শব্দমালা যে করোনার কারণে ক্রিকেটের বন্ধ দুয়ার খুললে শুরুতে ম্যাচ পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগবেই। তবে আজ মিরপুরে শুরু হওয়া দুই দিনের ম্যাচের তাত্পর্য অন্যখানে। ‘দেখুন, এই যে নিজেদের মধ্যে হলেও ম্যাচ শুরু করাটা আমাদের জন্য এক ধরনের রিলিফ। সেই কবে থেকে হোম কোয়ারেন্টিন করছি। এরপর নিজেরা ফিটনেস ট্রেনিং করেছি। শেষ কিছুদিন পুরোদমে দলগত অনুশীলন করেছি। কিন্তু টানা একটা কাজ করতে থাকলে একঘেয়ে মনে হওয়া স্বাভাবিক। সেটা কাটিয়ে উঠব ম্যাচে নামলেই। ম্যাচ থাকা মানেই মাঠের বাইরেও আপনার নিজের খেলা নিয়ে প্ল্যানিং করতে হবে। কিছুটা সময় এতে ব্যয় হবে। এর মানে প্র্যাকটিসের বাইরেও কিছু ভাবনার খোরাক আমরা পাচ্ছি’, বায়ো-বাবলের দম বন্ধ করা জীবনে যেন মুক্ত বাতাস হয়ে ম্যাচগুলো এসেছে তামিমের এবং অন্যদের কাছেও।

প্রথমটির পর ৫ ও ৬ অক্টোবর আরো একটি দুই দিনের ম্যাচ আছে। ম্যাচ প্রস্তুতির এই সূচিতে যুক্ত হতে পারে কিছু ওয়ানডেও। এই ব্যস্ত সূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক, ‘নিজেকে তৈরি করার জন্য ম্যাচ প্র্যাকটিসের বিকল্প নেই। শুনছি, এই দুটি ম্যাচের পর ওয়ানডেও হবে। সেদিন মিডিয়ায় দেখলাম, বোর্ড চেষ্টা করছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে করপোরেট লিগ আয়োজনের। সে সময় আরো বেশি ক্রিকেটার নিশ্চয়ই সুযোগ পাবে। এতে হবে কি আপনাকে তিনটি ফরম্যাট নিয়ে ভাবতে হবে।’

অবশ্য ম্যাচ প্র্যাকটিস শুরুর খবরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা ক্রিকেটারদের ‘বোরডোম’ থেকে মুক্তি কিন্তু একেবারে মিলছে না। শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য সাত দিনের হোটেলবন্দি জীবনে হাঁপিয়ে ওঠা ক্রিকেটাররা দিন তিনেকের ছুটি কাটিয়ে আবারও হোটেলে ফিরেছেন, যা এখনো তামিমের জন্য অস্বস্তির কারণ, ‘আমি যদি বলি এভাবে হোটেলে থেকে মজা পাচ্ছি, সেটা মিথ্যা বলা হবে। কষ্ট হচ্ছে। তবু ভালো যে বোর্ড আমাদের মাঝে বিরতি দিয়ে হোটেলে তুলছে।’

কিন্তু করোনা-পরবর্তী ক্রিকেটে তো এটাই ‘নিউ নরমাল প্রটোকল’! কিন্তু তামিম আশায় আছেন, ‘নিউজিল্যান্ডে শুনলাম দুই দিন পরই অন্তত অনুশীলনের সুযোগ দেবে। অন্তত প্র্যাকটিস করার সুযোগ পেলে সমস্যা হবে না। কিন্তু টানা ১৪ দিন হোটেলে বসে থাকতে হলে খুবই সমস্যা। আশা করি খুব বেশি দিন এ অবস্থা থাকবে না।’ কিন্তু কেউ জানে না কত দিন এই প্রটোকল বহাল থাকবে। তাতে ম্যাচ প্র্যাকটিসের মতো এক যাত্রায় বায়ো-বাবলের সঙ্গেও তো অভ্যস্ততা গড়ে উঠছে ক্রিকেটারদের!

এ জাতীয় আরো খবর

বিজ্ঞাপন