1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন

দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাজধানী

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

সারা দেশে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। মহামারির ভয়াবহ প্রকোপ থেকে রাজধানীকে সুরক্ষিত রাখতে ঢাকার পার্শ্ববর্তী ৭ জেলায় কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করেছে সরকার। আজ সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউন কার্যকর থাকবে।

মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলা এ বিধিনিষেধের আওতায় থাকবে। এতে ৯ দিনের জন্য সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে রাজধানী। এ সময় ঢাকা থেকে আন্তঃজেলার কোনো বাস ছেড়ে যাবে না, প্রবেশও করবে না। এসব জেলার সঙ্গে নৌযোগাযোগও বন্ধ থাকবে। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন আজ থেকে এক সপ্তাহের জন্য খুলনা জেলায় লকডাউন দিয়েছে। এছাড়া আরও ৯ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভায় দেওয়া লকডাউন অব্যাহত আছে।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে আরও ৪ হাজার ৬৩৬ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় এক হাজার বেশি। এটা প্রায় দুমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন মারা যান ৮২ জন। কোভিড রোগীর চাপে সীমান্ত এলাকার হাসপাতালগুলোয় শয্যা ফাঁকা নেই। প্রতিটি হাসপাতালেই অতিরিক্ত রোগী। অনেকের স্থান হচ্ছে হাসপাতালের বারান্দায়। সীমান্ত এলাকা থেকে করোনা দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে। রাজশাহী ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেরও একই অবস্থা। এখানেও করোনা রোগীর জন্য নির্ধারিত আইসিইউ ফাঁকা নেই। ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোয় সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। রাজধানীতেও বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে হাসপাতালগুলোয়ও রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, বিধিনিষেধের সময়ে এই সাত জেলায় গণপরিবহণসহ জনসাধারণের চলাচলও বন্ধ থাকবে। এই সাত জেলায় যাত্রীবাহী নৌযান চলবে না। মাওয়া. পাটুরিয়া, আরিচা থেকে লঞ্চ বা স্পিডবোট ছাড়বে না। তবে ফেরিতে পণ্যবাহী যানবাহন পারাপার হবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে। এই বিধিনিষেধের কথা জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সাত জেলায় লকডাউন আরোপ করা হয়েছে।’ এই সাত জেলায় কী কী বন্ধ থাকছে প্রশ্ন করলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সব বন্ধ থাকবে। মানুষও যাতায়াত করতে পারবে না। শুধু মালবাহী ট্রাক এবং অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কিছুই চলবে না। জেলাগুলো ব্লকড থাকবে, কেউ ঢুকতে পারবে না।’ এসব জেলায় সরকারি অফিসগুলো কীভাবে চলবে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছুই বন্ধ থাকবে।’

এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন জারির পর সাত জেলায় নৌযান চলাচল নিয়ে আলাদা বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এতে বলা হয়, লকডাউনের সময়ে ঢাকা-মাদারীপুর, ঢাকা-মিরকাদিম, নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর ও নড়িয়া, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার, আরিচা-কাজীরহাট, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে লঞ্চ, স্পিডবোট, ট্রলারসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। এতে আরও বলা হয়, দেশের বিভিন্ন দূরপাল্লার লঞ্চ মাদারীপুর, পাটুরিয়া, দৌলতদিয়া, আরিচা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও মিরকাদিম ঘাটে ভিড়তে পারবে না।

অপরদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ (বিআরটিএ) কর্তৃপক্ষ পৃথক কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সাত জেলায় বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। বিআরটিএ-এর পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী যুগান্তরকে বলেন, চারপাশের জেলায় লকডাউন থাকায় ঢাকা থেকে আন্তঃজেলা কোনো বাস বের হবে না। একইভাবে বাইরের কোনো বাস ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে সাতক্ষীরা, বাগেরহাটের মোংলা, যশোরের অভয়নগর, বেনাপোল, শার্শা উপজেলা এবং বিভিন্ন পৌরসভা, কুষ্টিয়া সদর, চুয়াডাঙ্গার দামুরহুদা, পুরো মাগুরা, রাজশাহী সিটি করপোরেশন, নাটোর পৌরসভা ও সিংড়া এবং বগুড়া পৌরসভায় একই ধরনের বিধিনিষেধ অব্যাহত আছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। ঢাকার বিষয়ে নতুন কোনো বিধিনিষেধ আসছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে লকডাউন শুরু হয়। সেই শিথিল লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে দেশে জরুরি কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। যা ‘সর্বাত্মক’ লকডাউন নামে পরিচিতি পায়। এরপর মে মাসে সংক্রমণ কিছুটা কমে এলে বেশকিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। তবে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে জুনের শুরুতে দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু আবার বাড়তে থাকে। তখন সংক্রমণের হার অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় আলাদাভাবে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ শুরু হয়। আর সারা দেশে চলমান সাধারণ বিধিনিষেধের মেয়াদ ১৬ জুন থেকে এক ধাক্কায় এক মাস বাড়িয়ে দেয় সরকার। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে অফিস-আদালত খুলে দেওয়া হয় তখন। পাশাপাশি ছয়টি শর্ত দেওয়া হয়। শর্তগুলো হলো-১. কোভিড-১৯-এর উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন জেলার জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে নিজ নিজ এলাকায় সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধি মোতাবেক লকডাউনসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। ২. সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে খোলা থাকবে। ৩. সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। ৪. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান/ওয়ালিমা, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। ৫. আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানগুলো সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (টেকওয়ে/অনলাইন) করতে পারবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা দিতে পারবে। ৬. সব ধরনের গণপরিবহণ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : সোমবার ৪ হাজার ৬৩৬ জনের দেহে নতুন করে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এর আগে ১৪ এপ্রিল ৫ হাজার ১৮৫ জন করোনা শনাক্ত হয়েছিল। রোববার শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৬৪১ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩০৪ জনে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। রোববার এ হার ছিল ১৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৬২৬ জনে। সরকারি হিসাবে একদিনে আরও ২ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৪৮২ জন।

২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫২৮টি ল্যাবে ২৪ হাজার ৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬৩ লাখ ৫১ হাজার ৭৯১টি নমুনা। এই পর্যন্ত পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। একদিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ৫৬ জন পুরুষ আর নারী ২২ জন। ৬৩ জন সরকারি হাসপাতালে, নয়জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং ছয়জন বাড়িতে মারা যান। মৃতদের মধ্যে ৩৯ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ২৩ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর, আটজনের ৪১ থেকে ৫০ বছর, সাতজনের ৩১ থেকে ৪০ বছর, একজনের ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল। মৃতদের মধ্যে ২৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১৫ জন রাজশাহী বিভাগের, ১৪ জন খুলনা বিভাগের, দুজন সিলেট বিভাগের, নয়জন রংপুর বিভাগের, তিনজন বরিশাল বিভাগের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এ পর্যন্ত মোট মৃতের মধ্যে ৯ হাজার ৭৬৮ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ৮৫৮জন নারী।

ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

খুলনা : আজ থেকে খুলনায় এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন জারি হয়েছে। রোববার বিকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। লকডাউন চলাকালে দোকানপাট, মার্কেট, শপিংমল ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচাবাজারের দোকান প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। হোটেল-রেস্তোরাঁ পার্সেল করে খাবার সরবরাহ করতে পারবে। সব ধরনের পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। এদিকে খুলনা বিভাগে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে ৯৪৫ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

রাজবাড়ী : রাজবাড়ী জেলা সদর, পাংশা ও গোয়ালন্দ পৌরসভা এলাকায় করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ থেকে এক সপ্তাহের জন্য বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। রোববার বিকালে রাজবাড়ী কালেক্টরেটের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগমের সভাপতিত্বে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ জেলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফরিদপুর : ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ জন। জেলায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সোমবার সকাল থেকে এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ জারি হয়েছে।

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) : ভেড়ামারায় সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ২৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত এ লকডাউন বলবৎ থাকবে। রোববার রাতে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল : আজ থেকে টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় শুরু হচ্ছে কঠোর লকডাউন। জেলায় গেল ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৬৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪২ দশমিক ৮৫ শতাংশ। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

যশোর : জেলায় ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত চারজনই যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার ৬৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে রেকর্ড ৩০৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৭ শতাংশ। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বাড়ানো হয়েছে শয্যা ও জনবল।

বাগেরহাট : করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ৬৬ জন মারা গেলেন। বাগেরহাটে সোমবার ২০১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনার হটস্পট মোংলায় ২৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মোংলায় শনাক্তের হার ৭৯. ১৬ শতাংশ।

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) : দুর্গাপুর উপজেলায় একই পরিবারের ৮ জনসহ ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিবারটি দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের আলমপুর এলাকার। অন্যরা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম।

নোয়াখালী : জেলায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৪৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় এ ফল পাওয়া যায়। এতে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ২৬৭ জন।

নাটোর : গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা ও উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ৭৭ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর