1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন

ধর্ম গোপন রেখে বিয়ে, অতঃপর…

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার মদনে নিজের ধর্ম ও পরিচয় গোপন রেখে এক গার্মেন্টস কর্মীকে বিয়ে করেন তাপস চন্দ্র বিশ্বাস। ৩ বছর সংসার করার পর এখন স্ত্রীর মর্যাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই তরুণী।

সোমবার (১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের কেশজানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত তাপসকে আটক করেছে পুলিশ। তাপস কেশজানী গ্রামের সুধাংশ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি গাজীপুরে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাপস বিশ্বাস গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় কাঁচামালের ব্যবসা করায় দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করেন। প্রায় ৩ বছর আগে পোশাক শ্রমিক মুসলিম এক তরুণীর সঙ্গে নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন রেখে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। এক পর্যায়ে ধর্মের বিষয়টি তরুণী জানতে পেরে হুজুর ডেকে কালিমা পড়ে বিয়ে করেন দুজনই। পরে গাজীপুর এলাকায় দাম্পত্য জীবন শুরু করেন তারা। তাপস প্রায় ৪ মাস আগে ওই তরুণীর জমিয়ে রাখা টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে নিজ বাড়ি মদন উপজেলায় চলে আসে।

এছাড়া সব গোপন রেখে এক মাস আগে হিন্দু ধর্মীয় মতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করেন তাপস। বিষয়টি আগের স্ত্রী জানতে পেরে ১০ অক্টোবর তাপস বিশ্বাসের বাড়িতে আসেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তাপস বিশ্বাসের পরিবারের লোকজন তরুণীকে পাগল বলে মদন থানায় পাঠায়।

পরে পুলিশ ওই তরুণীকে উদ্ধার করে তার পরিবারের জিম্মায় দিয়ে দেয়। কিছু দিন যেতে না যেতেই তাপস ওই তরুণীকে নিয়ে সংসার করার আশ্বাস দিয়ে তাপসের বাড়িতে নিয়ে আসে। সেখানে এনে তরুণীকে মারধর করে হত্যার হুমকি দিলে তরুণী স্ত্রীর দাবিতে ওই বাড়িতে অবস্থান নেয়। পরে মদন থানায় গিয়ে তাপস বিশ্বাস ও তার বোন জামাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ সোমবার সন্ধ্যায় তাপসকে আটক করে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত তাপস বিশ্বাস প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করলেও তাকে কাবিন করে বিয়ে করেননি বলে জানান।

নেত্রকোনার মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, এর আগেও মেয়েটি আমাদের কাছে এলে আমরা সদর থানায় পাঠাই। সেখান থেকে তার বাবা-মাকে ডেকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে মেয়েটিকে ডেকে এনে মারধর করায় মেয়েটি আমাদের থানায় মামলা দায়ের করেছে। আমরা ওই মামলায় তাপস বিশ্বাসকে আটক করেছি।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর