1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:১৪ অপরাহ্ন

পাপিয়াকাণ্ডের মামলার পাপীরা করোনায় আটকে গেছে, তদন্ত এগোচ্ছে না

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

মহানগর সংবাদাতা: করোনায় নিরাপদে আছে পাপিয়াকাণ্ডের হোতারা। পাপিয়ার পাপিরা বিচারের আওতায় কবে আসবে সেটাই এখন প্রশ্ন? দেশে শুদ্ধি অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে র‌্যাব। বাকি তিন মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

করোনাকালে দেশের অনেক কাজ এগিয়ে গেলেও পাপিয়াকাণ্ডের তদন্ত কাজ এগুচ্ছে না। প্রশ্ন হচ্ছে পাপিয়াকাণ্ডে এমন কেউ কেউ জড়িত তারাই হয়ত এই মামলার তদন্ত কাজ এগোতে দিচ্ছে না। পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে তারা পাপিয়াকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছেন না। সে কারণে মামলা আটকে আছে।

দুদকের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের অনেক কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তদন্ত কাজ এগোচ্ছে না।

চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারিতে শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিমানবন্দর থেকে র‌্যাব তাদের গ্রেপ্তার করে। এরপর বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি, অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করা হয়। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অবৈধ পাঁচ কোটি টাকার খোঁজ পেয়ে পাপিয়া ও তার সহযোগীদের মানি লন্ডারিং আইনে আরেকটি মামলা করে। এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে। ধরা পড়ার পর পাপিয়াকে নরসিংদী যুব মহিলা লীগের কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়। গ্রেপ্তার পাপিয়া ও তার সহযোগীরা কারাগারে আছেন। কারাগারে আরাম আয়েসেই আছেন পাপিয়া।

পাপিয়া, তার স্বামী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে হওয়া অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের তিন মামলা প্রথমে তদন্ত করছে র‌্যাব-১। জানতে চাইলে র‌্যাব-১-এর পরিচালক লে. কর্নেল শাফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। এখন পাপিয়া ও তার স্বামীর ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর আছে। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে তাঁরা আসামি আনতে পারছেন না। কিছুদিন আগে কারাগার থেকে পাপিয়াকে আনতে গেলে তিনি সর্দি, কাশি ও জ্বরে ভুগছেন বলে জানান।

এদিকে ৫ কোটি ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৬১ টাকা অবৈধ আয়ের তথ্য পেয়ে সিআইডি গত ১১ মার্চ পাপিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করে। মামলায় পাঁচ তারা হোটেলে দেওয়া ৩ কোটি ২৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৬১ টাকার বিল, ২০ লাখের বিনিয়োগ, ইন্দিরা রোডের ফ্ল্যাট এবং পাপিয়ার কাছ থেকে পাওয়া ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকার উল্লেখ করা হয়েছে।

সিআইডি কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে পাপিয়া ও তার সহযোগীদের রিমান্ডে আনা যায়নি। তবে তার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তথ্য পাওয়া গেলে বিদেশেও তারা যে অর্থ পাচার করেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পাপিয়ার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপপরিচালক শাহীন আরা মমতাজ। তিনি সাংবাদিকদের জানান, দুদকে অনেকেই করোনায় আক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে দুদক কর্তৃপক্ষ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে নিরুৎসাহিত করছে। সে কারণে তদন্ত শেষ হতে সময় লাগছে। সূত্র: প্রথম আলো

এ জাতীয় আরো খবর