1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:০০ অপরাহ্ন

প্রতিশোধে উন্মত্ত তালেবান লক্ষ্যবস্তু নারী-শিশু

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

প্রতিশোধে উন্মত্ত তালেবানের ধারাবাহিক নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হচ্ছে আফগানরা। নারীদের পাশাপাশি বাদ যাচ্ছে না শিশুরাও। আতঙ্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে তালেবানবিরোধী পোস্ট মুছে ফেলছেন তারা। প্রতিশোধের বলি হওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সেখানকার দুই শতাধিক নারী বিচারক। কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না নারীদের। এদিকে বাবা তালেবানবিরোধী প্রতিরোধ যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকায় নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে এক শিশুকে।

মুছে ফেলা হচ্ছে তালেবানবিরোধী পোস্ট: আফগানিস্তানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার ও ফেসবুকের যেসব ব্যবহারকারী তালেবানের সমালোচনায় নানা পোস্ট ও ছবি দিতেন, তারা এখন আতঙ্কে আছেন। গত ১৫ আগস্ট তালেবানের কাবুল দখলের পর থেকেই এসব পোস্ট ও ছবি মুছে ফেলতে শুরু করেন তারা। তালেবানের ভয়ে অনেকে টুইটার ও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছেন। ফিদা ছদ্মনামের এক ব্যক্তি বিবিসিকে জানান, তালেবান কাবুলের ক্ষমতায় আসার পর স্বজনরা তাকে সাবধান করে দেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে তালেবানবিরোধী নানা পোস্ট দিতেন। ফিদা এমনও শুনেছেন, গুলি করে হত্যা করা হবেÑ এমন ব্যক্তিদের তালিকায় তার নাম রয়েছে। এমনই আরেক ব্যবহারকারী হারিস (ছদ্মনাম) বিবিসিকে বলেন, তালেবানরা কাবুল দখল করার দুই দিন আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেন।

পালিয়ে বেড়াচ্ছেন নারী বিচারকরা: তালেবানণ্ডপরবর্তী মার্কিন সমর্থিত আফগান সরকারের জমানায় নারীদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকায় ছিলেন সেখানকার নারী বিচারকরা। সেই শাসন ফিরে আসার পর আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাদের। আত্মগোপনে থাকা মাসুমা নামে এক নারী বিচারক বিবিসিকে বলেছেন, ‘এক মধ্যরাতে আমরা জানতে পারি, তালেবান সব বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা পালিয়ে যাই। বাড়িঘর, সম্পত্তি সব পেছনে ফেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।’ পরে এক প্রতিবেশীর কাছ থেকে জানতে পারেন তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পরপরই অপরাধীরা তার বাড়িতে হানা দেয়। বিবিসির অনুসন্ধানে জানা যায়, আফগানিস্তানে ২২০ জনেরও বেশি নারী বিচারক লুকিয়ে আছেন। বিভিন্ন প্রদেশে লুকিয়ে থাকা অন্তত ছয়জনকে মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না নারীরা: কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালেবান নিযুক্ত চ্যান্সেলর মোহাম্মদ আশরাফ ঘাইরাত সোমবার এক টুইট বার্তায় বলেন, যতক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক পরিবেশ তৈরি করা না হচ্ছে ততক্ষণ এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

বাবার ‘অপরাধে’ ছোট শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা: তাখার প্রদেশে এক শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তালেবান। নিহত ওই শিশুর বাবা তালেবানবিরোধী আফগান প্রতিরোধ বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেনÑ এমন সন্দেহে তাকে হত্যা করা হয়। পঞ্জশির অবজারভার নামে স্বাধীন একটি আফগান সংবাদমাধ্যম তালেবানের এ নির্মমতার চিত্রটি প্রকাশ্যে এনেছে। এক টুইট বার্তায় ওই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘আফগান প্রতিরোধ বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহে আফগানিস্তানের তাখার প্রদেশে এক ব্যক্তির শিশুসন্তানকে হত্যা করেছে তালেবান যোদ্ধারা।’

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর