1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর সহচররা এখন কে কোথায়

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগকে পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় দলে পরিণত করা এবং দেশকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ কাজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচরদের যুক্ত করতেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে খ্যাত ছিলেন। স্বাধীনতা লাভের পর ওই নেতাদের অনেকে ঘোরতর আওয়ামী লীগবিরোধী হয়ে উঠেছেন, আবার অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছেন। ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের থেকে প্রাপ্ত নানা তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু মাঠের কাজে যাঁদের ওপর বেশি ভরসা করতেন, ছাত্রলীগের সেই গুরুত্বপূর্ণ সহচরদের মধ্য থেকেই পরবর্তী সময়ে তাঁর বিরোধিতায় নেমেছেন বেশি। সেই তুলনায় বঙ্গবন্ধুর সহচররা আওয়ামী লীগবিরোধী হয়েছেন খুবই কম।

উপমহাদেশের খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর শিষ্য হিসেবে রাজনীতির পথচলা শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দীর্ঘ পথচলায় নানা চড়াই-উতরাই পাড়ি দিয়েছেন। ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন বঙ্গবন্ধু ও জাতির জনক। এ যাত্রাপথে বঙ্গবন্ধুর সহচররা যেমন তাঁকে অবিসংবাদিত নেতা হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছেন, তেমনি তিনিও অনেককে জাতীয় নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে খুবই দ্রুতগতিতে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যায়। এ সময়ে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, খন্দকার মোশতাক আহমদ, এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামান কাজল প্রমুখ। এই নেতাদের মধ্যে শুধু আওয়ামী লীগে দক্ষিণপন্থী রাজনীতিবিদ হিসেবে খ্যাত খন্দকার মোশতাক আহমদ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সঙ্গে মোশতাক যুক্ত ছিলেন বলে বিশ্বাস করেন আওয়ামী লীগের নেতারা। বাকি চার নেতাই আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার আড়াই মাস পর জেলখানায় বন্দি এ চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের আগে তৎকালীন ছাত্রলীগ ও সদ্য সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জাতীয় পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই নেতাদের মধ্যে অন্যতম হলেন শেখ ফজলুল হক মনি, আব্দুর রাজ্জাক, সিরাজুল আলম খান ও তোফায়েল আহমেদ। তাঁদের মধ্যে শেখ মনি ও আব্দুর রাজ্জাক প্রয়াত হয়েছেন। তাঁরা দুজনেই আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর চার খলিফা হিসেবে খ্যাত চার ছাত্রনেতাও সারা দেশে তুমুল জনপ্রিয় ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ নানা পরিকল্পনা ছাত্রলীগের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতেন।

এ প্রসঙ্গে লেখক, গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ লিখেছেন, ‘১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগ ভেঙে ন্যাপ তৈরি হলে অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী ন্যাপে চলে যান। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি হলে রাজনীতিবিদদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। শেখ মুজিব নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। সামরিক শাসন উঠে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের অনেক প্রবীণ নেতা রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেননি। সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের ভার শেখ মুজিবকে প্রায় একাই বয়ে বেড়াতে হয়েছে। দলে বিশ্বস্ত ও অভিজ্ঞ নেতার আকাল পড়েছিল। ওই সময় শেখ মুজিবের প্রধান অবলম্বন ছিল ছাত্রলীগের তরুণ নেতাকর্মীরা।’ (আওয়ামী লীগ; উত্থানপর্ব ১৯৪৮-১৯৭০, পৃষ্ঠা-১৩১)।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে থেকেই বেশ কয়েকজন তরুণ আইনজীবী বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে আসেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন ড. কামাল হোসেন। কালের কণ্ঠ’র পাঠকদের জন্য বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ এই নেতাদের অতীত ও বর্তমান অবস্থান তুলে ধরা হলো।

ড. কামাল হোসেন এখন বিএনপি-ঘনিষ্ঠ

মাত্র ২৩ বছর বয়সে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন ড. কামাল হোসেন। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ এই নেতা ১৯৭২ সালে আইনমন্ত্রী ও ১৯৭৩-১৯৭৫ পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিরও চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে কামাল হোসেন দূরে সরে যেতে থাকেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার সঙ্গে কামাল হোসেনের বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ১৯৯২ সালে গণফোরাম গঠন করেন কামাল হোসেন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপি-জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামক নির্বাচনী জোট গঠন করেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের তীব্র সমালোচক।

তোফায়েল আছেন আ. লীগের উপদেষ্টা পরিষদে

ছাত্রনেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর হয়ে ওঠেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় তিনি ছিলেন ডাকসুর ভিপি ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক। এই সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কারাবন্দি বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সমাবেশ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়। আর মঞ্চে এই উপাধি প্রদানের ঘোষণাটি আসে তোফায়েল আহমেদের মুখ থেকেই।

বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য তোফায়েল আহমেদ স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব পান। তিনি দেশে-বিদেশে বঙ্গবন্ধুর বহু ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর বিভিন্ন সরকারের আমলে জেল-জুলুম সয়েছেন তোফায়েল আহমেদ। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা তোফায়েল আহমেদ বর্তমানে দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।

রহস্যময়ই থেকে গেলেন সিরাজুল আলম খান

সিরাজুল আলম খান ১৯৬৩ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি এর আগেই বঙ্গবন্ধুর পরামর্শে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিউক্লিয়াস গঠন করেন। ছয়দফা, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসার পর বিপ্লবী জাতীয় সরকার গঠন নিয়ে সিরাজুল আলম খানের সঙ্গে মতপার্থক্য দেখা দেয়। পরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সিরাজুল আলম খানের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। তিনি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের মধ্য থেকে সমাজতন্ত্রমনা একটি বড় অংশকে নিয়ে ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর জাসদ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। জাসদ আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র বিরোধিতায় অবতীর্ণ হয়। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর ১৯৭৬ সালে সিরাজুল আলম খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ১৯৭৯ সালে মুক্তি পান। এরপর ধীরে ধীরে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে যেতে শুরু করেন। গত কয়েক দশকে তিনি জাসদ গঠন ও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকার বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেননি। তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মীরাও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন করে তাঁর কাছে কোনো উত্তর পাননি। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি রহস্যমানব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর চার খলিফা কে কোথায়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার কাজ এগিয়ে নিতে তরুণ ছাত্রনেতাদের ওপরই বেশি নির্ভর করতেন। ফলে ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও জিএস ওই সময়ে রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগ থেকে পর পর্যন্ত ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃত্বে ছিলেন এমন চার নেতা যাঁরা ওই সময়ে বঙ্গবন্ধুর চার খলিফা হিসেবে খ্যাত হন। এই চার নেতা হলেন ডাকসুর তৎকালীন ভিপি আ স ম আবদুর রব ও জিএস আব্দুল কুদ্দুস মাখন, ছাত্রলীগের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ। তাঁদের মধ্যে শাজাহান সিরাজ ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন প্রয়াত হয়েছেন। শাজাহান সিরাজ জাসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনবার জাসদ থেকে মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৫ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে মন্ত্রী হন। ২০২০ সালের জুলাইয়ে তিনি মারা যান। আর আব্দুল কুদ্দুস মাখন ১৯৯৪ সালে মৃত্যুকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন।

রব এখন কট্টর আ. লীগবিরোধী

ডাকসুর ভিপি হিসেবে আ স ম আবদুর রব ওই সময়ের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। পরদিন ৩ মার্চ এক ছাত্র সমাবেশ থেকে আ স ম আবদুর রব বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনক উপাধিতে ভূষিত করেন। তবে স্বাধীন বাংলাদেশের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিরোধ শুরু হয় আ স ম আবদুর রবদের। তাঁরা জাসদ গঠন করে বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারের তীব্র সমালোচনা শুরু করেন। ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ স ম আবদুর রব দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকেন। তাঁদের গড়া জাসদও একাধিকবার ভাঙনের কবলে পড়ে। সামরিক স্বৈরাচার এরশাদের সঙ্গে সখ্যের অভিযোগ ওঠে রবের বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জাসদের হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রব। তিনি আওয়ামী লীগের জোটে যোগ দিয়ে নৌপরিবহনমন্ত্রী হন। সরকারের মেয়াদ শেষ হলে আওয়ামী লীগবিরোধী ভূমিকা নেন। বর্তমানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি রব একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনে ভূমিকা রাখেন। এখন তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের একজন কট্টর সমালোচক।

রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় নূরে আলম সিদ্দিকী

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে থেকে স্বাধীনতা লাভের পরও ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন নূরে আলম সিদ্দিকী। বাগ্মী এই নেতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। তিনি স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে এ দেশের প্রথম নির্বাচনে তৎকালীন যশোর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠন করার সিদ্ধান্ত নিলে জাতীয় সংসদে এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে বক্তব্য দেন। ১৯৭৫ সালে পটপরিবর্তনের পর মিজানুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগে যুক্ত হন। পরে আর মূলধারার আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাননি নূরে আলম সিদ্দিকী। তিনি আশির দশকে শেয়ারবাজারের ব্রোকারেজ হাউস খুলে ব্যবসায় যুক্ত হন। ১৯৯৬ ও ২০০১-এর জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেও নির্বাচিত হতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে দূরে আছেন। তবে তিনি প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন গড়ে মাঝেমধ্যে সভা-সেমিনার করে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর