1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

বাঁশখালীর রক্তে ভেজা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র এস আলম গ্রুপের

ডেইলি খবর ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বাঁশখালীতে রক্তে ভেজা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে এস আলম গ্রুপের। ঘটনা এমন যে লাটভিয়ার একটি হাসপাতালে গত ১১ ডিসেম্বর, ২০২০ কোভিডের সহসা আঘাতে মাত্র ৫৯ বছর বয়সে প্রয়াত দক্ষিণ কোরীয় সিনেমার বিদ্রোহী শিশু কিম কি দুক জাপানের ফুকুশিমায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনা নিয়ে ‘স্টপ’ (থামো) নামে যে সিনেমাটি বানিয়েছিলেন, তার কাহিনী মিকি নামে এক তরুণী ও তার জীবনসঙ্গী সাবুকে ঘিরে আবর্তিত।

তরুণ এই দম্পতি যেভাবেই হোক ফুকুশিমা দুর্ঘটনার পর পারমাণবিক বিক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিকে মেয়েটি সন্তানসম্ভবা। কিন্তু পারমাণবিক বিক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হবার পর অনাগত শিশুটি জন্মালেও প্রতিবন্ধী হিসেবে জন্ম নেবে। এখন এই শিশুকে তার মা-বাবা পৃথিবীতে আসতে দেবে কি দেবে না এই দ্বন্ধে বিপর্যস্ত তরুণ দম্পতিটি একটি পর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীনতার পর্যায়ে চলে যায়।

বাংলাদেশে গেল ১৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে পাঁচ জন ঘটনাস্থলেই নিহত ও কমপক্ষে ১৩ জন আহত শ্রমিকের ভেতর গতকালকের সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী আরো দুজন শ্রমিক মৃত্যুবরণ করেছেন। অতএব সব মিলিয়ে মৃত শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৭।

গত শনিবার (১৭ই এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে বেতন-ভাতার দাবিতে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। যারা আহত হয়ে বেঁচে আছে, তাদের কারও কারও মেরুদণ্ডের হাড় টুকরো হয়ে গেছে। কাউকে কাউকে হয়তো বাকি জীবনটা বেঁচে থাকতে হবে অচল শরীরে, পরমুখাপেক্ষী হয়ে।

অবশ্য উল্টোদিকে বাঁশখালী থানার পুলিশ বলছে, শ্রমিকেরাই আগে পুলিশ ও পাওয়ার প্ল্যান্টে কর্মরত চীনা শ্রমিকদের ওপর হামলা করেন। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের বাসস্থান বাংলা লিভিং হতে (নির্মাণাধীন পাওয়ার প্ল্যান্টের অভ্যন্তরে শ্রমিকদের থাকার জায়গা) পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় শ্রমিকরা [সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ২০ এপ্রিল ২০২১]।

এমতাবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে আহত শ্রমিকদের সুস্থ করে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশি শ্রমিক, চীনা শ্রমিক ও পুলিশ সবার সাথেই কথাবার্তার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনার তদন্তে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনও গঠন করা যেতে পারে।

আমাদের স্কুলগামী দিনগুলোয় বিটিভিতে কয়লা খনি শ্রমিকদের জীবন নিয়ে একটি সাদা-কালো সিনেমা দেখেছিলাম, যার নাম ছিল সম্ভবত ‘হাউ গ্রিন মাই লিটল ভ্যালি ওয়াজ!’ ওয়েলশের এক কয়লাখনির শ্রমিক মর্গ্যান পরিবারের কাহিনী এটি। গল্পটি বলা হচ্ছে পরিবারের কনিষ্ঠতম পুত্র হুয়োর মুখে যে কি না তার সদয় বাবা-মা ও পাঁচ ভাইয়ের সাথে কয়লা খনির সম্পর্ক দেখে বড় হয়ে উঠছে। আর একটু বড় হয়ে কলেজে পড়তে পড়তে আর্ভিং স্টোনের লেখা ডাচ চিত্রকর ভিনসেন্ট ভ্যান গঘের অসামান্য জীবনী ‘লাস্ট ফর লাইফ’ হাতে এসেছিলো। বাংলা মাধ্যমে পড়া এগারো কি বারো ক্লাসের ছাত্রী হলেও আর্ভিংয়ের ইংরেজি গদ্য এতটাই মমতা মাখা ও ঝরঝরে ছিল যে তরতর করে বইটি পড়া গেছে।

আর সেই বইয়েই প্রথম জানতে পেরেছিলাম কিভাবে ডাচ শিল্পী ভিনসেন্টের কর্মজীবন প্রথম শুরু হয়েছিলো বেলজিয়ামের বরিনাজের কয়লাখনিতে ধর্ম প্রচারক হিসেবে। কিন্তু কয়লাখনিতে গিয়ে ধর্ম প্রচার কী করবেন শিল্পী? বরং ধর্মগ্রন্থের ঐশী বাণীতেই আস্থা হারিয়ে ফেলতে থাকেন খনি শ্রমিকের জীবনের দুর্দশা দেখে।

ইতস্তত: ড্রয়িং খাতায় আঁকতে থাকেন খনি শ্রমিকদের জীবন। কোথাও দিন শেষে কাজ থেকে ফেরা মুখে কালি-ঝুলি মাখা খনি মজুরেরা, কোথাও কাঁধে বস্তা টানা মজুরদের বউরা আবার কখনো দিন শেষে এই কালি মাখা শ্রমিকদের তৃপ্তি ভরে আলু সেদ্ধ খাওয়ার ছবি ‘দ্য পটেটো ইটার্স’।

বাংলা ভাষায় খনি শ্রমিকদের জীবন রাজনৈতিক রূপকথার মোড়কে হলেও খানিকটা ক্যামেরায় সাজিয়েছেন সত্যজিৎ রায় তার ‘হীরক রাজার দেশে’ ছবিতে।

সত্যি বলতে, ভিনসেন্ট ভ্যান গঘকে নিয়ে লেখা আর্ভিং স্টোনের এই জীবনী পড়ার পর থেকেই খনি শ্রমিকদের জীবন নিয়ে কৌতূহল ছিলো। তাই ২০০৬ সালে খুব কৌতূহলী হয়ে একবার পার্বতীপুরের কয়লাখনিতেও গিয়েছিলাম। নিচে নামা না হলেও খনি থেকে উপরে উঠে আসা কয়লা খনি শ্রমিকদের দেখেছিলাম। ঠিক যেন ভ্যান গঘের একেকটা ছবি!

অলস কাব্যিকতা ছেড়ে আবার বাঁশখালির প্রসঙ্গে আসি। ইতোমধ্যে পাঁচজন (মতান্তরে সাতজন)শ্রমিকের লাশ পড়লেও মালিক পক্ষ উল্টো দুটো মামলায় ৩,৫৬২ জন ব্যক্তিকে আসামি বানিয়েছে। এই দুটো মামলার একটিতে পুলিশ ২,৫০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণের দায়ে অভিযুক্ত করেছে এবং অন্য একটি মামলায় ২২ জন ব্যক্তিকে নাম-ধামসহ ও অপর ১,০৪০ জন অনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে যানবাহনে আগুন ধরানোর দায়ে অভিযুক্ত করেছে।

বাঁশখালী থানার ওসি শফিকুল কবিরের সূত্রে এমন তথ্য দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

ইতোমধ্যেই বাঁশখালীর যে স্থানে শ্রমিকদের সাথে কারখানা কর্তৃপক্ষের ভাড়াটে গুণ্ডা ও পুলিশের মাঝে সংঘর্ষ হয়, সেই গন্ডামারা এলাকা থেকে হয়রানি ও নতুনতর সন্ত্রাসের ভয়ে এলাকাবাসী পালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

এবার যদি সত্যি সত্যিই চীনা শ্রমিকদের ওপর হামলা করার কারণে এমন ঘটনা ঘটেও থাকে, তবু আর একটু পেছন ফিরে বা সাম্প্রতিক অতীতের দিকে দৃষ্টি রাখলেই বুঝতে পারব, বাঁশখালী পাওয়ার প্ল্যান্টে এবারই যে প্রথম হত্যাযজ্ঞ ঘটল, তা নয়। এর আগেও ২০১৬ সালে বাংলাদেশ-চীন যৌথ কনসার্টিয়াম কর্তৃক এলাকার আবাদি, কৃষি জমি, বসতবাটি ও কবরের জমি অধিগ্রহণের সময় স্থানীয় মানুষের সাথে সংঘর্ষ হয়েছিলো। সেবারও প্রতিবাদী জনতার ওপর পুলিশের গুলিতে চার থেকে পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন।

২০১৬ সালে কী ঘটেছিল বাঁশখালীতে?

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিইব্লিডি) বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এবং চীনের শ্যাংডং ইলেকট্রিক পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশনের সাথে একটি চুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ক্রয়ের কাজ সূচনার অঙ্গীকার করে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে চুক্তিটি কার্যকর হবার আগে বা কাজ শুরু করার আগেই বিশেষজ্ঞরা বাঁশখালীর মতো সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় নতুন একটি কয়লা ভিত্তিক প্রকল্পের ফলাফল হিসেবে পরিবেশগত ক্ষতি বা বিপর্যয়ের আশঙ্কা করেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হলেও কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে স্থানীয় মাস্তানতন্ত্র বা পেশী শক্তির যোগাযোগ বাঁশখালীর সাধারণ মানুষকে প্রচণ্ড বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল এবং পিডডিøউডি কর্তৃপক্ষ উল্টো অবৈধভাবে স্থানীয়দের জমি দখল করা শুরু করে।

২০১৬ সালের ২ এপ্রিল যখন বাঁশখালীর কয়লা ভিত্তিক এই পাওয়ার প্ল্যান্টের মালিকপক্ষ ও প্রকৌশলীরা কনস্ট্রাকশন সাইটে যাবার চেষ্টা করছিলেন, তখনই প্রতিবাদকারীরা প্ল্যান্টের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের গাড়িতে আক্রমণ করে। ক্রুদ্ধ পুলিশ প্রতিবাদকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয় ও বিক্ষোভকারীরা ৪ এপ্রিল পাল্টা সমাবেশের ডাক দেয়।

এদিকে ৪ এপ্রিল পুলিশ ধারা ১৪৪-এর আওতায় সম্ভাব্য বিক্ষোভের এলাকায় কার্ফিউ জারি করলেও বিক্ষোভকারীরা সেখানে জড়ো হলে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে ও পাঁচজন মারা যান।

ভারতের ঝাড়খণ্ডে এমনি এক কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিবাদে ছয়জন নিহত হবার পরে এটাই কয়লা ভিত্তিক প্ল্যান্টে দ্বিতীয় বৃহত্তম হত্যার ইতিহাস ছিলো।

সত্যি বলতে ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর এস আলম গ্রুপ যখন চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুটো কয়লা নির্ভর প্রকল্পের কাজের চুক্তি পায়, তখন এখানে কোনো পরিবেশগত প্রভাব বিষয়ক স্টাডি করা বা নিরীক্ষা করা হয়নি। ২০১৬ ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার স্বয়ং এই কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে প্রয়োজন মাফিক কয়লা কিনবার একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

ইতোপূর্বে এস আলম কোম্পানি স্থানীয়দের জমি কেনা শুরু করলেও অনেক স্থানীয়ই মনে করেন, অধিগৃহীত জমির বদলে তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। এবং এস আলম কোম্পানি জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করার পরই (বিশেষত অতীতে লবণ চাষ হতো এমন প্রায় ৬০০ একর জমি অধিগ্রহণ করলে),এলাকার ঘর-বাড়ি ও কবরস্থান, কৃষি ও অ-কৃষি জমি, মসজিদ, মন্দির ইত্যাদি রক্ষার প্রয়াসে তারা একটি ‘নিরাপত্তা কমিটি’ গঠন করেন ও এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে গণশুনানির তারিখও ধার্য করেন।

কিন্তু কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষের কথা কানে না তোলায় ২০১৬ সালের ১১ই মার্চ স্থানীয় অধিবাসীরা বিপুল বড় এক জমায়েতে মিলিত হন এবং ১৯ মার্চ আর একটি বড় সমাবেশে স্থানীয় পেশি শক্তি সেই সমাবেশে গুলি চালায়। ছত্রভঙ্গ জনতা আরও বিক্ষুব্ধ হয় এবং ২৩শে মার্চ ৩,০০০ মানুষ মিলে একটি গণশুনানির আয়োজন করেন। জনতার দাবির প্রতি কর্ণপাত না করে এস আলম গ্রুপের কর্মকর্তারা তাদের কাজ অব্যাহত রাখেন এবং ২ এপ্রিল গ্রুপের কতিপয় প্রকৌশলী ও একজন ডাক্তার সাইটে পরিদর্শন করতে যাবার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি গাড়ি ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় আক্রমণ করলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয় এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার ভেতরে সাতজন গ্রেপ্তার হন।

এই গ্রেপ্তারের প্রতিবাদেই ৪ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে প্রায় ৫০০ গ্রামবাসী পুলিশি কার্ফিউ অগ্রাহ্য করে পথে নামলে পুলিশ গুলি চালিয়েছিলো এবং মারা গিয়েছিলেন চারটি তরুণ প্রাণ।

১৮ বছরের নিহত শ্রমিক রেজা এবং…
পত্র-পত্রিকায় ১৮ বছরের নিহত শ্রমিক রেজার লাশের ওপর ঝুঁকে পড়া তার মায়ের কান্নার ছবি আমরা দেখছি। যে বয়সে মানুষ প্রথম নাগরিক হয়, প্রথম ভোটাধিকার পায়, ভার্সিটির প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়, রেজা ঠিক সেই বয়সে পরিবারের হাল ধরতে কারখানায় গিয়েছিলেন কাজ করতে। অন্তিম পরিণতি হলো মৃত্যু।

এমনিতেও বাঁশখালীর কয়লা ভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্টটা সমুদ্র তীরবর্তী উপকূলীয় এলাকায় হওয়ায় সামুদ্রিক মাছ সম্পদ ও কৃষি-দুটোই বিপর্যস্ত হতে পারে। বিপন্ন হতে পারে সেখানকার চাষি ও জেলে জীবন। ইউরোপে শিল্প বিপ্লবের সূচনা লগ্ন থেকেই ডেনমার্ক, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস বা নরওয়ের মতো সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলো কিন্তু হাওয়াকল বা উইন্ড মিলের ওপর নির্ভর করেছে। বাংলাদেশে একদিকে বরিশাল-খুলনা ও অপরদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলের বিস্তীর্ণ সমুদ্র তটভূমি বা উপকূলীয় এলাকার সুবাদে আমরা প্রতিবেশগত ঝুঁকি লাঘবে সক্ষম উইন্ড মিলের বিষয়টি ভাবতে পারি। সেইসাথে সোলার এনার্জি বা সৌর শক্তি তো আছেই।

পরিশেষে গোটা ঘটনার একটি যথাযথ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে এবং সামগ্রিকভাবেই এই লকডাউনের সময় দেশের বিপণন, অনাহারী শ্রমিকদের সুরক্ষায় সরকার বলিষ্ঠ ভূমিকা নিয়ে পাশে দাঁড়াবে-এমন প্রত্যাশা রেখেই আজকের মতো এই প্রবন্ধের ইতি টানছি।সূত্র: বিএস

এ জাতীয় আরো খবর