1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৭ অপরাহ্ন

ব্লেডের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত ছোট্ট তানিয়ার শরীর

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ফুলবাড়িয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মহিলা ওয়ার্ডের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছে ৮ বছরের শিশু তানিয়া আক্তার। তার সারা শরীর ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলা হয়েছে ব্লেড দিয়ে। গৃহকর্ত্রীর এ নির্মম নির্যাতনের চিহ্ন দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন অনেকে।

হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি ঘটে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের পানের ভিটা গ্রামের চা বিক্রেতা তাজিম উদ্দিনের ৮ বছরের ছোট্ট মেয়েটির সঙ্গে। প্রায় পাঁচ মাস বিনা পারিশ্রমিকে গৃহপরিচারিকার কাজ করিয়ে টাকা না দেওয়ার ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে গৃহকর্তা সাইফুল ইসলামের স্ত্রী আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে। তার স্বামী সাইফুল ইসলাম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী বলে জানা গেছে।

আসমা ও সাইফুল দম্পতির ময়মনসিংহ শহরের ভাড়াটিয়া বাসায় তানিয়া নির্যাতনের শিকার হয় ৫ মাস ধরে।

হাসপাতালের বেডে শুয়ে শিশু তানিয়া বলেন, ‘আমারে যহন খুশি তখনই মারধর করত। মারনের সময় হাতে একটা বেলেড (ব্লেড) লইয়া আমার শরীরে আঘাত করত। পাঁচ মাস ধইরা আমারে এই রকম করে নির্যাতন করছে আসমা আপায় ও আরও এক মাইয়া। আমারে ঠিকমতো খাইতেও দেয় নাই। কাইলকাও এই হাতে বেলেড দিয়া টান দিয়া হাত কাটছে।’

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ অবস্থায় শিশু তানিয়াকে বাড়ির কাছে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় এই দম্পতি। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তানিয়ার বাবা-মাকে খবর দেওয়া হয় এবং ট্রিপল নাইনে ফোন করলে ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশ তানিয়াকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিনা ইয়াছমিন বলেন, শরীরে তো অসংখ্য দাগ রয়েছে। এ ছাড়া শিশুটির গোপনাঙ্গেও ব্লেডের কাটা দাগ রয়েছে।

এ ঘটনা শুক্রবার তানিয়ার বাবা তাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে নির্যাতনকারী আসমা আক্তারকে প্রধান আসামি করে মোট ৩ জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন আসমার বোন নিটু ও সোহাগ।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, মামলার প্রধান আসামি আসমা গর্ভবতী। তার ডেলিভারি ডেট রোববার হওয়ায় তাকে এ মুহূর্তে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না। তিনি আমাদের নজরদারিতে আছেন এবং মামলার বাকি আসামিদের ধরার জন্য জোর চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর