1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০৫ অপরাহ্ন

মিয়ানমারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সংযম দেখাচ্ছে বাংলাদেশ-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমারের সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশের ভূখন্ডে ছড়িয়ে পড়া সত্বেও ঢাকা সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করছে। গত শনিবার লন্ডনে ব্রিটেনের বিরোধী দলের নেতা ও লেবার পার্টির প্রধান স্যার কেয়ার স্টারমার সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশের ওপর ক্রমবর্ধমান বোঝা সম্পর্কে লেবার পার্টির নেতাকে অবহিত করেন শেখ হাসিনা। তাঁরা বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি সশস্ত্র সংঘাতের সাম্প্রতিক বিস্তার নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে চার দিনের সফরে লন্ডনে রয়েছেন। খবর বাসসের।
স্যার স্টারমার বলেন,বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য চমৎকার সম্পর্কে আবদ্ধ এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকদের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি রানীর স্মরণে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তাঁরা ব্রিটেনের লেবার পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্যার হ্যারল্ড উইলসনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎ এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন।বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাণী দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী লেবার পার্টি নেতাকে ধন্যবাদ জানান। স্যার স্টারমার ২০১৬ সালে তাঁর বাংলাদেশ সফর এবং সে সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যজুড়ে লেবার পার্টি থেকে ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
দুই নেতা ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষকে খাদ্য, জ্বালানি ও আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা থেকে রক্ষা করতে আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জনগণের ওপর ভিন্ন রকম প্রভাব ফেলছে কিনা, তা পর্যালোচনার পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।উভয় পক্ষ চলমান মুদ্রাস্ম্ফীতির চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটের কারণে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কে সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে মতবিনিময় করে।
স্যার স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের কভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলার প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য লেবার পার্টির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে জলবায়ু অংশীদারিত্বের প্রসারের প্রশংসা করেন।পরে মেরিলিবোনের লর্ড স্বরাজ পাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের এই প্রবীণ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক ও শিক্ষা অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর