1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

রমজানের কেনাকাটায় বাজার গুলোতে উপচে পড়া ভিড়

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার ধামরাইয়ে বিভিন্ন খেলার মাঠে হাট-বাজার বসালেও লোকসমাগম কমছে না। মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। এতে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি। রমজানের প্রথম দিনে সাধারণ ক্রেতাদের কেনাকাটার জন্য বাজারে যেন ঈদের মতো ভিড় জমে আছে। সচেতন মহল বলতে কেউ এতে বাদ নেই। রমজানের জন্য খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করতে ব্যস্ত ক্রেতারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রমজান উপলক্ষে ক্রেতারা মাছ, মাংস, দুধ, ফলমূল, খেজুরসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করতে ব্যস্থ সবাই।কিন্তু পুরো ধামরাইতে করোনাভাইরাস ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সরকারি নির্দেশনা মতে ধামরাই উপজেলার ২০-২২টি বাজার বেশ কিছু দিন ধরে দিন ধরে বিভিন্ন খোলা জায়গায় ও খেলার মাঠে বসানো হয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হলেও ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর, দেপাশাই আমতলী, চাপিল তোতার বাজারসহ অধিকাংশ বাজারে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চোখে পড়ার মতো লোকের সমাগম ঘটছে। বেশির ভাগ সময় সময়ের অতিরিক্তও লোকজন এখানে বসে থাকে।

শনিবার সকালে পৌরশহরের ইসলামপুর, ধামরাই বাজার, থানা রোডের দক্ষিণ পাশের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মাছের বাজার, কাঁচাবাজার, দুধবাজার, রমজান উপলক্ষে বসেছে ফলমূল, খেজুর, আপেল, আনারস, মালটার দোকান।এসব দোকানে পা ফেলার কোন জায়গা নেই। কার উপর কে আগে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করতে পারে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়নি। ঠেলাঠেলি করে হাজারো লোক কেনাকাটা করছে। ঈদের সময়ও এতো ভিড় থাকে না। মানুষ ব্যস্ত হয়ে পড়ছে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করতে।

সাইফুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, আতংকের মধ্যেও কাঁচাবাজার নিতে এসেছি। অনেকের গা ঘেঁষাঘেঁষি করে জিনিসপত্র ক্রয় করতে হচ্ছে। এতে কখন যে করোনায় আক্রান্ত হই, আল্লাহপাক জানেন। সাথে কিছু ওষুধের দরকার ছিল, তাই আসা।তাহলে আজকে কাঁচা বাজারও কিনতাম না। বাজারের দৃশ্য দেখে মনে হয় বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস বলতে কিছু নেই। রমজান আজ কিছু দ্রব্য সামগ্রী কেনা খুবই জরুরি ছিল। কিন্তু এসে দেখি ভিন্ন চিত্র।

মুদি ব্যবসায়ীরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য ক্রেতাদের বললেও তারা শোনে না। একজনের উপর এসে আরেকজন দাঁড়িয়ে থাকে। চেষ্টা করি কিন্তু কাজ হয় না। শুধু চেচামেচিই করছে দোকানিরা।

গত বৃহস্পতিবার উপজেলার কালামপুর হাটে মানা হয়নি লকডাউন। তবে ওই এলাকার কয়েকটি বাজার বন্ধ রাখার কারণে শুক্রবার পাশের জয়পুরা ও শ্রীরামপুর বাজারে লোকসমাগম একটু বেশি হয়েছে। আজ বাজার কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিদিনের মতোই মাইকিং করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করার জন্য বলছে। সামাজিক দূরত্বের কথা শুনছে না কেউ।

তবে সকাল থেকেই প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতাদেখা যায়। কারণ উপজেলার প্রতিটি বাজার গুলোতে ইউএনও, এসিল্যান্ড ও পুলিশের গাড়ির মহড়া দেখা গেছে। গাড়ি বাজারে ডুকলেই লোকজন ফাঁকা হয়ে যায়। সবাই তখন সচেতন। আবার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের গাড়ি চলে গেলে আবার সাধারণ জনগণ গাধাগাধি করে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করতে থাকে। যখনযে বাজারে যায়, তখন লোকজন ফাঁকা হয়ে যায়। আবার পুলিশ চলে গেলেই লোকের ভীড় বেড়ে যায়। এখন করোনার সংক্রমণ থেকে বাচার জন্য সচেতনতার যে প্রয়োজন তা এই বাজার দেখলেই সব ভুলে যেতে হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর

বিজ্ঞাপন