1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন

রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ নেই হেফাজতের : আলোচনায় বক্তারা

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতারা বলেছেন, তাদের কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বা উচ্চাভিলাষ নেই। তারা অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে কাজ করে যেতে চান। আল্লামা শাহ আহমদ শফীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে তারা ঈমানি দাবি আদায়ের জন্য কাজ করে যাবেন।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে হেফাজতে ইসলাম ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের এক আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামীর জীবন ও কর্ম শীর্ষক ওই সভায় সারা দেশে গ্রেফতার আলেমদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির আল্লামা শাহ আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

তবে অসুস্থতার জন্য স্মরণসভায় উপস্থিত হতে পারেননি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তার পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনানো হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে হেফাজত নেতারা বলেন, সরকার আমাদের অনুরোধে অনেক আলেম-ওলামাকে মুক্তি দিয়েছে। এ জন্য আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা অনুরোধ করব- যারা এখনও জেলে আছেন তাদের মুক্তি দেওয়া হোক। আশা করি, সরকার আমাদের অনুরোধ রক্ষা করবে।

লিখিত বক্তব্যে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, যাদের স্মরণে আজকের এ আয়োজন, তারা সবাই আমার অত্যন্ত কাছের মানুষ ছিলেন। হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ছিলেন বাংলাদেশের আলেম সমাজের অভিভাবক। তিনি নাস্তিক্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের আলেম সমাজের মধ্যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়েছে।

সংগঠনের সদ্যপ্রয়াত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে হেফাজত আমির বলেন, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী একজন প্রসিদ্ধ শাইখুল হাদিস, লেখক ও সংগঠক ছিলেন। তিনি হেফাজতের আন্দোলনের শুরু থেকে মাঠে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ জন্য তাকে জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। এতকিছুর পরেও তাকে কেউ নীতি থেকে সরাতে পারেনি। নানা অপবাদ দেওয়া হয়েছে তার নামে।

মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, হেফাজতে ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর প্রতিষ্ঠিত সংগঠন। তিনি যে উদ্দেশ্যে হেফাজতকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আমরা সে উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আন্তর্জাতিক মজলিসের তাহাফফুজে খতমে নবুওতেরও দীর্ঘসময় আমিরের দায়িত্ব পালন করেছেন আল্লামা আহমদ শফী। হেফাজত ও খতমে নবুওয়াত দুটোই সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন এবং এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই আমাদের কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বা উচ্চাভিলাষ নেই। আমরা শুধু অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে কাজ করে যেতে চাই। আল্লামা শাহ আহমদ শফীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা আমাদের ঈমানি দাবি আদায়ের জন্য কাজ করে যাব।

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেছেন, আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই, আমাদের কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা নেই। রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষও নেই। আমরা কেবল দ্বীনি সংগঠন হিসেবে কাজ করে যেতে চাই। শাহ আহমদ শফীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা আমাদের ঈমানি দাবি আদায়ের জন্য কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন রাব্বানীর সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, নায়েবে আমির মাওলানা আবুল কালাম, মোবারক উল্লাহ, বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজত নেতা মুফতি হাবিবুর রহমান, মাহমুদুল হাসান ফতেহপুরী, আশরাফ আলী নিজামপুরী, আব্দুল আউয়াল, মীর ইদ্রিস, নুরুল আফসার আজহারী, কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, রশিদ আহমদ, মুসা বিন ইজহার, মাওলানা ফয়সাল।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর