1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৭ অপরাহ্ন

রাজস্ব আদায় বাড়াতে না পারলে টাকা ছাপাতে হবে

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ জুন, ২০২০
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেন আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে। যাঁরা বাজেট তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, করোনাভাইরাস তাঁদের বলেছে, আমরা শিগগিরই বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি। দেশে তিন মাস ধরে মহামারি চলছে, অথচ প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা দেখলে তা মনেই হয় না। মনে হচ্ছে, সব ঠিকভাবে চলছে। বাজেটে মানুষের জীবন-জীবিকা গুরুত্ব পায়নি। দেওয়া হয়েছে গতানুগতিক বাজেট। গতকাল শনিবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাজেট সংলাপ ২০২০’ এ দেশের অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।

তাঁরা বলেছেন, সরকার একদিকে মানুষকে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। অন্যদিকে মোবাইল সেবার ওপর শুল্ক বাড়িয়েছে। গত তিন মাস মানুষ ঘরে বসে মোবাইল ফোনে কিছু করার চেষ্টা করছে, সেখানে কোনো ধরনের প্রণোদনা না দিয়ে উল্টো ৫ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা থেকে সুফল মিলবে না বলেও মনে করেন দেশের অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা।

সিপিডির চেয়ারম্যান ড. রেহমান সোবহানের সভাপতিত্বে সংলাপে বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান হাবিব মনসুর, এমসিসিআই সভাপতি নিহাত কবির, আইটি বিশেষজ্ঞ সৈয়দ আলমাস কবিরসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান। সংলাপ সঞ্চালনা করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

নিহাত কবির বলেন, করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। কিন্তু প্রণোদনার টাকা পেতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে সার্কুলার জারি করা হয়েছে এবং সেখানে যেসব শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ সুফল পাবে না। বৃহৎ শিল্পের জন্য যা প্রযোজ্য, ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য তা প্রযোজ্য নয়। প্রণোদনার সুফল পেতে হলে শর্ত শিথিল করতে হবে।

আলমাস কবির বলেন, আইসিটি খাতে এমন অসংখ্য উদ্যোক্তা আছেন, যাঁরা কখনো ব্যাংকের গণ্ডিতে যাননি। এই প্রথমবারের মতো তাঁদের ব্যাংকে যাওয়া। অথচ শর্তে বলা আছে, ঋণ পাবেন গ্রাহক ও ব্যাংকারের সম্পর্কের ওপর ভিত্তিতে। আইটি খাতের কেউ ব্যাংক থেকে শর্ত মেনে ঋণ পাচ্ছেন না বলে জানান তিনি। মোবাইল ফোনের সেবার ওপর ৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ানোর কঠোর সমালোচনা করে তিনি দ্রুত এই শুল্ক কমানোর দাবি করেন। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আমাদের পরিসংখ্যান নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন। আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। তবে চেষ্টা করছি গুণগত পরিসংখ্যান নিশ্চিত করতে।’

এ জাতীয় আরো খবর