1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১১:৫৩ অপরাহ্ন

রিয়ালের বারবার ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনের গল্প বললেন আনচেলত্তি

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০২২
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে কাল শেষ বাঁশি বাজার পর এমন মনে হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। চ্যাম্পিয়নস লিগ শেষ ষোলো থেকেই মনে করে দেখুন, প্রথম লেগে পিএসজির মাঠে ১-০ গোলের হারে পিছিয়ে ছিল রিয়াল। ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকার ব্যবধান হলো ০-২। কিন্তু তারপর?

দ্বিতীয়ার্ধে করিম বেনজেমার হ্যাটট্রিকে ঠিকই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল মাদ্রিদের ক্লাবটি।

কোয়ার্টার ফাইনালেও তা–ই নয় কি? অর্থাৎ এটাও তো সেই ঘুরে দাঁড়ানোরই গল্প! চেলসির মাঠে প্রথম লেগে ৩-১ ব্যবধানে দাপটের সঙ্গে জিতল রিয়াল। কিন্তু বার্নাব্যুতে ফিরতি লেগে সেই চেলসিই ভয় ধরিয়ে দিল রিয়াল–সমর্থকদের মনে।

৭৫ মিনিটের মধ্যে ৩ গোল করে বসায় আরেকটু হলেই পা পিছলে যায়! কিন্তু ওই যে, বার্নাব্যুতে কী যে একটা আছে, বার্নাব্যুতে বেনজেমা-ভিনিসিয়ুসরা কিসের বলে যেন রক্ত-মাংসের মানুষ থেকে অতিমানব হয়ে ওঠেন!

আর তাই ম্যাচের ৮০ ও ৯৬ মিনিটে রদ্রিগো ও বেনজেমার গোলে রিয়াল সেমিফাইনালে। অবিশ্বাস্য ব্যাপার, এই শেষ চারের মঞ্চেও আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প! ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে রিয়াল হারল ৪-৩ গোলে। ১ গোল ব্যবধানে পিছিয়ে বার্নাব্যুতে ফিরতি লেগ খেলতে নামল নামল রিয়াল। ৭৩ মিনিটে সিটির রিয়াদ মাহরেজের গোলে সেই ব্যবধান ০-২!

কিন্তু এখান থেকেও ঘুরে দাঁড়ানো গেল, আর তা শুরু হলো নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিট থেকে—৯০ ও ৯১ মিনিটে রদ্রিগোর জোড়া গোল, এরপর ৯৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে বেনজেমার ‘ডেথ টাচ’ গোল—ব্যস, লেখা হলো টানা তিন ঘুরে দাঁড়ানোর কাব্য!

কীভাবে সম্ভব হলো এই ‘কাব্য’ লেখা? চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ওঠার পর রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনের গল্প, ‘এ মৌসুমে আমরা যেসব ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, সেসব ম্যাচের ভিডিওই খেলোয়াড়েরা দেখেছে এ ম্যাচের আগে। এমন আটটি ম্যাচ ছিল এবং সেসব দেখার পর আমরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করেছি, আরেকবার ঘুরে দাঁড়ানো দরকার।’

তবে আনচেলত্তির কাছে ব্যাপারটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। শেষ ষোলো থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত রিয়ালের সব প্রতিপক্ষই চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপার দাবিদার ছিল।

এমন দলগুলোর বিপক্ষে বারবার ঘুরে দাঁড়ানো নিয়ে রিয়াল কোচ বললেন, ‘অদ্ভুত কিছু একটা ঘটেছে। আমরা অসাধারণ কিছু রাতের দেখা পেয়েছি। অসাধারণ কিছু দলের বিপক্ষে খেলেছি, যারা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের দাবিদার ছিল। কিন্তু আমার খেলোয়াড়েরা কখনো হাল ছাড়েনি। এটাই বিশেষত্ব। কেউ ভাবেনি, এ বছর আমরা আরেকটি ফাইনাল খেলব, কিন্তু ঠিকই তার দেখা পেলাম।’

ফাইনালে রিয়ালের প্রতিপক্ষ লিভারপুল। এসি মিলানের কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে দুবার লিভারপুলের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে আনচেলত্তির। এবার ফাইনালে লিভারপুলের মুখোমুখি হওয়া প্রসঙ্গে আনচেলত্তি বললেন, ‘লিভারপুলের মতো অসাধারণ এক দলকে ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়ে ভালো লাগছে। খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৮৪ সালের ফাইনালে (ইউরোপিয়ান কাপ) লিভারপুলের মুখোমুখি হয়েছি। এরপর কোচ হিসেবে ২০০৫ ও ২০০৭ সালে এবং এখন আবারও।

গত মৌসুমে এভারটনের কোচের পদ ছেড়ে দ্বিতীয় মেয়াদে রিয়াল কোচ হিসেবে বার্নাব্যুতে আসেন ইতালিয়ান এই কোচ। ইংলিশ ফুটবলে লিভারপুল–এভারটন ম্যাচ ‘মার্সেসাইড ডার্বি’ নামে পরিচিত। আনচেলত্তি ব্যক্তিগতভাবে ম্যাচটা এমন চোখেই দেখছেন, ‘আমার কাছে এটি ডার্বি, কারণ আমি এখনো এভারটোনিয়ান।’

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর