1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন

শিখর ধাওয়ান-আয়েশার ভালোবাসার বিয়ে, ৯ বছর পর বিচ্ছেদ!

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রী আয়েশা মুখার্জিকে ডিভোর্স দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম তারকা ব্যাটসম্যান শিখর ধাওয়ান। আয়েশা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ডিভোর্স নিয়ে লম্বা একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। দু’বার বিবাহ বিচ্ছেদের পর আপাতত তিনি ঠিক কীরকম অনুভব করছেন, সেটাও জানিয়েছেন। ২০০৯ সালে শিখর এবং আয়েশার বাগদান হয়েছিল। তার তিন বছর পর তাঁদের বিয়ে হয়। ইতোপূর্বে আয়েশা প্রথম স্বামীকেও ডিভোর্স দিয়েছিলেন। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান ছিল।

আইপিএল ২০২১ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ভাগ শুরু হতে আর কয়েকদিনই হাতে বাকি রয়েছে। তার আগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র ওপেনার শিখর ধাওয়ান এবং তাঁর স্ত্রী আয়েশা আট বছরের বৈবাহিক সম্পর্কে ইতি টানলেন। এই দম্পতির এক পুত্রসন্তান রয়েছে। ২০১৪ সালে জোরাভর ধাওয়ান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন আয়েশা। ইতোপূর্বে বহু সাক্ষাৎকারে শিখর স্বীকার করেছিলেন বিয়ের পর আয়েশা কীভাবে তাঁর গোটা জীবনটাই একেবারে বদলে দিয়েছিল।

এই পোস্টে আয়েশা নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন দ্বিতীয়বার ডিভোর্স হওয়ার পর তাঁর ঠিক কেমন অনুভব হচ্ছে। ২০০৯ সালে আয়েশা এবং শিখর একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের বাগদান পর্ব সম্পন্ন করেন। এর তিন বছর পর তাঁরা সাত পাকে বাঁধা পড়েন। আয়েশার প্রথম পক্ষে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।

আবেগঘন পোস্টে আয়েশা লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়েছিল বিচ্ছেদ একটা খুব খারাপ শব্দ। আমার দ্বিতীয় বার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর আর তা মনে হয় না। প্রথম বার বিয়ে ভাঙার সময় আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল আমি বোধ হয় কিছু ভুল করে ফেলেছি। নিজেকে স্বার্থপর মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল বাবা-মায়ের সম্মান নষ্ট করছি। বিচ্ছেদ এতটাই খারাপ শব্দ বলে মনে হত তখন।’

তিনি আরো লেখেন, ‘দ্বিতীয় বার এই ভয় আরো বেড়ে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল, দ্বিতীয়বারও আমি পারলাম না। বিয়ে, সম্পর্ক আমার কাছে এসবের মানে কী?’

যদিও আয়েশা এবং শিখর এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেননি কিংবা বিবৃতি দেননি। ইতিপূর্বে শোনা গিয়েছিল আয়েশা এবং শিখর একে অপরকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করেছিলেন।

দুজনের সম্পর্ক নিয়ে এর আগে গোলমাল শোনা যায়নি কখনই। শিখরের সঙ্গে দেশে এবং বিদেশে বহু সফরে গিয়েছিলেন আয়েশা। সুখী কাপেল বলেই জানতেন সকলে।

সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে শিখর ধাওয়ান ভারতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপকে বিগত ১০ বছর ধরে তিনি সমৃদ্ধ করেছেন। আপাতত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলে জায়গা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। কারণ রোহিত শর্মা একদিক থেকে নিশ্চিতভাবেই ওপেনার হিসেবে দলে সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে কেএল রাহুল এবং ধাওয়ানের মধ্যে কে সুযোগ পাবেন সেটা নিয়ে কঠিন লড়াই হবে।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর