1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন

সংসদীয় কমিটির কাঠগড়ায় বিমানের সেই দুর্নীতিবাজরা

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

পাঁচ বছরের চুক্তিতে মিসরের ইজিপ্ট এয়ার থেকে লিজ নেওয়া দুটি এয়ারক্রাফটে ৬৫০ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে বাংলাদেশ বিমানকে। লিজ নেওয়ার পর থেকে ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় মেরামত এবং উড়োজাহাজের ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক কাজে বিপুল অঙ্কের এ অর্থ খরচ করা হয়। জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এই লিজের সঙ্গে জড়িত দুর্নীতিবাজদের তলব করেছে। কমিটির আগামী বৈঠকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে তাদের।

বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। কমিটির সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, তানভীর ইমাম, আশেক উল্লাহ রফিক, আনোয়ার হোসেন খান, শেখ তন্ময়, সৈয়দা রুবিনা আক্তার ও কানিজ ফাতেমা আহমেদ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, দুটি এয়ারক্রাফটে সাড়ে ৬৫০ কোটি টাকা লোকসান গোনার এ ঘটনায় বিমানের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসাদ্দেককে চাকরিচ্যুত এবং সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তাদের বদলি করা হলেও লিজ নেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। এ কারণে সংসদীয় কমিটি তাদের তলবের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সংসদীয় কমিটি সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের মার্চ মাসে ইজিপ্ট এয়ারের সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি হয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। চুক্তি অনুযায়ী ইজিপ্ট এয়ার থেকে দুটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর লিজ নেয় বিমান। প্রথম বোয়িং বিমানের বহরে যুক্ত হয় ওই বছরের মার্চেই। অন্য বোয়িং বিমানের বহরে যুক্ত হয় একই বছরের মে মাসে। বোয়িং দুটি বিমানের বহরে যুক্ত হওয়ার ১১ মাস পরই ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফ্লাইট পরিচালনার পর একটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উড়োজাহাজটি সচল করতে ইজিপ্ট এয়ার থেকেই ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। তখন সুবিধাভোগীদের স্বার্থ হাসিল করতে চড়া দামে ইঞ্জিন ভাড়া করার অনুমোদন দেয় তৎকালীন বিমানের পরিচালনা পর্ষদ। দেড় বছরের মাথায় নষ্ট হয়ে যায় অবশিষ্ট বোয়িংয়ের ইঞ্জিনটিও। উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে আবারও ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। এরপর থেকে নানা অজুহাতে গ্রাউন্ডেড থাকে উড়োজাহাজ দুটি। নষ্ট হয়ে যায় ভাড়ায় আনা ইঞ্জিনও। পরে ইঞ্জিন মেরামত করতে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। ফলে এয়ারক্রাফট দুটি ফেরত দেওয়া হয়।

বিমানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দুই উড়োজাহাজ লিজ আনা, মেরামতে চরম অবহেলা ও অনিয়মের কারণেই বিমানকে এত টাকা গচ্চা দিতে হয়। উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পর থেকে ইঞ্জিন বিকল হওয়া, আবার ভাড়ায় আনা, সেগুলোর মেরামত এবং উড়োজাহাজের ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক কাজে এ ৬৫০ কোটি টাকা খরচ হয়, যা দিয়ে একটি নতুন উড়োজাহাজ কেনা সম্ভব।

অন্যদিকে ইজিপ্ট এয়ার থেকে লিজে আনা এয়ারক্রাফট দুটি ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (প্রকৌশল) খন্দকার সাজ্জাদুর রহিমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল হয়। একই অভিযোগে বরখাস্ত হন প্রধান প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) জি এম ইকবাল।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর