1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অক্টোবরের শেষে ফেসবুকের নাম বদল সরকারি চাকরির প্রশ্ন ফাঁসে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি ছড়ালেই ব্যবস্থা স্ত্রী ও ভাইয়ের হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন অডিট রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে ইভ্যালির ভাগ্য স্বাস্থ্যে চাকরি করে নজরুলের সম্পদ হয়েছে ৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা মাত্র পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আজ ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রধানমন্ত্রীর নিবন্ধ: উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্থদের গুরুত্ব দিচ্ছে না ই-কমার্স প্রতারণা:১১ প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৩৬ কোটি,গ্রাহকের পাওনা ৫ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের ৪২ হাজার ২৯৮টি পদ বিলুপ্ত

‘সর্বত মঙ্গল রাধে’ গান নিয়ে বিতর্ক, যা বললেন চঞ্চল চৌধুরী

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের উদ্যোগে ‘আমাদের গান’ শিরোনামে লোকজ সংগীত অনুষ্ঠানের তৃতীয় পরিবেশনা হিসেবে মঙ্গলবার ইউটিউব ও ফেসবুকে মুক্তি পায় গানটি।

অবমুক্তের পর থেকেই সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয় এবং কপিরাইট ইস্যুতে বিতর্কের জন্ম দেয়।

ব্যান্ডদল সরলপুরের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হচ্ছে, গানটি তাদের একটি আনরিলিজ ট্র্যাক। কিন্তু চঞ্চল-শাওনের কণ্ঠে গানটি পরিবেশনের সময় সংগৃহীত গান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরলপুরের ক্রেডিট দেয়া হয়নি। অনুমতিও নেয়া হয়নি ব্যান্ডদলটি থেকে।

এমন দাবি ও বিতর্কের মধ্যেই কপিরাইট ইস্যুতে গানটি সরিয়ে নেয় ইউটিউব।

এ বিষয়ে অবশেষে মুখ খুললেন ‘সর্বত মঙ্গল রাধে’ গানে কণ্ঠ দেয়া অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

গণমাধ্যমকে দেয়া বক্তব্যে নানা বিশ্লেষণ উপস্থাপন ‘আয়নাবাজি’খ্যাত এই অভিনেতা সরলপুর ব্যান্ডদলের কাছে জানতে চেয়েছেন, কপিরাইট আইনের ব্যাখ্যা কী?

তার ভাষ্যে, যে আইনে তাদের দোষ দেয়া হচ্ছে ওই একই আইনে সরলপুর ব্যান্ডদলও দোষী। কারণ গানটি সরলপুর ব্যান্ডের মৌলিক সৃষ্টি নয়। এটি বহু বছর আগের প্রচলিত একটি গান। সরলপুরের গানটির বেশিরভাগই লাইন মধ্যযুগের কবি দ্বিজ কানাইয়ের লেখা মৈমনসিংহ গীতিকার মহুয়া গানের পদের মতো।

চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘পুরো ঘটনাটিতে আমি খুব অবাক হয়েছি। ‘সর্বত মঙ্গল রাধে’গানটিকে আমরা সবাই প্রচলিত গান বলেই জানতাম।
বহু বছর আগে সাধকেরা রাধাকৃষ্ণের প্রেম নিয়ে পালা-পুঁথি লিখতেন, নানা পদ রচনা করতেন। এই গান সেখান থেকেই সৃষ্ট। আর এমন প্রচলিত গানের জন্য অনুমতি লাগবে সেটা কেউ ভাবেনি। তাছাড়া আমরাই প্রথম নই। ইউটিউবেও এই গানের অনেকগুলো ভার্সন দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোনো ব্যান্ডের নাম ক্রেডিট হিসেবে দেয়া নেই। যদি জানা যেত গানটির মালিক সরলপুর ব্যান্ড তাহলে আইপিডিসি বা পার্থ বড়ুয়া অবশ্যই তাদের অনুমতি নিত।’

এমন ধরনের প্রচলিত ফোক গান নতুন করে রেকর্ড করলেই নিজের হয়ে যায় না বলেও জানান চঞ্চল।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আমিও বেশ কিছু গান গেয়েছি। যার সবই প্রচলিত ফোক গান। যেমন ‘বকুল ফুল বকুল ফুল’ গানটি সর্বপ্রথম আমার কণ্ঠেই রেকর্ড হয়েছে। এরপর এর জনপ্রিয়তা দেখে জলের গান গেয়েছে, দিনাত জাহান মুন্নী গেয়েছেন। এখন আমি কি বলব- যে এই গান তারা আমার অনুমতি ছাড়া কেন গাইল? আমি এই গানের মালিক? বা আমি এই গানের কপিরাইট আমার নামে করে নেব?

একইভাবে ‘ফুল গাছটি লাগাইছিলাম ধুলা মাটি দিয়া রে’ ও ‘মনপুরা’ ছবিতে ব্যবহৃত ‘নিথুয়া পাথারে’ গানটির কথা জানান চঞ্চল ।

তিনি বলেন, প্রথমটি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুরা অঞ্চলের গান। আমি গাওয়ার পর যা খুব জনপ্রিয়তা পায়। অনেকেই মনে করেন , এটা আমার গান। তাই বলে এটা তো আমার হয়ে গেল না। এর পদ রচনাকারী আমি নই।‘নিথুয়া পাথারে’ গানটিও নিজের বলে দাবি করেননি গিয়াসউদ্দিন সেলিম ভাই। এটাও সংগৃহিত গান হিসেবে পরিচিত।

এরপর চঞ্চল প্রশ্ন করেন, সরলপুর ব্যান্ড কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী ‘সর্বত মঙ্গল রাধে’ গানের ৩০ ভাগ তারা সংগ্রহ করেছেন আর ৭০ ভাগ তাদের লেখা। আমি জানতেই চাই যে, ৩০ ভাগের বেলায় কপিরাইট আইন কি বলে? আর বাকি ৭০ ভাগ তারা লিখেছেন বলে যে দাবি করছেন সেখানে কোন কোন লাইনগুলো তাদের লেখা? কারণ বেশিরভাগই লাইন মধ্যযুগের কবি দ্বিজ কানাইয়ের লেখা মৈমনসিংহ গীতিকার মহুয়া গানের পদের মতো। প্রায় হুবহু। সব মিলিয়ে জানতে চাই কীভাবে গানটি তাদের মালিকানায় এলো?

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর