1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

স্কুল থেকে ফ্ল্যাট বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ!

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ অবৈধভাবে ফ্ল্যাট বাসায় ব্যবহারের দায়ে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এমএ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার বিকালে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল ইসলাম খান এ আদালত পরিচালনা করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নাম আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে আয়নল হকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। একই অপরাধে বাড়ির মালিক আয়নল হককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শহীদনগর এমএ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশেই আয়নল হকের বাড়িতে প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া ভাড়া থাকেন। অবৈধভাবে ওই বিদ্যালয়ের একটি কক্ষের ভেন্টিলেটর ভেঙে বিদ্যুৎ সংযোগ টেনে প্রধান শিক্ষক তার ভাড়া বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করছিলেন এবং ওই বাড়ির আরও ৫ জন ভাড়াটিয়ার বিদ্যুৎ সংযোগও অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের মিটারের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছিলেন প্রধান শিক্ষক। প্রতি মাসে অন্যদের কাছ থেকে বিদ্যুতের বিলের টাকা তুলে নিজে আত্মসাৎ করতেন তিনি। অথচ মাস শেষে বিদ্যুৎ সংযোগ বিল পরিশোধ করত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া গত জুলাই ও আগস্ট মাসের বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৯১ টাকাসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য খরচের রসিদ স্বাক্ষর আনতে ইউএনওর কাছে যান। করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও দুই মাসের বিদ্যুৎ বিল ১২ হাজার ৯১ টাকা দেখে ইউএনওর সন্দেহ হয়।

তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য কুমিল্লা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর দাউদকান্দি জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সেলিনা আক্তারকে নির্দেশ দেন। ডিজিএম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের বিষয়টি উদঘাটন করেন। বিষয়টি তিনি ইউএনওকে জানালে বৃহস্পতিবার বিকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়।

দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম খান বলেন, প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদ্যালয় থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে তিনি হয়তো বিনা ভাড়ায় ওই বাড়িতে থাকতেন অথবা প্রধান শিক্ষক নিজেই মাস শেষে বাড়ির ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে তা আত্মসাৎ করতেন।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর