1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ন

স্তব্ধ স্বপ্ন, নেই উচ্ছ্বাস

মকিবুল মিয়া
  • আপডেট সময় শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

করোনার ভয়াল থাবায় পুরো বিশ্ব আক্রান্ত। বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে ব্যাপক। দেশে দেশে চলছে লকডাউন। ঘরে বন্দি রয়েছে মানুষ। লকডাউনে সবকিছু আজ স্তব্ধ, সঙ্গে উচ্ছ্বাসগুলোও উধাও। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলো অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুলগুলোতে নেই কোন প্রাণের স্পন্দন। প্রিয় ক্যাম্পাসগুলোতে নেই কোলাহল। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলোও দূরে সরে যাচ্ছে।

অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা আসক্ত হচ্ছে ইন্টারনেটে। আসক্ত হচ্ছে বিভিন্ন গেম ও ফেসবুকে। এ ছাড়া অনেকেই নেশার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে, যা যুবসমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ।

কবিতার ভাষায়:

তুমি এসেছো এ ভবে
যাবে না দূরে সরে
তোমার ভয়ে কাঁপছে
বাংলার শিক্ষা গুরু।

দিচ্ছেনা ভ্যাকসিন
খুলছে না প্রতিষ্ঠান
সবকিছুই চলমান
হচ্ছে না শিক্ষার সমাধান।

তোমার ভয়ে সর্বহারা
বাংলার শিক্ষাবিদগণ
ধ্বংসে উঠছে মেতে
বাংলার শিক্ষাকে।

শিক্ষার আলো যাচ্ছে নিভে
বাংলার শিক্ষার্থীদের থেকে
বুকের চাপা কষ্ট নিয়ে
হচ্ছে সব দিনমজুরে।

চলছে ক্লাস
কিনছে নেট
খেলছে পাবজি, হচ্ছে পাজি
বাংলার শিক্ষার্থী।

অনিশ্চয়তার ভবিষ্যৎ নিয়ে পার করছেন লাখো শিক্ষার্থী। সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে সুন্দর ভবিষ্যৎ। রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষার্থী এবি আরিফ বলেন, পড়াশুনা থে‌কে দূ‌রে থাকায় মান‌সিক দু‌শ্চিন্তার পরিমাণ গাণি‌তিক হা‌রে বাড়‌ছে। বি‌শেষ ক‌রে আমা‌দের মত অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী‌দের জন্য চিন্তা একটু বেশিই। ক‌খন পড়াশুনা শেষ কর‌বো, কখন চাক‌রি ক‌রে নি‌জে পায়ে দাঁড়াবো- এসব চিন্তা রা‌তে ঘুমা‌তে দেয় না। এ ছাড়াও আমরা যা‌তে দ্রুত পড়া শেষ ক‌রে সংসা‌রের হাল ধর‌াতে পা‌রি, বাবা-মা সে স্বপ্ন দে‌খেন। তাই তা‌দের স্বপ্ন বাস্তবায়‌‌নের জন্য শিক্ষাপ্র‌তিষ্ঠান খোলার বিকল্প পথ নেই।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার মাসুদ বলেন, মধ্যবিত্ত ঘরের শিক্ষার্থীরা আজ দিশেহারা। দিন দিন যেন তাদের স্বপ্নটা মরে যাচ্ছে। হতাশা যেন তাদের নিত্যসঙ্গী। অনেক শিক্ষার্থী বয়স শেষের দিকে কিন্তু চাকরির পরীক্ষা দিতে পারছে না। তারা কী করবে ভেবে কুল পাচ্ছে না। আবার অনেকে দু’এক বিষয়ের জন্য অনার্সের ফলাফল পাচ্ছে না। তারাও আছে চরম অনিশ্চয়তায়। বয়স বেড়ে যাচ্ছে কিন্তু শিক্ষা জীবন শেষ হচ্ছে না। স্কুল, কলেজমুখী অনেক শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে ঝরে। পরিবারের তাগিদে কাজে যোগ দিতে হচ্ছে। অনেক মেয়েদের বাবা-মা বাল্যবিবাহ দিয়ে তাদের স্বপ্নের জলাঞ্জলি দিচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন আজ স্তব্ধ।

লেখক: শিক্ষার্থী, সরকারি বাঙলা কলেজ।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর

বিজ্ঞাপন