1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

সড়কের এক প্রকৌশলীর ব্যাংক হিসাবে ২১ কোটি টাকা লেনদেন

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম,তাঁর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন ও ভাই তরিকুল ইসলামের নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে লেনদেন করা অর্থের কোনো বৈধ উৎস পায়নি। নজরুল ইসলাম বর্তমানে বরিশালের সওজ অফিসে কর্মরত।দুদক সূত্রে জানা গেছে,নজরুল ইসলাম নিজ নামে ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বরিশাল শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব খোলেন। ২০২০ সালের ৫ জুলাই পর্যন্ত প্রায় তিন বছরে এই ব্যাংক হিসাবটিতে চার কোটি ৯৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা জমা পড়ে। পরে এই অর্থ নজরুল ইসলাম তুলে নেন। এভাবে তাঁর এক ব্যাংক হিসাবে ৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। হিসাবটি থেকে তুলে নেওয়া অর্থ কী করেছেন নজরুল ইসলাম তার তথ্যও পরিষ্কার নয়।দুদকের তথ্যে দেখা গেছে,২০১৯ সালের ২০ ফেব্রæয়ারি নজরুল ইসলামের ভাই মো. তরিকুল ইসলামের নামে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বরিশালের একই শাখায় একটি হিসাব খোলা হয়। এই হিসাবটিতেও ২০২০ সালের ৭ জুলাই অর্থাৎ এক বছর চার মাসে ছয় কোটি এক লাখ টাকা লেনদেন হয়।নজরুল ইসলামের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন পেশায় গৃহিণী। তাঁর হিসাবেও ৭৫ লাখ টাকার এফডিআরসহ উল্লেখযোগ্য অর্থ লেনদেনের তথ্য পায় দুদক ও বিএফআইইউ। সেই সঙ্গে বরিশাল সদরে নজরুল ইসলামের নামে একটি বহুতল ভবন এবং স্ত্রীর নামে ৮.৩৫ শতাংশ জমি আছে। সরকারের এই দুটি তদন্ত সংস্থার অনুসন্ধানে নজরুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের ব্যাংক হিসাবে মোট ২১ কোটি এক লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য উঠে আসে। কিন্তু অর্থ লেনদেনের কোনো বৈধ উৎসের সন্ধান পায়নি সংস্থাগুলো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সওজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে। চলতি বছরের মার্চ মাসে নজরুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংকে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্যসহ একটি প্রতিবেদন দুদকের হাতে আসে। এর পরই দুদক উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম ও উপপরিচালক এদিপ বিল্লাহর নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়।ওই কর্মকর্তা বলেন,এরই মধ্যে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।দুদক সূত্র আরো জানায়,নজরুল ইসলাম দুইবার দুদকের তলবে গরহাজির ছিলেন। তিনি বরিশাল থেকে ডাকযোগে লিখিত বক্তব্য পাঠান।এ ছাড়া বরিশালে পূবালী ব্যাংক শাখায় ২০১৮ সালে নজরুল ইসলাম আরো একটি হিসাব (সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ১১৯৪৮৬৪) খোলেন। সেখানে ১০ লাখ টাকা জমা করে তাঁর ভাইয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করেন।এ বিষয়ে অনুসন্ধান টিমের প্রধান উপপরিচালক মাজেদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর