1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৩১ অপরাহ্ন

হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে রিজেন্ট সাহেদকে

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়েছে রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে।

বুধবার ভোরে র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটার রামগতি সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদকে ঢাকায় আনা হয়েছে। সাতক্ষীরা থেকে র‌্যাবের অভিযান দলের সঙ্গে হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় আনা হয়।

র‌্যাব সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাহেদকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের তেজগাঁও বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হেলিকপ্টারটি ঢাকা থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

বিমানবন্দর থেকে সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব সদরদফতরে নেয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসবাদ শেষে বুধবারই তাকে উত্তরা পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করা হবে।

তবে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে থানার মাধ্যমে আজই আদালতে প্রেরণ করা হবে কিনা এ বিষয়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

এর আগে রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। মঙ্গলবার বিকালে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সরকারের সঙ্গে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে টাকার বিনিময়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা সংগ্রহ করা এবং ভুয়া সনদ দেয়ার অভিযোগ ৬ জুলাই র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়।

অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। পরে রোগীদের সরিয়ে রিজেন্টের উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়।

পর দিন উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মো. সাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে।

সে মামলায় ৯ দিন পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হলেন মো. সাহেদ।

ওই মামলায় সাহেদকে থানার মাধ্যমে সেই সময় প্রধান আসামিসহ ৯ জন আসামিকে পলাতক দেখিয়ে এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

আসামিরা হলেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজ, রিজেন্ট হাসপাতালের কর্মী তরিকুল ইসলাম, আবদুর রশিদ খান জুয়েল, মো. শিমুল পারভেজ, দীপায়ন বসু, আইটি কর্মকর্তা মাহবুব, সৈকত, পলাশ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান হাবীব ১. হেলথ টেকনিশিয়ান আহসান হাবীব, ২. হেলথ টেকনোলজিস্ট হাতিম আলী, অভ্যর্থনাকারী কামরুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের প্রকল্প প্রশাসক মো. রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত বণিক, রিজেন্ট গ্রুপের গাড়িচালক আবদুস সালাম ও নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রশিদ খান।

এসব আসামির মধ্যে সাতজনকে ইতিমধ্যে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আসামিদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- রিজেন্ট হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান হাবীব হাসান, হেলথ টেকনিশিয়ান আহসান হাবীব, হেলথ টেকনোলজিস্ট হাতিম আলী, রিজেন্ট গ্রুপের প্রকল্প প্রশাসক মো. রাকিবুল হাসান ওরফে সুমন, মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত বণিক, গাড়িচালক আবদুস সালাম ও হাসপাতালের কর্মী আবদুর রশিদ খান ওরফে জুয়েল। সুত্র: যুগান্তর

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর