1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের আলাদা নিরীক্ষা চায় বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: ইভ্যালিসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এই চিঠি দিয়ে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে, অর্থাৎ নিরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে নিরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে।অন্য ৯টি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ধামাকা, ই-অরেঞ্জ,সিরাজগঞ্জ শপ,আলাদিনের প্রদীপ,কিউকুম,বুম বুম,আদিয়ান মার্ট,নিড ডটকম ডটবিডি ও আলেশা মার্ট।বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ই–ভ্যালি ছাড়া অন্য ৯ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক লেনদেন ও আর্থিক তথ্য জানতে চেয়ে গত ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি পাঠিয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ আর্থিক অবস্থা, ক্রেতা ও মার্চেন্টদের কাছে মোট দায়ের পরিমাণ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর চলতি ও স্থায়ী মূলধনের পরিমাণ জানা দরকার বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো: হাফিজুর রহমান বলেন,বাংলাদেশ ব্যাংক চিঠি দিয়ে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে। আর আমরা যে চিঠি দিয়েছিলাম,তার জবাবে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক দিক বাংলাদেশ ব্যাংক পরিদর্শন করছে বলে জানিয়েছে।’এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরই এক চিঠির পরিপ্রোক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুন মাসে ইভ্যালির ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। তাতে উঠে আসে যে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনা ৪০৩ কোটি টাকা আর কোম্পানিটির চলতি সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা।
এদিকে অগ্রিম টাকা নিয়েও পণ্য সরবরাহ বা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় গত মাসে ই–অরেঞ্জের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে মামলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ই–অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তাঁর স্বামী মাসুকুর রহমান এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আমানউল্লাহ চৌধুরী গ্রেপ্তার হয়েছেন।অন্য আসামি ই-অরেঞ্জের আরেক মালিক বীথি আকতার ওরফে নাজনীন নাহার,প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ এখনো গ্রেপ্তার হননি। বীথি আক্তার বনানী থানার সাময়িক বরখাস্ত পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানার স্ত্রী। সোনিয়া মেহজাবিন তাঁর আপন বোন। ভিন্ন এক মামলায় শেখ সোহেল রানাও আসামি। পালাতে গিয়ে কয়েক দিন আগে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হন।এদিকে ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ধামাকা নামে লোভনীয় অফার ও ভার্চ্যুয়াল সিগনেচার কার্ড বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছিল একটি চক্র। মানুষের কাছ থেকে তারা ৮০৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়, যার একটি অংশ মানি লন্ডারিং, মানে পাচার করা হয়। এ জন্য ৯ সেপ্টেম্বর ৫ জনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসীম উদ্দিন চিশতী,তাঁর স্ত্রী সাইদা রোকসানা খানম,তিন ছেলে তাশফির রেদোয়ান চিশতী, নাজিমউদ্দীন আসিফ ও মাশফিক রেদোয়ান চিশতী এবং পরিচালক সাফওয়ান আহমেদ।জানা গেছে, ইভ্যালি সম্প্রতি তিন দফায় সম্পত্তি, দায়,দেনা ইত্যাদির বিবরণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এগুলোর সত্যতা যাচাই ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে কাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর