1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৪:১১ অপরাহ্ন

৫৮৮ অ্যাকাউন্ট ব্যাংকে এমপি পাপুলদের!

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

ডেইলি খবর ডেস্ক: দেশে উল্লেখ করার মতো তেমন কোনো ব্যবসা না থাকলেও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কাজী শহিদ ইসলাম ওরফে পাপুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে রেকর্ড ৫৮৮টি ব্যাংক হিসাবের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে ৬১৬ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে, যার প্রায় ৬০০ কোটি টাকাই লেনদেন হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল—এই চার বছরে। পাপুল ও তাঁর স্ত্রী সেলিনা ইসলামের হিসাবে লেনদেন হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার। তবে এককভাবে সর্বোচ্চ ১৮৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে পাপুলের শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের হিসাবে।

প্রত্যেকের হিসাবে লেনদেনের বড় অংশই সঞ্চয়ী ও স্থায়ী আমানত হিসেবে অর্থ জমা ও উত্তোলন সংক্রান্ত। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, একই নামে কোনো দিন শতাধিক, কোনো দিন অর্ধশতাধিক, কোনো দিন ৪০টি, কোনো দিন ২০টি বা এর কমবেশি এফডিআর অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। অল্প দিনের ব্যবধানে এসব এফডিআর খোলা হয়। আবার অনেক এফডিআর ১০ লাখ টাকার নিচে খোলা হয়েছে, যাতে অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন তোলা

না হয়। ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ছাড়া কোনোভাবেই এটা সম্ভব নয়, বলছেন বিশ্লেষকরা।

পাপুল পরিবারের ব্যাংকে থাকা অর্থের মধ্যে মাত্র দেড় কোটি টাকা জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। বাকি অর্থ আগেই তুলে নেওয়া হয়েছে। এই অর্থে পাপুল দেশে সম্পদ গড়েছেন, নাকি বিদেশে পাচার করেছেন, সেটি অনুসন্ধান শুরু করেছে দেশের কেন্দ্রীয় আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, বেশ কয়েকটি দেশে অর্থ পাচার করেছে পাপুল পরিবার। এরই মধ্যে কুয়েত, যুক্তরাষ্ট্র, আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে বিএফআইইউপ্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান বলেন, ‘আমরা পাপুল ও তাঁর পরিবারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখে যা পেয়েছি সেটা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে দিয়েছি। এর বাইরে আর কোনো অর্থসম্পদ রয়েছে কি না সেটা হয়তো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করে দেখবে।’ তিনি আরো বলেন, অভিযুক্তরা সাধারণত অবৈধ চ্যানেলে অর্থ স্থানান্তরের পথ বেছে নেন। এসব লেনদেনের কোনো রেকর্ড না থাকায় তা চিহ্নিত করা সম্ভব হয় না। পাপুল পরিবারের ক্ষেত্রে তেমনটি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মানুষ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে গত ৬ জুন কুয়েত সিটির মারাফিয়া এলাকার বাসা থেকে পাপুলকে আটক করে কুয়েতের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ২৪ জুন তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ধারণা, পাপুল পরিবারের অর্থের বেশির ভাগই মানবপাচারসহ বিভিন্ন অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত। এ কারণে পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের নামে ১০ লাখ টাকার নিচে বেশি এফডিআর খোলা হয়, যাতে আয়ের উৎস সম্পর্কে তথ্য দিতে না হয়। এ ছাড়া আয়ের উৎস যথাযথভাবে যাচাই না করেই ব্যাংক হিসাব খোলা ও পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোও গাফিলতির পরিচয় দিয়েছে। এ বিষয় যাচাই-বাছাই করে দেখছে বিএফআইইউ।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী বলেন, পাপুল পরিবারের চার-পাঁচজনের নামে এত অ্যাকাউন্ট এবং তাতে চার বছরে ৬০০ কোটি টাকার লেনদেন অবশ্যই অস্বাভাবিক একটা ব্যাপার। এখানে যাঁরা হিসাবগুলো খুলতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদেরও দায়বদ্ধতা আছে। কারণ তাঁরা হয়তো কোনো খোঁজখবর না নিয়েই হিসাবগুলো খুলেছেন। তাই বিএফআইইউয়ের এখন উচিত হবে অর্থের উৎস খুঁজে বের করার পাশাপাশি দায়ী ব্যাংক কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা।

দেশের অন্তত আটটি ব্যাংকে পাপুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হওয়ার তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। পাপুল, তাঁর স্ত্রী কুমিল্লা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং তাঁদের দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৫৮৮টি হিসাব খোলা হয়েছে। এসব হিসাবে গত ১ জুন পর্যন্ত মোট জমা হয়েছে প্রায় ৩০৯ কোটি টাকা। এর বিপরীতে উত্তোলন করা হয়েছে প্রায় ৩০৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে হিসাবগুলোতে স্থিতি রয়েছে মাত্র এক কোটি ৫৮ লাখ টাকা, যা এরই মধ্যে বিএফআইইউ থেকে জব্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, চার বছর বড় কথা নয়। তবে ৬০০ কোটি টাকার লেনদেন অস্বাভাবিক তো বটেই। একজন এমপির পরিবারের এত অ্যাকাউন্ট এবং এত বেশি টাকার লেনদেন হওয়ার কথা নয়।

পাপুলের হিসাবে ১১৩ কোটি টাকার লেনদেন : ২০০৫ সালের ৬ আগস্ট সঞ্চয়ী হিসাব খোলার মাধ্যমে ব্যাংকিং লেনদেন শুরু করেন পাপুল। জুনে হিসাবটি জব্দ হওয়ার আগ পর্যন্ত মোট জমা হয়েছে এক কোটি ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫০ টাকা। এর মধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে এক কোটি ২১ লাখ সাত হাজার ৭৩৮ টাকা। ফলে হিসাবটিতে গত ১ জুন শেষে ৭৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকার মতো স্থিতি রয়েছে। সব মিলিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁর ১৩৬টি অ্যাকাউন্টের সন্ধান মিলেছে। এসব অ্যাকাউন্টে মোট জমা হয় প্রায় ৫৭ কোটি টাকা। আর উত্তোলন করা হয় প্রায় সাড়ে ৫৬ কোটি টাকা। ফলে ১ জুনে তাঁর অ্যাকাউন্টগুলোতে স্থিতি ছিল মাত্র ৩৫ লাখ টাকা। তাঁর অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে এক বছর মেয়াদি ৭৯টি, ছয় মাস মেয়াদি তিনটি এবং তিন মাস মেয়াদি ৩২টি এফডিআর। এ ছাড়া তিনটি এফসি অ্যাকাউন্ট এবং দুটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে তাঁর। বাকিগুলো সব সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট।

সেলিনা ইসলামের নামে সর্বোচ্চ ৩৩৮ অ্যাকাউন্ট : বিভিন্ন ব্যাংকে সেলিনা ইসলামের নামে ৩৩৮টি অ্যাকাউন্টের সন্ধান মিলেছে। এসব অ্যাকাউন্টে মোট জমা হয় প্রায় ৮৫ কোটি টাকা। আর উত্তোলন করা হয় প্রায় সাড়ে ৮৪ কোটি টাকা। ফলে ১ জুনে সেলিনার অ্যাকাউন্টগুলোতে স্থিতি ছিল মাত্র ৬৬ লাখ টাকা। তাঁর অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে এক থেকে তিন বছর মেয়াদি ১৪৪টি, তিন মাস মেয়াদি ১৫২টি এবং বাকিগুলো সঞ্চয়ী আমানত। তিনটি এফসি অ্যাকাউন্ট এবং দুটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি মেয়ে ওয়াফাসহ তিনজন মহিলার সঙ্গে তাঁর তিনটি যৌথ সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে। এ ছাড়া ২০০৫ সালে সেলিনার নামে খোলা মিলিয়নেয়ার সঞ্চয় আমানত প্রকল্পের তথ্য মিলেছে, যেটির মেয়াদ ২০১৯ সালে পূর্ণ হয়।

শ্যালিকার হিসাবে সর্বোচ্চ ১৮৫ কোটি টাকার লেনদেন : পাপুলের শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের ব্যাংকে হিসাবের সংখ্যা সবচেয়ে কম, ৩৫টি। কিন্তু এসব হিসাবে সর্বোচ্চ ১৮৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে মোট জমা হয় প্রায় ৯২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর উত্তোলন করা হয় প্রায় ৯২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ফলে ১ জুনে অ্যাকাউন্টগুলোতে স্থিতি ছিল মাত্র ২৫ লাখ টাকা। তাঁর অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে ২০টি এফডিআর এবং বাকিগুলো সঞ্চয়ী আমানত।

মেয়ে ওয়াফা ইসলামের হিসাবে ৩৬ কোটি টাকার লেনদেন : বিভিন্ন ব্যাংকে ওয়াফা ইসলামের ৬৯টি অ্যাকাউন্টের তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এর মধ্যে ৬২টি এফডিআর এবং দুটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলোতে মোট জমা হয়েছে ১৮ কোটি ১০ লাখ টাকা। আর উত্তোলন করা হয় ১৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ১ জুনে অ্যাকাউন্টগুলোতে স্থিতি ছিল মাত্র ৩০ লাখ টাকা।

দুই প্রতিষ্ঠানের নামে চারটি হিসাব : সাফা জেনারেল ট্রেডিং ও জেডাব্লিউ লীলাবালি নামে পাপুল পরিবারের দুটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যাংকে চারটি অ্যাকাউন্টের সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে দুটি সঞ্চয়ী এবং দুটি চলতি হিসাব। সঞ্চয়ী হিসাবগুলোতে বড় অঙ্কের টাকার লেনদেন হয়েছে। লীলাবালির সঞ্চয়ী হিসাব গত বছরের ২০ আগস্ট বন্ধ করা হয়। তার আগ পর্যন্ত হিসাবটিতে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা জমা করা হয় এবং একই পরিমাণ টাকা উত্তোলনও করা হয়। অন্যদিকে সাফা জেনারেল ট্রেডিংয়ের সঞ্চয়ী হিসাবে প্রায় ১৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে আর প্রতিষ্ঠানটির চলতি হিসাবে জমার চেয়ে উত্তোলন বেশি হয়েছে। ফলে জব্দের আগে এই হিসাবে ২৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকার নেগেটিভ স্থিতি ছিল।

এক দিনে একই নামে রেকর্ডসংখ্যক এফডিআর : গোয়েন্দারা পাপুল পরিবারের ব্যাংক হিসাব খুঁজে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য পেয়েছেন। দেখা গেছে, পাপুল পরিবারের কাছে দিনে নগদ টাকা এতটাই এসেছে যে সেটা ব্যাংকে রাখতে একই নামে শতাধিকেরও বেশি এফডিআর অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়েছে ব্যাংকের শাখাকে। সেলিনা ইসলামের নামে ২০১৭ সালের ৬ মার্চ এক দিনে একটি ব্যাংকের হাতিরপুল শাখায় এক বছর মেয়াদি ১১৯টি এফডিআর খোলা হয়। এফডিআরের আর্থিক মূল্যমান ছিল সাত কোটি ১৪ লাখ টাকা। এর আগে ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর তাঁর নামেই একই শাখায় তিন মাস মেয়াদি ৫৩টি এফডিআর খোলা হয়েছিল। এগুলোর আর্থিক মূল্যমান ছিল তিন কোটি ১৭ লাখ টাকা।

অন্যদিকে পাপুলের নামে একটি ব্যাংকের হাতিরপুল শাখায় ২০১৭ সালের ৯ এপ্রিল এক বছর মেয়াদি ৪২টি এফডিআর খোলা হয়। এগুলোর আর্থিক মূল্যমান ছিল চার কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর এক মাস আগে ৯ মার্চ একই শাখায় পাপুলের নামে এক বছর মেয়াদি ২৪টি এফডিআর খোলা হয়, যার আর্থিক মূল্যমান ছিল এক কোটি ৩০ লাখ টাকা। মেয়ে ওয়াফা ইসলামের নামে ২০১৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তিন মাস মেয়াদি ২১টি এফডিআর খোলা হয়, যার আর্থিক মূল্যমান এক কোটি ২৪ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের ৮ মার্চ এক বছর মেয়াদি ১৮টি এফডিআর খোলা হয়, যার আর্থিক মূল্যমান এক কোটি সাত লাখ টাকা। শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের নামে ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিন মাস মেয়াদি ২০টি এফডিআাার খোলা হয়, যার আর্থিক মূল্যমান এক কোটি ১৭ লাখ টাকা।

এদিকে কুয়েতের বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে পাপুলের নামে জমা থাকা প্রায় ১৩৮ কোটি টাকাও জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ফৌজদারি অভিযোগ উঠায় এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালক পদ থেকেও সংসদ সদস্য পাপুলকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকটিতে পাপুলের নামে দুই কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে। তাঁর স্ত্রী সংসদ সদস্য সেলিনার নামেও একই ব্যাংকে এক কোটি ৯ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকটিতে তাঁদের বিনিয়োগ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা।

অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে গত ১৭ জুন সংসদ সদস্য পাপুল, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুদক। পাপুল এরই মধ্যে বিদেশে অবস্থান করায় তাঁর বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আর দেশে এসে থাকলে তিনি যেন বিদেশে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ও শ্যালিকা জেসমিনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সূত্র: কালের কন্ঠ

এ জাতীয় আরো খবর