1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : shaker :
  4. [email protected] : shamim :
শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

৮৩% জঙ্গি উত্তরবঙ্গের, প্রায় অর্ধেকই নিম্নবিত্ত

ইন্দ্রজিৎ সরকার, সমকাল
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০২২
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

দেশে গত দুই দশকে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ৮৩ ভাগই উত্তরাঞ্চলের, অর্থাৎ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের। সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। বয়সের ভিত্তিতে দেখলে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে উগ্রবাদে জড়ানোর প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা। আর জঙ্গি কর্মকাণ্ডে যুক্ত ব্যক্তিদের ৬৯ ভাগই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত। মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত ১৭ শতাংশ। স্বশিক্ষিত ও নিরক্ষর ১৪ শতাংশ।

জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থা অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) পরিসংখ্যান ও গবেষণা থেকে মিলেছে এসব তথ্য। ২০০১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আইনের আওতায় আসা জঙ্গিদের মধ্যে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ১ হাজার ২১৭ জনকে এই গবেষণার আওতায় নেওয়া হয়। এতে দেখা যাচ্ছে, গ্রেপ্তার জঙ্গিদের ৫৮ ভাগই জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য।

তথ্য বিশ্নেষণে দেখা যায়, পুরোনো জঙ্গিদের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি মানুষ উগ্রবাদের পথে গেছে। এদের উল্লেখযোগ্য অংশ আহলে হাদিসের অনুসারী। জঙ্গিবাদে সবচেয়ে বেশি জড়িয়েছে নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্যরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, রাজশাহী-রংপুর অঞ্চলে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ভালো কাজ হয়নি। এসব এলাকায় জঙ্গিবিরোধী কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। সম্প্রীতির চর্চা বাড়াতে হবে। চিন্তা করতে হবে, কী পরিবেশের পরিপ্রেক্ষিতে তারা ওই সুযোগ পেয়েছে; সেই পরিবেশ বদলাতে হবে।

জেএমবি সদস্য সর্বাধিক: নমুনা হিসেবে নেওয়া ১ হাজার ২১৭ জঙ্গির মধ্যে জেএমবির ৭১০, হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজিবি) ৪৫, আনসার আল ইসলামের ৯, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) ৯৪, আল্লার দলের ৯৩, নব্য জেএমবির ১২৫, হিযবুত তাহ্‌রীরের ৯০ এবং অন্যান্য সংগঠনের ৫১ সদস্য রয়েছে।

দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান আফগানফেরত মুজাহিদদের মাধ্যমে হলেও প্রকৃতপক্ষে জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি) এবং পরে জেএমবির মাধ্যমেই উগ্রবাদের বিকাশ ঘটে। ২০০৫ সালে সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা এবং তার আগে সিনেমা হল ও আদালতে বিচারকদের ওপর বোমা হামলার মাধ্যমে আলোচনায় আসে জেএমবি। একই সালে আল্লার দলের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০০৯ সালে তুলনামূলক শিক্ষিতদের সম্পৃক্ততায় হিযবুত তাহ্‌রীরের উত্থান হয়। ২০১৪ সালে জেএমবি আবার সংগঠিত হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তাদের একটা অংশ আলাদা হয়ে নব্য জেএমবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি হলে এবং বিভিন্ন ব্লগে কথিত ধর্মীয় অবমাননা-সংক্রান্ত লেখালেখির প্রতিবাদে ব্লগার হত্যা ও নাশকতার সূচনা করে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি)। পরে তারা নাম বদলে হয় আনসার আল ইসলাম।
বয়স যাদের ৩১ থেকে ৪০ :পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জঙ্গিদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী সদস্যের হার ৩ শতাংশ। ২১ থেকে ৩০ বছরের ২৪.৩৬ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩৭.৮১ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ২০.২১ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৯.৬১ শতাংশ, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ৩.১৭ শতাংশ, ৭১ থেকে ৯০ বছরের রয়েছে প্রায় ২ শতাংশ।

নিরাপত্তা বিশ্নেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, যে বয়সে মানুষের উত্তেজনা বেশি থাকে, সে বয়সীদের মধ্যেই জঙ্গি বেশি পাওয়ার কথা। কারণ, ওই সময় তারা সবচেয়ে বেশি পথভ্রষ্ট এবং অনুপ্রাণিত হয়। যারা শুরুর দিকে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত হয়েছে এবং পরে সুযোগ-সুবিধা পেয়ে বর্ধিষ্ণু হয়েছে, ওই বয়সটাতে তাদের জঙ্গিবাদের পথে চলে যাওয়া স্বাভাবিক। অল্প বয়সে জঙ্গিবাদে অনুপ্রাণিত হলেও বিকশিত হতে সময় লাগে। বিকশিত হওয়ার সময়টা হলো ওই বয়স- ৩১ থেকে ৪০ বছর।

সবচেয়ে বেশি উত্তরাঞ্চলে :বিভাগ অনুযায়ী বিশ্নেষণে দেখা যায়, জঙ্গিদের ২.৭৭ শতাংশ ঢাকার। ১.৫৪ শতাংশ চট্টগ্রামের। খুলনা ও বরিশালে এক শতাংশের নিচে। এর মধ্যে বরিশালে সবচেয়ে কম ০.৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি রাজশাহী বিভাগে, প্রায় ৫০ শতাংশ। এরপর রয়েছে রংপুরে ৩২.৬৪ শতাংশ। এ ছাড়া সিলেটে ৪.০৭ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ৮.৬৩ শতাংশ।

দেশে জঙ্গি দমন অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এ কে এম শহীদুল হক। তিনি বলেন, জঙ্গি নেতা শায়খ আবদুর রহমান ও বাংলা ভাই রাজশাহী অঞ্চলে প্রথম কার্যক্রম চালিয়েছে। সে কারণে উত্তরবঙ্গে তাদের অনুসারী তৈরি হয়েছে বেশি। এই দুই জঙ্গি নেতার ফাঁসি হওয়ার পর তাদের অনুসারীরা কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখলেও আদর্শচ্যুত হয়নি। পরে ২০১৩ সালে জঙ্গি তামিম চৌধুরী দেশে ফিরে সেই জেএমবিকে আবার সংগঠিত করে, প্রশিক্ষণ দেয়। সেই রাজশাহী-রংপুর অঞ্চলেই তারা নব্য জেএমবি শুরু করে। এরপর ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদীসহ অন্যান্য জেলায় ছড়িয়েছে। তবে তাদের রিক্রুটমেন্ট (জঙ্গি সদস্য সংগ্রহ) ওই অঞ্চলে বেশি।

৪৫ শতাংশই নিম্নবিত্ত :অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় দেখা যায়, জঙ্গিদের ৪৫ শতাংশ নিম্নবিত্ত। ২৩.২২ শতাংশ নিম্ন মধ্যবিত্ত, ২৭.৮৭ শতাংশ মধ্যবিত্ত, ২ শতাংশ উচ্চ মধ্যবিত্ত এবং ১ শতাংশের কিছু বেশি উচ্চবিত্ত পরিবারের। নিম্নবিত্তের লোকজন একসঙ্গে রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ইত্যাদি পেশায় কাজ করতে গিয়ে ছদ্মবেশী উগ্রবাদীদের মাধ্যমে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হয়।

এ প্রসঙ্গে এ কে এম শহীদুল হক বলেন, বিদ্যমান সমাজ কাঠামোর প্রতি নিম্নবিত্তদের একটা বিরূপ মনোভাব থাকে, ক্ষোভ থাকে। তারা পুঁজিবাদী সমাজ, এত ধনী মানুষ, এত চাকচিক্য দেখে, অথচ নিজেরা কষ্ট করে চলে। এর মধ্যে যখন নতুন কোনো চিন্তা তাদের দেওয়া হয় যে, আমরা বিপ্লব করব, এই সমাজ-বিচার ব্যবস্থা ভেঙে দেব- তখন তারা সহজেই লুফে নেয়।

সাধারণ শিক্ষায় নজর :জঙ্গিদের ৬৯ শতাংশ সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থা ও ১৭ শতাংশ মাদ্রাসায় পড়ালেখা করেছে। আর ১৪ শতাংশ স্বশিক্ষিত কিংবা নিরক্ষর। এ প্রসঙ্গে মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, প্রথমে মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে জঙ্গিবাদের সূচনা হয়, জেএমবির শুরুর দিকটায় এমন দেখা গেছে। পরে তারা দেখেছে, মাদ্রাসার অংশটা পুরো সমাজকে প্রভাবিত করতে পারে না। নেতৃত্বের গুণাবলিতে তারা অনেক পেছনে। তখন তারা ফোকাস করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। হলি আর্টিসানে হামলার সময় আমরা বিত্তবান পরিবারের সন্তানদের একটা ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখতে পাই। এতে বোঝা যাচ্ছে, তারা আগে মাদ্রাসায় ফোকাস দিলেও পরে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ শিক্ষা বা বিত্তবান বা মধ্যবিত্তদের জড়ানোর চেষ্টা করেছে।

সহজ-সরল কৃষিজীবীরা উগ্রবাদে :পেশাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জঙ্গিদের সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ কৃষক, ১৪ শতাংশ ব্যবসায়ী, ১৪ শতাংশ শ্রমিক, ১২ শতাংশ ছাত্র, ৭ শতাংশ বেকার, ৬ শতাংশ চাকরিজীবী, ৫ শতাংশ শিক্ষক। এর মধ্যে মাদ্রাসার ৩ শতাংশ। ডাক্তার/পশু চিকিৎসক/পল্লিচিকিৎসক/হোমিও ডাক্তার পেশার মানুষ আছে ৩.৬৯ শতাংশ। পোশাক কারখানার কর্মী ৩ শতাংশ। ইঞ্জিনিয়ার ২ শতাংশ।

জঙ্গিবাদে জড়ানোর মাধ্যম বিশ্নেষণে দেখা যায়, পুরোনো জঙ্গি সদস্যদের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ মানুষ জঙ্গিবাদে যুক্ত হয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে হয়েছে ১৮ শতাংশ। বন্ধু বা সহযোগীর প্ররোচনায় ১০ শতাংশ, আহলে হাদিসের মাধ্যমে ৬ শতাংশ, ইসলামী বক্তার বক্তৃতার মাধ্যমে ৫ শতাংশ। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে ৫ শতাংশ, অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে ৪ শতাংশ, সর্বহারা দমন কার্যক্রমের মাধ্যমে ৪ শতাংশ, তাবলিগ জামায়াতের মাধ্যমে ২ শতাংশ, লিফলেটের মাধ্যমে ২ শতাংশ মানুষ জঙ্গিবাদে জড়িত হয়েছে। অন্যান্যভাবে উগ্রবাদে জড়িয়েছে বাকি ১৫ শতাংশ।

এটিইউর পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদ প্রতিরোধে বিভিন্ন পর্যায় থেকে কাজ করছে এটিইউ। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে জঙ্গিদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের প্রোফাইল কার্যক্রম বিশ্নেষণ, গবেষণা ও সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে মূলত জঙ্গি দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে এটিইউ।

কেন বেশি উত্তরাঞ্চলে :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদের পেছনের কারিগররা তিনটি বৈশিষ্ট্য টার্গেট করে। এর প্রথমটি হলো, কোন এলাকার মানুষের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগাযোগ কম? কেন্দ্র বলতে দেশের চলমান উন্নয়ন। মানে কোন এলাকার মানুষ অনগ্রসর বা পিছিয়ে আছে। শিক্ষায় পিছিয়ে আছে, সমাজের বিভিন্ন স্তর বা প্রতিষ্ঠান থেকে সম্পর্কের দিক থেকে পিছিয়ে আছে, যোগাযোগের দিক থেকে পিছিয়ে আছে, তথ্যে পিছিয়ে আছে, অর্থে পিছিয়ে আছে, পদমর্যাদায় অনগ্রসর- এই ধরনের মানুষকে কোনো একটি বিশেষ মতাদর্শে আকৃষ্ট করাটা সহজ।

দ্বিতীয়ত, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মধ্যে যাদের ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা আছে, যাদের জীবনের প্রতি মায়া, জীবনবোধ বা দায়িত্বের জায়গাগুলো অপেক্ষাকৃত কম কাজ করে; যাদের উপলব্ধিগুলো এককেন্দ্রিক, তাদের আকৃষ্ট করতে পারে সহজে।

তৃতীয়ত, যে অঞ্চলে মাইগ্রেটেড (স্থানান্তরিত) মানুষের সংখ্যা বেশি সেখানকার সংস্কৃতি বা সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে ওই সব মানুষের পরিচয়টা সাময়িক থাকে, তাকে উদ্বুদ্ধ করা সহজ হয়। আর স্থান পরিবর্তনের পেছনে মূল বিষয়টি থাকে অভাব বা কর্মহীনতা। এ ব্যাপারগুলো ওই অঞ্চলে বেশি। এ কারণে সেখানে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত মানুষের সংখ্যা বেশি।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক বলেন, উত্তরাঞ্চলের অবহেলিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান যতটা নিম্ন, অন্য অঞ্চলে তেমন নয়। তাদের অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে, আছে সচেতনতার অভাব। তাদের যে আর্থিক সুবিধা দরকার, সেটির সুযোগ নিয়েছে জঙ্গিরা। শুধু আর্থিক প্রণোদনা নয়, নানা খাতে সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস, তরুণদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ক্ষেত্রে সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে তারা দলে ভিড়িয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এখন ধর্মীয় অনুভূতি প্রধান হয়ে উঠেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর যে কাজ তা কেউ যথাযথভাবে করছে না। এতে শিক্ষার্থীরা সচেতনভাবে বা অবচেতনে উগ্রবাদে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছে। পুলিশ বা আদালতের মাধ্যমে হয়তো জঙ্গিদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে, কিন্তু এভাবে নির্মূল করা যায় না। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দরকার।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর