1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily Khabor : Daily Khabor
  3. [email protected] : rubel :
  4. [email protected] : shaker :
  5. [email protected] : shamim :
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

৮৭ ফ্ল্যাটের দাম মাত্র ৮৩ লাখ টাকা!

ডেইলি খবর নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসন সমস্যা সমাধানে ঢাকা শহরে ফ্ল্যাট নির্মাণের লক্ষ্যে ‘ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহম্মদপুরে ২০টি পরিত্যক্ত বাড়িতে ৩৯৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ প্রকল্প গ্রহণ করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ হয়নি এখনও। নতুন করে প্রকল্পটি সংশোধনের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। সংশোধিত প্রস্তাবে ৮৭টি ফ্ল্যাট কমানো হলেও এ বাবদ মূল্য কমানো হয়েছে মাত্র ৮৩ লাখ টাকা।

এদিকে, সংশোধিত প্রস্তাবে কাজ শেষ করতে আরও এক বছর সময় চাওয়া হয়েছে। মোহাম্মদপুরের ৯টি বাড়িতে কেপিআইয়ের উচ্চতা সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে ৮৭টি ফ্ল্যাট কমছে। তবে সে তুলনায় কমছে না ব্যয়। ৩৯৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৬৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অথচ ৮৭টি ফ্লাট নির্মাণ কমলেও ব্যয় কমেছে মাত্র ৮৩ লাখ টাকা। ৩৬৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের নিমিত্ত প্রকল্পটির সংশোধন প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফ্ল্যাট সংখ্যা কমলেও ব্যয় না কমার বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মনিরুল ইসলাম জানান, মূল ডিপিপিতে বেশ কিছু আইটেম সংযুক্ত ছিল না, যা নতুনভাবে সংশোধিত ডিপিপিতে সংযোজনের ফলে ফ্ল্যাট সংখ্যা কমলেও প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের তেমন কোনো তারতম্য ঘটেনি।

প্রকল্পের আওতায় গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরের ২০টি পরিত্যক্ত বাড়িতে ১৮০০ বর্গফুটের ১৮টি, ১৫০০ বর্গফুটের ১৪৭টি, সাড়ে ১২০০ বর্গফুটের ২১৯টি এবং এক হাজার বর্গফুটের ১৪টিসহ মোট ৩৯৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করার কথা ছিল। বর্তমানে মোহাম্মদপুরের ৯টি বাড়িতে কেপিআইয়ের উচ্চতা সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে ৮৭টি ফ্ল্যাট কমে যাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সার্বিকভাবে প্রকল্পে ৮৩ লাখ টাকা বা দশমিক ২৩ শতাংশ ব্যয় হ্রাস পেলেও প্রকৃতপক্ষে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা বা ২৮ শতাংশ। প্রকল্পের হ্রাসকৃত ৮৭টি ফ্ল্যাটের অব্যয়িত অর্থ সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মামুন-আল রশীদ বলেন, প্রকল্পটিতে ৮৭ ফ্ল্যাট কম হওয়ায় ব্যয় কমার কথা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ব্যয় বেড়েছে। প্রতিটি ভবনে ১টি লিফট দেওয়ার কথা ছিল। এখন প্রয়োজন বিবেচনায় দুইটি লিফট দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বর্তমান সময়ের নিরিখে উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ কারণে ব্যয় বেড়েছে।

প্রকল্পটিতে বারবার সময় বাড়ানোর বিষয়ে সচিব বলেন, মূলত জমি পেতে দেরি হওয়ায় কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। অনেকেই তাদের পুরানো বাড়ি ছেড়ে যেতে চান না। তাই অনেককে বিকল্প জমির ব্যবস্থা করে দিয়ে তারপরে জমি পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণেই প্রকল্পটিতে সময় বাড়ানো হয়েছে। আশা করছি, নতুন সংশোধিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন

এ জাতীয় আরো খবর