রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৩০ চৈত্র ১৪৩১

নদী দখল করে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্সের চারতলা ভবন নির্মাণ

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৫, ০৩:১৩ পিএম

নদী দখল করে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্সের চারতলা ভবন নির্মাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলাধীন মদনগঞ্জ মৌজায়, শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে মাহমুদনগরে, ২০১৬ সালে সাউথ পয়েন্ট স্কুল ও কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্সের মালিক, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদ নির্মাণ করেন কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্সের শীপ ইয়ার্ড। নির্মাণের শুরুতে উচ্ছেদ, মামলা, ইত্যাদি পেরিয়ে অবশেষে নির্মিত হয় কর্ণফুলী শীপ বিল্ডার্স। তৎকালীন ফ্যাসিবাদ সরকারের বিভিন্ন মহলের আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানটি। শিপ ইয়ার্ড টিতে খুনি হাসিনার বোন শেখ রেহানার অংশীদারিত্ব ছিল বলে জনশ্রæতি ছিল। হাসিনা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীদের সাথে সখ্যতা করে এগিয়ে যায় প্রতিষ্ঠানটি। ক্ষেত্র বিশেষে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম নীতির তোযাক্কা করে না বললেই চলে। তার ই ধারাবাহিকতায় নদী তীরে নদীর অংশ ভরাট করে প্রতিষ্ঠানটি চারতলা ভবন নির্মাণ করেছে। ভবনটি যাতে বাইরে থেকে সকলের দৃষ্টিগোচর না হয় সেজন্য ভবনের বাইরের অংশ টিন দিয়ে আবৃত করে রাখা হয়েছে যা দেখে বাইরে থেকে মনে হবে এটি একটি টিনের স্থাপনা। সুকৌশলে লোক চক্ষুর আড়ালে ভবনটিকে রাখতে মূলত এই ব্যবস্থা বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।
২০০৯ সালের রিট পিটিশন ৩৫০৩/২০০৯ এর রায়ে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশের একাংশে বলা হয়েছে "নদী অভ্যন্তরে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ এর ব্যাপারে কোনরূপ ব্যতিক্রম চলবে না। অবৈধ স্থাপনা যাহার ই হোক না কেন, এবং তিনি যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন, তিনি যে গোষ্ঠীরই হোক না কেন বৈষম্যহীন এবং ব্যতিক্রম ছাড়া তাহা অপসারণ করিতে হইবে"।নদী দখল করে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ মূলত আদালত অবমাননার সামিল বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। এ বিষয়ে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স এর মালিক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, উনার মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করলেও উনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি উনার মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও উনি তার কোন উত্তর দেননি।আইন অবমাননাকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সকলেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত পরবর্তী সংখ্যায়।

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!