আইন-অপরাধ ডেস্ক: দেশ ও মানুষের কল্যাণে গড়ে তোলা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন দখলদার প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। মাইম্যান আর কলারম্যান দিয়ে ডামকে মাকড়শার মতো ঘিরে ফেলেছে গোলাম। ফলে ডামের হেড অফিসে কর্মরতদের মধ্যে নানারকম সন্দেহ-উওেজনা বিরাজ করছে।
এদিকে একটি বিশ^স্ত সুত্রের বরাতে বলা হয়েছে ঢাকা আহসানিয়া মিশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান শুধু যে একজন প্রতারক বা ঠকবাজ তাই না। সে যে তার মাইম্যনি জনৈক আবুল কালাম আজাদ- সাধারণ একাউন্টরে ( হিসাবরক্ষককে) আলোকিত বাংলাদেশের পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক বানিয়ে সুবিধা আদায় করছে তাই না, তার অপরাধের আরেকজন বড় মাইম্যান কম্পানি সেক্রেটারি রফিকুজ্জামান রফিক। যে হল আজাদের বন্ধু। এই কোমপানি রফিক কিছুদিন আগে গোলাম রহমানের কথায় এক কোটি টাকা ঘুষ দেয় একটা সরকারি অফিসকে। বিভিন্ন সময় কয়েকটা চেকের মাধ্যমে রফিককে এই এক কোটি টাকা দেয়া হয়। এই টাকা ক্যাশ করে ঘুষ না দিয়ে রফিক, আজাদ আর গোলাম রহমান ভাগ করে নেয়।
। ঢাকা আহাসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালটা যে মানুষ কাজী রফিকুল আলম এতো পরিশ্রম করে বানাল সেই জায়গায় বসিয়েছে তার আরেকজন মাইম্যন ডাক্তার জলিলরে। এই ডাক্তার জলিল এখন প্রত্যেকটা পদে পদে কমিশন নেয়।
গোলাম যে কতবড় ভন্ড তার একটা বড় প্রমাণ হল সে ইয়াং সাজার জন্য এখন দাড়িতে কলপ লাগিয়ে কালো করেছে। কিছুদিন আগেও নাটক করে লাঠি ভর দিয়ে আসত। এখন লাঠি ছাড়া দোড়ায়। কাজী রফিকুল আলমের গাড়িটা পর্যন্ত সে নিয়ে নিয়েছে। আর সব জায়গায় কাজী রফিকুল আলমের নামে বদনাম করে বেড়ায়।
ডাম সুত্র জানায় একজন অপেশাদার লোক কুটকৌশলে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেছেন। যিনি নূনতম মানবতার সেবার মানসিকতার লোক না হয়েও কিভাবে তিনি মানবতার নেবার প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট হলেন? শুধু নিজের লোভের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং দুর্নীতির মামলা ও অপরাধ থেকে বাচঁতে ফ্যাসিবাদ গোলাম ডামে বসেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম কিভাবে ডামের প্রেসিডেন্ট পদে আছেন? খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের থাকার কথা জেল হাজতে। কিন্তু তিনি বসে আছেন মানবতার কল্যাণের প্রতিষ্ঠানে। যা ঘাপটি মেরে থাকা এবং মুখোশ পরে মানুষকে মুখ দেখানোর মতো ঘটনা। আর এসব কাজে সহায়তারী হিসাবে কাজ করছেন গোলামের অপর মাইম্যান কোম্পানীরর সচিব মো: রফিকুজ্জামান। তিনি আবার ঘুসে অডিট দায়িত্ব পাওয়া নতুন মুখ। অচল বুড়ো ঘুসখোর গোলাম রহমান ডামের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পেয়েই ঘুস-বকশিস খুজতে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অত্যান্ত খারাপ মানসিকতা ও শয়তান শ্রেনির লোক ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে মিশন নিয়েই এসেছেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন। অভিযোগ রয়েছে তার নোংরা কলকাঠির ষড়যন্ত্রে ও মতলববাজের কানকথা শুনে একজন কর্মকর্তার কোনো কারন ছাড়াই ২ বছরের বেতন-ভাতা আটকে রেখেছেন। এমন এক শয়তান মানবকল্যানে প্রতিষ্টিত ডামে কিভাবে কাজ করেন। জানা গেছে ওই কর্মকর্তা পদত্যাগও করেননি, চাকরিচ্যুতও হননি। তাহলে কি অপরাধে তার বেতন আটকে রাখা হয়েছে, তার কোনো ব্যাখ্যাও দেননি। ডামের চেয়ার দখলকারি এমন মানবতা বিরোধী শয়তানী চরিত্রের লোক ডামকে শুধু ধ্বংসই করবে না, দীর্ঘসময়ের সুনাম অর্জনও ভূলন্ঠিত করবে, করে যাচ্ছে।ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের রেখে যাওয়া মূল্যবান সম্পদের উপর বদ নজর পরেছে গোলাম রহমানের। সুত্র জানায় ডামের জমি ঢাকার সাভার-আশুলিয়ায়) থাকা কয়েক বিঘা জমি বিক্রি করার ফন্দিফিকির করছেন মতলববাজ ফ্যাসিবাদের দোসর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। তার সাথে একটি লুটপাট সিন্ডিকেট যুক্ত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশের একটি অলাভজনক সমাজসেবামূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যেটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত গরিব, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে। সমাজসংস্কারক ও সুফি খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা এটি প্রতিষ্ঠা করেন।এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এনজিওগুলির মধ্যে অন্যতম একটি এনজিও। উল্লেখ্য, সৎ চরিত্রের অধিকারি, মেধাবী, সুফি-সাধক, নির্লোভব্যক্তি, ঘুস-দুর্নীতিমুক্ত স্বেচ্ছাশ্রম নিবেদিত মানুষ, দেশের ও সমাজের সেবায় যিনি নিজেকে উদার মানসিকতা দেখাতে পারেন এবং শিক্ষায় পান্ডিত্য, পরোপকারি,কল্যাণকর কাজে নিয়োজিত রাখতে পারবেন এমন ব্যক্তি-সেবক নিয়েই ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন-ডাম টরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রফেসর ড. গোলাম রহমান তার উল্টোটাই করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ময়লা-আর্বজনায় ভরা মানসিকতা নিয়ে গোলাম ডামকে ময়লাই জড়ো করছেন। নিজের লোক নিজের লোক নিযোগের মাধ্যমে ডামের পরিবেশ বিনষ্ঠ করছেন। মতলববাজ-সুযোগসন্ধানীরা গোলামের নাম বেঁেচ ফায়দা লুটে গোলামকেউ কিছু দিচ্ছে এমন নীতি গোলামের কাছে আদর্শ বলে কেউ কেউ মনে করছেন। গোলামের সিন্ডিকেটের সদস্যদের ’ছোট ছোট বানরেরর বড় বড় লেজ’-এর মত অবস্থা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ডাম সুত্র জানায় তারা এমহুর্তে মনে করেন গোলাম তাড়াও, ডাম বাচাও। গোলামের পাশেই বাস করছেন টাউট ধুরন্ধরা। ফলে সৎ লোকের বিপদ বাড়ছে।ফ্যাসিবাদের দোসর প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অতীত-বর্তমান কর্মক্ষেত্রের কর্মকান্ড নিয়ে ডেইলি খবরের সাংবাদিক টিম তথ্য অনুসন্ধান শুরু করেছে। আরও আসছে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :