আইন-অপরাধ ডেস্ক: মিথ্যাচার তথ্য গোপন করে সাধু সেজেছেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। তিনি বলেছেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অঙ্গ প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশ আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজী রফিকুল আলমকে সম্পাদব ও প্রকাশক পদে রাখা হয়েছে। সেটা কত দিনের জন্য তা প্রকাশ করেননি।
অর্ধমৃত অবস্থায় ঘরে পড়ে আছেন কাজী রফিকুল আলম। এমন অবস্থায় কি করে তিনি সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করছেন? দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে কোটি টাকা লোপাট করিয়েছেন। কার অনুমতিতে আজাদ লাখ টাকা বেতন নিচ্ছেন তা নিয়ে গোলাম রহমান কিছু বলছেননা। ডাল মে কুছ কালা হ্রায়? লোপাটের টাকায় গোলাম রহমান ভাগ বসিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে এ নিয়েও তিনি কিছু বলেন নাই। আলোকিত বাংলাদেশের আয় বেতনের নামে লুটে নেওয়ার সব সহযোগীতা তিনি দিয়েছেন কি-না তা নিয়েও কিছু বলেন নাই।
এদিকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন গোলাম রহমান সিন্ডিকেট। এসব নিয়েও তিনি কিছু বলছেননা। সম্পাদক নিয়োগ না করে গোলাম রহমান নিজেই সব করছেন, আবার অস্বীকারও করছেন।
কোন আইনে কি ক্ষমতাবলে গোলাম রহমান আজাদ গং দিয়ে এসব অপকর্ম করছেন তার কোনো জবাব তার কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। এসব তথ্য প্রকাশ করায় ডেইলি খবরের সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা জুড়ে দেয়। এসব কাজ কি ভন্ড-প্রতারকদের কাজ নয়? তিনি তার মাইম্যানকে প্রায় লাখ টাকা বেতনের অনুমোদন কোন আইনে করেছেন,দিযেছেন। এটা সম্পূর্ন সম্পাদক ও প্রকাশকের এখতিয়ার। যেহেতু আজাদ ঢাকা আহছানিয়া মিশনের হিসাব রক্ষক তাই তাকে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে এমন হরিলুটের সুযোগ নিতে পারেননা। গোলাম রহমান তা দিতেও পারেননা। তাহলে এটাকে কি বলা যায়? এদিকে তার কোম্পানী সেক্রেটারি ঘুষে অডিট ঠিকাদার রফিকুজ্জামান রফিক তার অপকর্মেও সহযোগী হিসাবে আছেন বলে জানা গেছে।
গুরুতর অসুস্থ অর্ধমৃত ব্যক্তির তথ্য গোপন করে পত্রিবায় কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে কোটি কেটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন ছেপে অর্থ তছরুপ করেছে গোলাম সিন্ডিকেটচক্র, এটা অন্যায় না।
গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারনা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা। এ অবস্থায় মেধা-বৃদ্ধিদৃপ্ত কাজ কিভাবে করছেন কাজী রফিকুল আলম?
গোলাম রহমানের মিথ্যাচা নিয়ে আরও নানারকম ধান্ধাবাজির খবর আসছে..চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :