সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

গোলাম-আজাদ ও রফিক গংরা ডামে এসে অল্প সময়ে অর্ধশত বছরের সুনাম ধ্বংস করে দিচ্ছে !

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ১১:৫৩ এএম

গোলাম-আজাদ ও রফিক গংরা ডামে এসে অল্প সময়ে অর্ধশত বছরের সুনাম ধ্বংস করে দিচ্ছে !

আইন-অপরাধ ডেস্ক: চাকরি নিয়ে মাত্র ৩ বছরেই ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অর্ধশত বছরের অর্জিত সুনাম ধ্বংস করে দিচ্ছে ৩ ব্যক্তি। এরা হলেন-ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, কোম্পানি সেক্রেটারি মো: রফিকুজ্জামান রফিক ও হিসাব রক্ষক মো: আবুল কালাম আজদ। একজন লুট করে যাচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশে, অন্যজন ঘুষে অডিট ঠিকাদারিতে আর গোলাম করছেন সার্বিকভাবে।
ডামের সুনাম অর্জনকারি সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমকে সরিয়ে খু:বি: দুর্নীতিবাজ প্রফেসর ড. গোলাম রহমান প্রেসিডেন্টের চেয়ার দখল করেই তার এসব সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনকে বিতর্কের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। 
দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম আজ ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে গোলামের এসব মাইম্যানরা। ডাম নিয়ে মানুষ নানা সমালোচনা করছে। অভিযোগ রয়েছে গোলাম রহমান এই ৩ জনের শলাপরামর্শে ক্ষতিকর কাজগুলোর করেন ও সিদ্ধান্ত দেন। 
তিনি সাতক্ষিরা গ্রুপ করতে গিয়ে গোটা আহছানিয়া মিশনকে ক্ষেপিয়ে তুলেছেন। তার মারমুখী আচরণে কর্মরতরা অতিষ্ট। অভিযোগ রয়েছে তিনি নিজে অসৎ রোজগেরের পথে মনোযোগ বেশী। এবং তার ২ মাইম্যান আজাদ-রফিক ডাম প্রতিষ্ঠানের আয়ের টাকা লুটে নিচ্ছে নানারকম ফন্দিফিকির করে। ডাম সংশ্লিষ্ট সুত্রগুলো থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। 
এদিকে আরেকটি সুত্র জানায় গোলাম রহমানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ট্রেজারার ডা.এম এ জলিল লুটপাট করে এলোমেলো করে ফেলেছেন আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল (এএমসিজি এইচ)।
মানবিক মূল্যবোধ হারানো সুচতুর জলিল ফন্দিফিকির করে নানারকম কৌশলে ও ঠিকাদারি কাজের কমিশন নিয়ে এই হাসপাতাল থেকে কোটি টাকা ধান্ধাবাজী করে আবার এই হাসপাতালেই কিছু টাকা দান করে মানবতার ফেরিওয়ালা হচ্ছেন। নিজেও নাকি একটি হাসপাতালের মালিক।
সুত্রগুলো জানায় মুখোশপড়া ধান্ধাবাজ জলিল প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমানকে নয়ছয় বুঝিয়ে হাসপাতালটিতে মাইম্যান নিয়োগ দিয়ে এই নিয়োগকৃত লোকদের দিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারি-উন্নয়ন কাজের কমিশন হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
মানবতার ফেরিওয়ালার ভাবধরে থাকা জলিল একাধিক কর্মিকে চাকরিচ্যুতও করেছেন। হাসপাতালটির উন্নয়ন-রক্ষণাবেক্ষন ও ঠিকাদারী কাজের কমিশন আদায় এবং নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে পোষাক সাপ্লাই, প্রতি সপ্তাহে ময়লা বিক্রির অর্থ হাতিয়ে নেওয়া থেকে পর্যায়ক্রমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার স্বপ্নে বিভোর থাকা জলিল এখন এলোমেলো হয়ে পরেছেন। 
দেশ ও মানুষের কল্যাণে দেশ-বিদেশের জনগণ ও নানা প্রতিষ্ঠানের দান-খয়রাতে গড়ে তোলা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মাধ্যমে রাজধানীর উওরায় আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হ্াসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও ডামের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অদুরদর্শীতা আর একশ্রেণির লোভী-দুর্নীতিবাজ লোকদের কারণে আজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।
মানবতার ফেরিওয়ালার আড়ালে মুখোশ পড়া লোভী লোকদের হাত থেকে এটিকে রক্ষা করে সত্যিকারে মানুষের সেবায় ফিরিয়ে আনতে হবে বলে হাসপাতালের একাধিক কর্মি মনে করেন।
এদিকে ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম আর তার মাইম্যান-কলারম্যান দিয়ে ডামকে মাকড়শার মতো ঘিরে ফেলেছেন। 
সুত্র জানায় ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া ডামের নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ আজ বিলুপ্তির পথে ধাবিত হচ্ছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান বেঁেচ দেওয়া বা ছেড়ে দেওয়ার কথাও শুনা যাচ্ছে। 
ডাম সুত্র জানায় খু:বি; ভিসির দায়িত্ব থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা, মানব সেবায় অন অভিজ্ঞ, দেশের কল্যাণে যার কোনো অর্জন-সুনাম নেই, অপেশাদার মুখোশপড়া ভন্ড লোক
কিভাবে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেছেন? যিনি নূন্যতম মানবতার সেবার মানসিকতার লোক না হয়েও কিভাবে তিনি মানবতার সেবার প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট হলেন? 
অনেকেই বলছেন শুধু নিজের লোভের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং দুর্নীতির মামলা ও অপরাধ থেকে বাচঁতে ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম বসেছেন ডামে। প্রশ্ন হচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম কিভাবে ডামের প্রেসিডেন্ট পদে আছেন? 
খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের থাকার কথা জেল হাজতে। কিন্তু তিনি বসে আছেন মানবতার কল্যাণের প্রতিষ্ঠানে? মুখোশপরা ভন্ড মানবতার ফেরিওয়ালার মুখোশ খুলতে এগিয়ে যাবে ডেইলি খবর..চলবে..

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!