ডেইলি খবর ডেস্ক: ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় ইতালির রাজধানী রোমে লেবানন ও ইসরায়েলের নতুন দফার আলোচনা শেষ হয়েছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় দুপক্ষ দক্ষিণ লেবাননে ‘পাইলট জোন’ স্থাপনে সম্মত হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে আজ বুধবার (১৫ জুলাই) শেয়ার করা এক বিবৃতিতে ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘দুই দিনের ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনার পর বৈঠকটি শেষ হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা পাইলট জোন প্রক্রিয়ার কাঠামো এবং নির্দেশনাবলীর বিষয়ে একমত হয়েছেন। আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়টি চূড়ান্ত করে তা বাস্তবায়ন করা হবে।’
ওয়াশিংটনে পাঁচ দফা আলোচনার পর গত মাসে স্বাক্ষরিত ‘ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি’র ওপর ভিত্তি করেই ইতালির রাজধানীতে মার্কিন-মধ্যস্থতায় এই আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে লেবাননের আলোচকরা দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ‘অগ্রগতি’ আশা করছেন।
এই চুক্তির লক্ষ্য হলো ইসরায়েল এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটানো, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ, দক্ষিণে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং দুটি `পাইলট জোন` থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বাহিনীকে লেবানন থেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করা। তবে হিজবুল্লাহর প্রত্যাখ্যান করা এই চুক্তিতে ইসরায়েল কতদিনের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার করবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি।
তাছাড়া ইসরায়েলি কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহ যতদিন সশস্ত্র থাকবে, ততদিন তাদের বাহিনী সীমান্ত বরাবর ১০ কিলোমিটারের ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ অবস্থান করবে।
গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার বলেছিলেন যে, তার দেশ এই দুটি পাইলট জোন বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। গত মার্চ মাসে ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে হিজবুল্লাহ তাদের দেশকে বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার পর দুই দেশ এই আলোচনা শুরু করে।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :