বিনোদন ডেস্ক: মাত্র ক্লাস ফোর পাস করা এক ব্যক্তি কঠিন মানসিক দৃঢ়তা ও বুদ্ধিমত্তায় কীভাবে প্রশাসনের উচ্চশিক্ষিত কর্মকর্তাদের নাকানিচুবানি খাইয়ে পরিবারকে রক্ষা করেছেন সেই কাহিনির এক চমকপ্রদ চিত্রায়ণ ‘দৃশম’। প্রথম দুই পর্বের পর ২ অক্টোবর মুক্তি পায় ‘দৃশ্যম: দ্য কনক্লুশান’। মুক্তির পরই ঝড় তুলেছে সিনেপ্রেমীদের হৃদয়ে, এমনকি বক্স অফিসেও।
সিনেমা হলে মুক্তির ১২ দিনের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫০০ কোটি রুপির মাইলফলক পেরিয়ে গেল অজয় দেবগনের ড্রামা-থ্রিলারটি। ১৩ দিনের মাথায় বিশ্বব্যাপী মোট আয় ৫১৩ কোটি রুপি। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রথমবার ৫০০ কোটির ক্লাবে নাম লেখালেন অজয়।
সিনেমা রেটিং ও বক্স অফিস পর্যালোচনাকারী প্রতিষ্ঠান স্যাকনিল্ক-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম সপ্তাহান্ত এই ক্রাইম ড্রামা থ্রিলারটি শুধু ভারতে আয় করেছিল ২৪৫ কোটি রুপি। পরের সপ্তাহেও সিনেমাটি ঊর্ধ্বধারা ধরে রেখেছে।
এখন পর্যন্ত শুধু ভারতে এর মোট আয় ৩৮৭ কোটি রুপির বেশি। আয়ের বাকিটা এসেছে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে। তবে আয়ের এই ধারা পূজা উপলক্ষে ছন্দ হারাতে পারে। চলতি বছরের বলিউডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের সিনেমা এখন এটি
অজয়ের ‘দৃশম ৩’ আগের দুই অধ্যায়ের চেয়ে একটি ভিন্ন আবেগঘন পথে এগোয়। সাসপেন্সনির্ভর থ্রিলারের নতুন অধ্যায়টি আগের চেয়েও বেশি পরিকল্পিত, যা অশিক্ষিত বিজয় সালগাওকারের সিদ্ধান্তের মানসিক পরিণতির ওপর গভীর আলোকপাত করে।
স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামে সুখে জীবনযাপন করা কেবল ব্যবসায়ী বিজয় সালগাওকারের (অজয়) জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। একটি অপ্রত্যাশিত অপরাধে পরিবারকে আইনের অন্ধকার দিক থেকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন তিনি। বুদ্ধিমত্তা ও দৃঢ় মানসিকতা দিয়ে রক্ষা করেন পরিবারকে। আবারও নেমে এসেছে সেই বিপদ। অজয় এবার কীভাবে রক্ষা করবেন—সেই কাহিনি আসলে না দেখলে বিশ্বাস করা কষ্ট।
অভিষেক পাঠকের পরিচালনায় ‘দৃশ্যম: দ্য কনক্লুশান’ প্রযোজনা করেছে প্যানোরামা স্টুডিওজ ও স্টার স্টুডিও ১৮। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দৃশ্যম ২’-এর সিক্যুয়েল এটি। আগের ছবিগুলোর সঙ্গে এবারের ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, এর গল্প মৌলিক। মালায়ালম সংস্করণের গল্পের সঙ্গে সিনেমাটির কাহিনিগত কোনো যোগসূত্র নেই। সংগৃহীত ছবি, সূত্র: স্যাকনিল্ক

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :