সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

জনপ্রিয় এ্যাডভোকেট মো: আবু সায়িদের সাথেও ডেপুটেশন আজাদের ভুয়ামী!

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ১২:৫৮ এএম

জনপ্রিয় এ্যাডভোকেট মো: আবু সায়িদের সাথেও ডেপুটেশন আজাদের ভুয়ামী!

আইন অপরাধ ডেস্ক: দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী’র বেতন-ভাতা কোনো কারণ ছাড়াই গত দুই বছর যাবত বন্ধ  রেখেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট।

বকেয়া বেতন প্রদানের জন্য আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হলে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের পক্ষের স্বনামধন্য ও তরুণ আইনজীবীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় আইনজীবী এ্যাডভোকেট আবু সায়িদকে ফের লিগ্যাল নোটিশের জবাব দিতে ভুয়া তথ্য সরবরাহ করেছে আলোকিত বাংলাদেশের অবৈধ ব্যক্তি ও প্রতারকচক্র।

খোজ নিয়ে জানা গেছে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে যে অবৈধ ব্যক্তির মাধ্যমে এ্যাডভোকেট আবু সায়িদকে দেওয়া তথ্যের ভিক্তিতে
জবাব দিয়েছেন তাতে ভুল ও মিথ্যার বেসাতির বয়ান উপস্থাপন করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী ডেইলি খবরকে জানান ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অস্থায়ী হিসাব রক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে হিসাব বিভাগে কাজ করার জন্য ডেপুটেশনে আমার কাছে প্রেরণ করা হয়। আজাদ হিসাব বিভাগের কাজে যোগ দিয়েই নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করে।এতে প্রতিষ্টানের নানা রকম দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে।

এমতাবস্থায় প্রতিষ্টানের সুনাম রক্ষার্থে ঢাকা আহছানিয়া মিশনকে আজাদকে মৌখিক ও লিখিতভাবে ফেরত নিতে বলা হয়।কিন্তু তাকে ফেরত না নেওয়ায় আজাদ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে।

প্রতিষ্টানে অডিট করার নামে অর্থও তছরুপ করে।বিষয়টি ঢাকা আহছানিয়া মিশন কর্তৃপক্ষকে অবিহিত করার পরেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়নি।পত্রিকাটি ঢাকা আহছানিয়া মিশনেরই অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান।

এই অবস্থায় কোনো দ্বন্ধ-সংঘাতে না জড়িয়ে আমিও গত ২০২৪ সালের আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকে অফিসে না গিয়ে বাসা থেকেই কাজ করি।এবং এসময়ে আমি একাধিক ছুটির আবেদন দিয়েও কোনো সারা পাইনি।খোজ নিযে জানতে পারি আমার ছুটির আবেদনগুলো গায়েব করে ফেলা হয়েছে।সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলম সাহেবের কাছে ছুটির একটি আবেদনও পৌছানো হয়নি।

এদিকে খোজ নিয়ে আরও জানতে পারি  টানা আড়াই বছর যাবত গুরুতর অসুস্থ হয়ে এখন মৃত্যুশয্যায় আছেন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলম।

জানা গেছে মৃত্যুশয্যায় গুরুতর অসুস্থ সম্পাদকের অনুমোদন না নিয়ে বিপুল পরিমান খরচ করাসহ মোক্ষম  সুযোগে বহিরাগত এ প্রতারক ডেপুটেশনে এসে সিন্ডিকেট করে লুটেপুটে খেয়ে যাচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশ।

অভিযোগ ও প্রশ্ন হচ্ছে,ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অঙ্গ-প্রতিষ্টানে একজন বহিরাগত কর্মচারি ডেপুটেশনে কাজ করতে এসে মালিক হলেন কিভাবে? মামলার বিবাদি হলেন কিভাবে?

ঢাকা আহছানিয়া মিশনে হিসাব রক্ষক পদে আবুল কালাম আজাদের অস্থায়ী চাকুরী নিয়ে আলোকিত বাংলাদেশে ডেপুটেশনে এসে কিভাবে স্থায়ী চাকুরী করছেন?

যেহেতু তিনি হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ঢাকা আহছানিয়া মিশনের।চাকুরীও মিশনেও স্থায়ী নয়,চুক্তির মেয়াদও উওীর্ণ। আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলমের নিয়োগপ্রাপ্ত না হয়েও গত ২ বছর যাবত কাজ করছেন কিভাবে? অনুমোদন দিল কে?

গুরুতর অসুস্থ অর্ধমৃত সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলমকে অন্ধকারে রেখে গত দুই বছর যাবত কৌশলে পত্রিকাটির আয় লুটে নিচ্ছে।একাধিকবার অভিযোগ উঠার পরেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন ?

সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান নিজে সুবিধা নিয়ে আজাদকে দিয়ে এসব অবৈধ কর্মকান্ডে ও লুটপাটে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। গোলাম রহমানের বিরুদ্ধেও রয়েছে দ;ুর্নীতির অভিযোগ। এবং ফ্যাসিবাদের দোসর।

সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশন (ডাম) আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড করে পত্রিকাটি প্রকাশ করে। বর্তমানে এর পরিচালনা পর্ষদ নিস্ক্রিয়।

এদিকে ব্যবস্থাপনা সম্পাক আরও জানান বকেয়া বেতন-ভাতা চেয়ে এবং সার্বিক বিষয় নিয়ে একাধিকবার আবেদন/চিঠি দেওয়া হলেও আলোকিত বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে হিসাব রক্ষক ডেপুটেশন আজাদকে দিয়েই অবৈধ সব কর্মকান্ড করিয়েছেন।

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে আমার চাকরী স্থায়ী এবং সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৮ম ওয়েজবোডে নিযোগপ্রাপ্ত।বর্তমানে চলছে ৯ম ওয়েজবোড। সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আমার নিযোগ।

আমাকে টার্মিনেশন করাসহ যে কোনো চিঠি সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃৃক নির্ধারিত, অন্য কেউ নয়, ডেপৃটেশনে তো বহুদুর। যা করা হচ্ছে অন্যায় ও গায়ের জোড়ে। আমাকে চিঠি দেওয়ার জন্য এসময়ে সম্পাদক কাউকে দায়িত্ব দেননি। প্রতারণা ও লুটপাট করতে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে প্রচার করা হচ্ছে গত দু বছর ধরে।

শামীম সিদ্দিকী আরও বলেন অভিজ্ঞতার আলোকে দৈনিক ইনকিলাব থেকে সর্বশেষ দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় আমাকে খুজে এনে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক পদে নিয়োগ দেন পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব,কাজী রফিকুল আলম সাহেব।

আমি নিয়োগ পেয়ে পত্রিকাটির ব্যবসার প্রসার বাড়াতে সরকারী তালিকায় টপ ১০-এ নিয়ে আসছি।এতে পত্রিকাটি কোটি কোটি টাকার অতিরিক্ত সরকারী-বেসরকারী বিজ্ঞাপন পেয়েছে।আয় বেড়েছে।

অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে আমি পত্রিকাটির আয়-ব্যয় সমন্বয় করে প্রতিষ্টানে কর্মরতদের নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদান করেছি।আমার ব্যবস্থ্পানায় প্রতিষ্টানটি ভালো চলছিল। এবং সুনাম অর্জন করেছিল। এজন্য সম্পাদক ও প্রকাশক মহোদয় লিখিতভাবে আমার প্রশংসা করেছেন ও ধন্যবাদ দিয়েছেন।

আলোকিত বাংলাদেশের পক্ষে শ্রমিকের ন্যয্য পাওনার বিরুদ্ধে মামলায় লড়তে জনপ্রিয় তরুণ আইনজীবী মিডিয়া বান্ধব  এ্যাডভোকেট আবু সায়িদকে ফের নিয়োগ করে মিথ্যার বয়ান তৈরী করেছে। এতে আমাকে হেয় করতে ঢাকা আহছানিয়া মিশন থেকে ডেপুটেশনে এসে একজন কেরানীর সমতুল্য ব্যক্তি দেশের একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও সাবেক সাংবাদিক নেতাকে চাকরীচ্যুতির কারণ দর্শাও নোটিশ দেওয়ার সাহস ক্ষমতা পেল কোথা থেকে? যেখানে সম্পাদক ও প্রকাশক প্রায় আড়াই বছর যাবত অর্ধমৃত অবস্থায়। প্রশ্ন হচ্ছে সম্পাদকের স্বাক্ষর করছে কে?

যার নিয়োগই অস্থায়ী। আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক কাজি রফিকুল আলম কর্তৃৃক আলোকিত বাংলাদেশের প্যাডে যার নিয়োগ হযনি তিনি কিভাবে আলোকিত বাংলাদেমের সর্বময় ক্ষমতাধারী হয়? আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড যেখানে নিস্ক্রিয় থাকা সত্বেও কিভাবে নিয়োগ বিধি হচ্ছে-চলছে? সবই প্রতারণা।

তাই আমি এ্যাডভোকেট আবু সায়িদকে বলবো শ্রমিকের পাওনা আদায়ে সহযোগীতা করতে, বিরুদ্ধে নয়। এর আগে গত ১২ বছরে আলোকিত বাংলাদেশে কর্মকালীন বহু সংবাদকর্মিকে নানাভাবে হয়রানি হেয় করা হয়েছে। পাওনা আদায় নিয়ে বহু মামলা হয়েছে। সাংবাদিকদের ট্রেড ইউনিয়ন আলোকিত বাংলাদেশে বহুবার ঘেরাও কর্মসুচি পালন করেছে।

এসব নিয়ে ব্যারিস্টার জাফরউল্লাহ সাহেব ও এ্যাডভোকেট আবু সায়িদ মামলায় লড়েছেন।কিন্তু উকিল ফি/বিল পর্যন্ত আলোকিত বাংলাদেশের সম্পাদক দেয়নি।ফলে প্রায়ই আদালত থেকে সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোনা জারি করা হত।

আমার জানা মতে আলোকিত বাংলাদেশের কাছে অতীত মামলার এ্যাডভোকেট আবু সায়িদের প্রচুর বিল বকেয়া পাওনা আছে। এরপরেও মামলা দায়ের করা প্রতিটি সংবাদকর্মি জয়লাভ করেছে এবং আলোকিত বাংলাদেশ থেকে পাওনা আদায় করে নিয়েছে। এখনো কিছু বকেয়া আছে। আসা করছি আদালত থেকে আগামীতেও  আমিও ন্যায় বিচার পাবো।

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!