মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

গোলাম চক্র নষ্ট করলো ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন!

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

গোলাম চক্র নষ্ট করলো ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন!

আইন-অপরাধ ডেস্ক: খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের আলোচিত দুর্নীতিবাজ প্রফেসর ড. গোলাম রহমান সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। দুই বছরেই ৬০ বছরের সুনাম নষ্ট করলো গোলাম চক্র।যা কলঙ্কিত অধ্যায়।
ফ্যাসিস্টের দোসর সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের সহযোগীতায় গণঅভ্যুখ্যানের আগে ঢাকা আহছানিয়া মিশন দখল করে এখনো লুটেপুটে খাচ্ছে দুর্নীতিবাজ গোলাম রহমান।

জানা গেছে মানবতার সেবায় প্রতিষ্টিত এনজিও ঢাকা আহছানিয়া মিশনে ৬০ বছর শ্রম-মেধা ব্যয় করে সুনামের সাথে পরিচালনা করাসহ বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে রেখে গেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম।আজ তার হাতে গড়া প্রতিষ্টানগুলোতে লুটেরাচক্র লুটেপুটে খাচ্ছে, দেখার কেউ নেই।

খোজ নিয়ে জানা গেছে গোলামের সাথে থাকা  ৩ নবাগত ঢাকা আহছানিয়া মিশনে চাকরি নিয়ে ৬০-৭০ বছরের ঐতিহ্য-সুনাম নষ্ট করেছে। এটা কৌশলেই তারা করছে। নবাগতরা হলেন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, তার হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও কোস্পানী সেক্রেটারী ঘুষে অডিট মো: রফিকুজ্জামান রফিক।

ডাম সুত্রে জানা গেছে গোলাম-আজাদ ও রফিক এই ৩ জনই ডামে নবাগত। তাদের আচরন দেখে মনে হবে তারা ৭০ বছর আগে থেকেই ডাম চালিয়ে আসছেন। তারা এমনই মতলববাজ যে, নিজেদের সুবিধা নিতে সর্বসময় ব্যস্ত থাকেন। এবং ডামের প্রতিষ্টানগুলোর কোথায় কোথায় মধু আছে তা কিভাবে চুষে খাবে এ নিয়েই পরিকল্পনা করে থাকে বলে সুত্র জানায়। দুর্নীতি-বাটপারি ঢেকে রাখতে প্রশাসনে উৎকোচ প্রদানের কথা বলে ডাম থেকে অর্থ নিয়ে নিজেরাই ভাগবাটোয়ারা করে খায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডামের একাধিক সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের চেয়ার দখল করেই লুটপাটের ধান্ধা ও ফন্দিফিকির শুরু করেন খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের এই আলোচিত-সমালোচিত দুর্নীতিবাজ প্রফেসর ড. গোলাম রহমান।

দেশে পট পরিবর্তনের পর সাথে আরও দুটো সঙ্গী নিয়ে লুটপাটের মাত্রা বাড়িয়ে দেন গোলাম। গত ২ বছরে চিকিৎসার নামে অর্থ নেওয়াসহ নানাভাবে লুটেপুটে খেয়ে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ১২টা বাজিয়েছেন এই চোর সিন্ডিকেট।

সুত্র জানায় গোরাম রহমান একজন পথভ্রষ্ট নীতি-নৈতিকতাহীন ঠান্ডা শাথার ক্রিমিনাল। তিনি কৌশলে একজন অর্ধমৃত ব্যক্তি কাজী রফিকুল আলমের নাম আলোকিত বাংলাদেশের প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে  ছেপে এর আয় লুটে নিচ্ছেন এবং ভয়াবহ ও মারাত্মক অপরাধ করে চলছেন।

এদিকে পত্রিকা প্রকাশনার সমস্ত দায়ভার কৌশলে কাজী রফিকুল আলমের উপড় চাপিয়ে গোলাম নিজে নিরাপদে থেকে লুটে খাচ্ছেন। গোলামের মাইম্যান হিসাবে পরিচিত হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদকে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে লাখ টাকা বেতন গ্রহনের নামে লুট করাচ্ছেন, লুটের টাকায় সাতক্ষিরায় চিংড়ি ঘের ও জমিজমা ক্রয় হচ্ছে।

আলোকিত বাংলাদেশের একাধিক সুত্র জানায়, ঢাকা আহছানিয়া মিশনে হিসাব রক্ষক পদে মো: আবুল কালাম আজাদকে নিয়োগ দিয়ে ৪৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারন করে আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকীর কাছে ডেপৃটেশনে পদায়ন করা হয়। কাজে যোগদান করেই আজাদ তার বন্ধু রফিককে নিয়ে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ায় আজাদকে প্রত্যাহার বা ফেরত পাঠানো হলে ডাম গোলাম গ্রহন না করে আলোকিত বাংলাদেশেই রেখে দেয়। লিখিতভাবে জানানোর পরও তাকে প্রত্যাহার করা হয়নি।

খোজ নিয়ে জানা গেছে গোলাম রহমানের সাথে আজদের ভাগ-বাটোয়ারার এবং লুটপাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা থেকেই তাকে ফেরত নেওযা হয়নি। ফেরত নিলে আজাদ সব ফাঁস করে দিবে বলে জানা  গেছে। এই ভয়-ভীতির কারণেই গোলাম রহমান আজাদকে কিছু বলছে না, ডামে ফেরতও নিচ্ছে না।

অভিযোগ রয়েছে আলোকিত বাংলাদেশের নামের ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থেকে গত ২ বছরে বিপুল অঙ্কের অর্থ উওোলন করে নিয়েছে আজাদ। বিষয়টি জানেননা সম্পাদক  ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলম। কিন্তু তার নাম প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসাবে ছেপে যাচ্ছে।

অর্ধমৃত মানুষের উপড় প্রকাশনার সমস্ত দায়ভার চাপিয়ে দিয়ে লুটেপুটে খেয়ে যাচ্ছে গোলাম চোরের সিন্ডিকেট। অর্ধমৃত, বধির ও চলাচলে অক্ষম ব্যক্তিকে এভাবে নাম বিক্রি করে চোর সিন্ডিকেটের লুটপাটের ঘটনা বিশে^ বিরল। যা প্রফেসর গোলাম রহমান করছেন।

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন। যা ঢাকা জেলা প্রশাসক জানেননা।

সুত্র জানায় মুখোশ পরে ভন্ড-প্রতারক, দুর্নীতিবাজ গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারণা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানতে পারছেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা।

এদিকে ডামের একটি সুত্র জানায় ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া অঙ্গ-প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশসহ ডামের নামে রেখে যাওয়া সম্পদ ও জমি বিক্রি করে অর্থ হাতানোর ষড়যন্ত্র লিপ্ত প্রতারক ভন্ড গোলাম রহমান।
অপর দিকে গোলাম ও তার দোসর আবুল কালাম আজাদ ও রফিকুজ্জামান রফিক আলোকিত বাংলাদেশের বিপুল অঙ্কের দায়-দেনা ডামের ঘাড়ে চাপিয়ে তারা পালিয়ে যেতে পারেন।গোলাম রহমান ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের আরও নানারকম ধান্ধাবাজির খবর আসছে..চলবে..

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!